ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মর্যাদার প্রতীক—জিয়া পরিবার বাংলাদেশের সামাজিক সংস্কৃতিতে এক অনন্য উদাহরণ দাদুর পক্ষ থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা—দেশবাসী কাছে দোয়া চেয়েছেন জাইমা রহমান ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের দাবি তৃণমূলে: এডভোকেট আবেদ রাজার প্রতি অগ্রাধিকার চায় কর্মীরা ডা. জুবাইদা রহমান সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে বিশেষজ্ঞ দল উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া প্রস্তুতি—আগামীকাল ঢাকায় আসছেন ডা. জুবাইদা রহমান গরিব-দুঃখী মানুষের গল্পে মানবতার ছোঁয়া—শেরপুরে ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার গণসংযোগ হে আল্লাহ দয়াময়, তুমি সকল কিছুর মালিক। আমার মা জননী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির করিয়া দেও :তারেক রহমান হার না মানা সংগ্রামের নাম— খালেদা জিয়া বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দেশজুড়ে প্রার্থনার বন্যা এভারকেয়ার হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে তিন বাহিনীর প্রধান

এই গল্প টি দিয়ে মা জাতির উদারতার ও ভালোবাসার প্রতিক

রিপোর্টার:-মোঃস্বপন
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:২৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অগাস্ট ২০২৩ ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

বৈদ্যুতিক বাতির আবিস্কারক বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন এর একটি গল্প পড়েছিলাম। ‘মাদারস লাভ ফর এ বয়’ গল্পটির কাহিনি অনেকেই জানেন। তারপরও আজকে এই ছবিটি দেখে, সেই গল্পের কথা মনে পড়ে গেল।

এডিসন পড়াশোনাতে বেশ দূর্বল ছিলেন। পরীক্ষায় খাতায় তেমন ভালো করতে পারেননি। ফলে তার হাতে একটি চিঠি ধরিয়ে দিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ বলেন, ‘চিঠিটা যেনো খোলা না হয়। সোজা মায়ের হাতে দেয়া হয়।

এডিসন মায়ের হাতে চিঠি দিলেন এবং চিঠিতে কি লেখা কৌতুহলবশত মায়ের কাছে জানতে চাইলেন।

তার মা আওয়াজ করে এডিসনকে শুনিয়ে বললেন,‘আপনার পুত্র খুব মেধাবী, এই স্কুলটি তার জন্য অনেক ছোটো এবং এখানে তাকে শেখানোর মতো যথেষ্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নেই। দয়া করে আপনি নিজেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করুন।’

তারপর থেকে তিঁনি মায়ের কাছেই শিক্ষা নেওয়া শুরু করলেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হবার পর টমাস আলভা এডিসন হয়ে উঠেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী, শিল্পপতি এবং মার্কেটিং জগতে সফল উদ্যোক্তা। কিন্তু তাঁর মা সেসময় বেঁচে ছিলেন না। হঠাৎ একদিন পুরানো কাগজ নাড়তে থাকেন। ভাঁজ করা এক কাগজের দিকে চোখ আটকে যায়। চিঠিটি খুলে দেখেন সেই পুরানো স্কুলের চিঠি। আবেগতারিত হয়ে যান। মনের ক্যানভাসে ভেসে উঠে সেসব দিনের কথা।

সেই চিঠিতে লেখা ছিল- ‘আপনার সন্তান স্থূলবুদ্ধিসম্পন্ন, সে এই স্কুলের উপযুক্ত নয়, আমরা কোনোভাবেই তাকে আমাদের স্কুলে আর আসতে দিতে পারি না’।

তারপর এডিসনের চোখ ভিজে যায়! তাঁর মায়ের কথা ভীষণ মনে হয়। ডাইরীতে লিখে রাখলেন তখন,‘টমাস আলভা এডিসন মানসিক অসুস্থ এক শিশু ছিলেন কিন্তু তার মা তাকে শতাব্দীর সেরা প্রতিভাবান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছেন।’

এই ছবিটি কে তুলেছেন জানা নেই।

তবে জানা আছে মায়ের ভালোবাসার কথা। এই সন্তানকে গড়তে মায়ের অকৃত্রিম ভালোবাসা আর সংগ্রামের কথা। মায়েরা সন্তানকে এভাবেই গড়ে তোলেন!

একজন সাহসী, সংগ্রামী, মমতাময়ী
সব মায়েরা যেনো এমনি।

স্যালুট মা ❤️
(সংগৃহীত ইন্টারনেট)

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এই গল্প টি দিয়ে মা জাতির উদারতার ও ভালোবাসার প্রতিক

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:২৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অগাস্ট ২০২৩

বৈদ্যুতিক বাতির আবিস্কারক বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন এর একটি গল্প পড়েছিলাম। ‘মাদারস লাভ ফর এ বয়’ গল্পটির কাহিনি অনেকেই জানেন। তারপরও আজকে এই ছবিটি দেখে, সেই গল্পের কথা মনে পড়ে গেল।

এডিসন পড়াশোনাতে বেশ দূর্বল ছিলেন। পরীক্ষায় খাতায় তেমন ভালো করতে পারেননি। ফলে তার হাতে একটি চিঠি ধরিয়ে দিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ বলেন, ‘চিঠিটা যেনো খোলা না হয়। সোজা মায়ের হাতে দেয়া হয়।

এডিসন মায়ের হাতে চিঠি দিলেন এবং চিঠিতে কি লেখা কৌতুহলবশত মায়ের কাছে জানতে চাইলেন।

তার মা আওয়াজ করে এডিসনকে শুনিয়ে বললেন,‘আপনার পুত্র খুব মেধাবী, এই স্কুলটি তার জন্য অনেক ছোটো এবং এখানে তাকে শেখানোর মতো যথেষ্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নেই। দয়া করে আপনি নিজেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করুন।’

তারপর থেকে তিঁনি মায়ের কাছেই শিক্ষা নেওয়া শুরু করলেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হবার পর টমাস আলভা এডিসন হয়ে উঠেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী, শিল্পপতি এবং মার্কেটিং জগতে সফল উদ্যোক্তা। কিন্তু তাঁর মা সেসময় বেঁচে ছিলেন না। হঠাৎ একদিন পুরানো কাগজ নাড়তে থাকেন। ভাঁজ করা এক কাগজের দিকে চোখ আটকে যায়। চিঠিটি খুলে দেখেন সেই পুরানো স্কুলের চিঠি। আবেগতারিত হয়ে যান। মনের ক্যানভাসে ভেসে উঠে সেসব দিনের কথা।

সেই চিঠিতে লেখা ছিল- ‘আপনার সন্তান স্থূলবুদ্ধিসম্পন্ন, সে এই স্কুলের উপযুক্ত নয়, আমরা কোনোভাবেই তাকে আমাদের স্কুলে আর আসতে দিতে পারি না’।

তারপর এডিসনের চোখ ভিজে যায়! তাঁর মায়ের কথা ভীষণ মনে হয়। ডাইরীতে লিখে রাখলেন তখন,‘টমাস আলভা এডিসন মানসিক অসুস্থ এক শিশু ছিলেন কিন্তু তার মা তাকে শতাব্দীর সেরা প্রতিভাবান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছেন।’

এই ছবিটি কে তুলেছেন জানা নেই।

তবে জানা আছে মায়ের ভালোবাসার কথা। এই সন্তানকে গড়তে মায়ের অকৃত্রিম ভালোবাসা আর সংগ্রামের কথা। মায়েরা সন্তানকে এভাবেই গড়ে তোলেন!

একজন সাহসী, সংগ্রামী, মমতাময়ী
সব মায়েরা যেনো এমনি।

স্যালুট মা ❤️
(সংগৃহীত ইন্টারনেট)