ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

একজনকে বোন দায়ীত্ব নিলে দায় শেষ নয়—রাজপথের ত্যাগীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান” এক অসহায় কর্মীর নৈতিক প্রশ্ন

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৮:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬ ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্ট: রফিকুল ইসলাম

বাংলাদেশের রাজনীতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে যাঁর নাম বারবার উচ্চারিত হচ্ছে, তিনি তারেক রহমান। দলীয় নেতাকর্মীদের বিশ্বাস—আগামী দিনে তিনিই হবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু সেই ভবিষ্যতের পথে দাঁড়িয়ে আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক প্রশ্ন সামনে এসেছে—রাজপথে জীবন দেওয়া, পঙ্গু হওয়া, নিঃস্ব হয়ে যাওয়া ত্যাগী কর্মীদের দায়িত্ব কে নেবে?
বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের দীর্ঘ ইতিহাসে বহু নাম আলোচিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ফাতেমা নামের একজন নারীর অবদানের কথাও এসেছে। জানা যায়, তিনি দ্বীনি কাজের পাশাপাশি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দীর্ঘদিন বেগম খালেদা জিয়ার সান্নিধ্যে ছিলেন। এই কাজের বিনিময়ে তিনি বেতন গ্রহণ করেছেন—এটি অস্বাভাবিক নয়। কাজ করলে বেতন পাওয়া একজন শ্রমজীবীর ন্যায্য অধিকার।
তবে প্রশ্ন উঠেছে—বেতন বিলম্ব হলে কাজ ছেড়ে দেওয়ার কথাও তিনি একসময় বলেছেন বলে আলোচনা রয়েছে। তবুও তিনি দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তারেক রহমান তাঁকে আপন বোনের মর্যাদা দিয়েছেন। এতে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়। একজনকে বোন বানানো মানবিক সিদ্ধান্ত।
কিন্তু মূল প্রশ্নটি এখানেই শেষ নয়।
গত ১৭ বছর ধরে রাজপথে যারা বিএনপি করেছে, যারা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাসসহ শীর্ষ নেতাদের ডাকে আন্দোলনে নেমেছে—তাদের অনেকেই আজ আর স্বাভাবিক জীবনে নেই।
কারও হাত নেই
কারও পা নেই
কেউ চোখ হারিয়েছেন
কেউ পঙ্গু হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন
কেউ কেউ জীবনই দিয়ে দিয়েছেন
এই পরিবারগুলো আজ কোথায়?
তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ কী?
তাদের বেঁচে থাকার ন্যূনতম নিশ্চয়তা কে দেবে?
একজনকে বোন বানিয়ে দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না।
যেসব পরিবার বিএনপির জন্য, বেগম খালেদা জিয়ার জন্য, তারেক রহমানের জন্য সর্বস্ব দিয়েছে—তাদের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব, কোনো দয়া নয়।
রাজপথের একজন কর্মী যখন জীবন দেয়, তখন সে কোনো বেতন চুক্তিতে কাজ করে না। সে করে বিশ্বাস থেকে, আদর্শ থেকে, দেশপ্রেম থেকে। সেই ত্যাগের মূল্য কি শুধুই স্মৃতিচারণে সীমাবদ্ধ থাকবে?
এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিনীত অনুরোধ—
তারেক রহমানের কাছে, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে—
👉 এই ত্যাগী পরিবারগুলোর জন্য একটি স্থায়ী পুনর্বাসন ব্যবস্থা করুন।
👉 তাদের সন্তানদের শিক্ষা ও চিকিৎসার দায়িত্ব নিন।
👉 পঙ্গু কর্মীদের বেঁচে থাকার মতো একটি সম্মানজনক পথ তৈরি করুন।
এই আহ্বান জানাচ্ছেন দেশপ্রিয় পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হাজী মোঃ লিয়াকত আলী। তিনি বলেন,
“আমার হার্টের সাতটি ব্লক। সত্য কথা বলার কারণে মৃত্যু এলে তাতেও আমার দুঃখ নেই। চাপ আসতে পারে, তবুও সত্য বলব।”
এই কণ্ঠস্বর কোনো ব্যক্তিগত অভিযোগ নয়—এটি রাজপথের রক্তের, ঘামের, অশ্রুর পক্ষে দাঁড়ানো এক বিবেকের আর্তনাদ।
আল্লাহ যেন সত্যের পথে চলাদের সহায় হন।
আমিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

একজনকে বোন দায়ীত্ব নিলে দায় শেষ নয়—রাজপথের ত্যাগীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান” এক অসহায় কর্মীর নৈতিক প্রশ্ন

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৮:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

রিপোর্ট: রফিকুল ইসলাম

বাংলাদেশের রাজনীতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে যাঁর নাম বারবার উচ্চারিত হচ্ছে, তিনি তারেক রহমান। দলীয় নেতাকর্মীদের বিশ্বাস—আগামী দিনে তিনিই হবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু সেই ভবিষ্যতের পথে দাঁড়িয়ে আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক প্রশ্ন সামনে এসেছে—রাজপথে জীবন দেওয়া, পঙ্গু হওয়া, নিঃস্ব হয়ে যাওয়া ত্যাগী কর্মীদের দায়িত্ব কে নেবে?
বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের দীর্ঘ ইতিহাসে বহু নাম আলোচিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ফাতেমা নামের একজন নারীর অবদানের কথাও এসেছে। জানা যায়, তিনি দ্বীনি কাজের পাশাপাশি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দীর্ঘদিন বেগম খালেদা জিয়ার সান্নিধ্যে ছিলেন। এই কাজের বিনিময়ে তিনি বেতন গ্রহণ করেছেন—এটি অস্বাভাবিক নয়। কাজ করলে বেতন পাওয়া একজন শ্রমজীবীর ন্যায্য অধিকার।
তবে প্রশ্ন উঠেছে—বেতন বিলম্ব হলে কাজ ছেড়ে দেওয়ার কথাও তিনি একসময় বলেছেন বলে আলোচনা রয়েছে। তবুও তিনি দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তারেক রহমান তাঁকে আপন বোনের মর্যাদা দিয়েছেন। এতে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়। একজনকে বোন বানানো মানবিক সিদ্ধান্ত।
কিন্তু মূল প্রশ্নটি এখানেই শেষ নয়।
গত ১৭ বছর ধরে রাজপথে যারা বিএনপি করেছে, যারা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাসসহ শীর্ষ নেতাদের ডাকে আন্দোলনে নেমেছে—তাদের অনেকেই আজ আর স্বাভাবিক জীবনে নেই।
কারও হাত নেই
কারও পা নেই
কেউ চোখ হারিয়েছেন
কেউ পঙ্গু হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন
কেউ কেউ জীবনই দিয়ে দিয়েছেন
এই পরিবারগুলো আজ কোথায়?
তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ কী?
তাদের বেঁচে থাকার ন্যূনতম নিশ্চয়তা কে দেবে?
একজনকে বোন বানিয়ে দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না।
যেসব পরিবার বিএনপির জন্য, বেগম খালেদা জিয়ার জন্য, তারেক রহমানের জন্য সর্বস্ব দিয়েছে—তাদের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব, কোনো দয়া নয়।
রাজপথের একজন কর্মী যখন জীবন দেয়, তখন সে কোনো বেতন চুক্তিতে কাজ করে না। সে করে বিশ্বাস থেকে, আদর্শ থেকে, দেশপ্রেম থেকে। সেই ত্যাগের মূল্য কি শুধুই স্মৃতিচারণে সীমাবদ্ধ থাকবে?
এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিনীত অনুরোধ—
তারেক রহমানের কাছে, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে—
👉 এই ত্যাগী পরিবারগুলোর জন্য একটি স্থায়ী পুনর্বাসন ব্যবস্থা করুন।
👉 তাদের সন্তানদের শিক্ষা ও চিকিৎসার দায়িত্ব নিন।
👉 পঙ্গু কর্মীদের বেঁচে থাকার মতো একটি সম্মানজনক পথ তৈরি করুন।
এই আহ্বান জানাচ্ছেন দেশপ্রিয় পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হাজী মোঃ লিয়াকত আলী। তিনি বলেন,
“আমার হার্টের সাতটি ব্লক। সত্য কথা বলার কারণে মৃত্যু এলে তাতেও আমার দুঃখ নেই। চাপ আসতে পারে, তবুও সত্য বলব।”
এই কণ্ঠস্বর কোনো ব্যক্তিগত অভিযোগ নয়—এটি রাজপথের রক্তের, ঘামের, অশ্রুর পক্ষে দাঁড়ানো এক বিবেকের আর্তনাদ।
আল্লাহ যেন সত্যের পথে চলাদের সহায় হন।
আমিন।