ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে হামলার বিচারহীনতা ও সুষ্ঠু নির্বাচনের শর্ত

রিপোর্টার ফয়সাল হোসেন
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৩০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৬৮ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার ফয়সাল হোসেন

বাংলাদেশের রাজনীতিতে দমন-পীড়ন, বিচারহীনতা ও প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্ব নতুন কিছু নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে গণঅধিকার পরিষদের কার্যলয়ের সামনে সংঘটিত হামলার বিচারহীনতা আবারও দেশে গণতন্ত্র ও নির্বাচনী নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। গত ২৯ আগস্ট সেনাবাহিনীর ভেতরে অবস্থানরত প্রভাবশালী গোষ্ঠীর নির্দেশে কথিত “হাসিনার এজেন্টদের” দ্বারা সংঘটিত হামলার এখনো কোনো বিচার হয়নি। এরই মধ্যে ২১ দিন অতিবাহিত হলেও প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নীরবতা উদ্বেগজনক।

অতীত অভিজ্ঞতা

বাংলাদেশে ক্ষমতাসীনদের প্রভাবে নিরাপত্তা বাহিনী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে হস্তক্ষেপ করেছে বহুবার।

২০০৭ সালে তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় চাপে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হন।

২০২৫ সালে নুরুল হক নুর গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে আক্রমণ ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

প্রশ্ন রয়ে গেছে, আগামী দিনে আর কে এই দমন-পীড়নের শিকার হবেন?

এই অভিজ্ঞতাগুলো দেখায়, রাষ্ট্রযন্ত্রের নিরপেক্ষতা না থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন কেবলই একটি মরীচিকা।

নির্বাচন ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতার সংকট

বাংলাদেশের জনগণ এখন প্রশ্ন করছে—

যখন সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনের মধ্যে সরকারের অনুগত গোষ্ঠী সক্রিয় থাকে, তখন কি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব?

নির্বাচনী দায়িত্বে থাকলে তারা কি আওয়ামী লীগ বা তাদের মিত্র জাপার স্বার্থে কাজ করবে না—এর নিশ্চয়তা কোথায়?

এ প্রশ্নের উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত জনগণের আস্থা অর্জন সম্ভব নয়।

ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ডাক

বাংলাদেশ বর্তমানে এক ধরনের ফ্যাসিবাদী শাসন কাঠামোর মধ্যে আবদ্ধ।

বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা

বিচারহীনতা

রাষ্ট্রযন্ত্রের পক্ষপাতিত্ব
এসবই গণতন্ত্রের জন্য ভয়াবহ হুমকি।

তাই নাগরিকদের প্রতি আহ্বান—ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন।

উপসংহার

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য প্রয়োজন একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং ফ্যাসিবাদমুক্ত প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা আজো অটুট। এখন সময় এসেছে রাষ্ট্রযন্ত্রকে রাজনৈতিক দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করে জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার।
আপনি চাইলে আমি এটিকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি, সংবাদ প্রতিবেদন বা মতামতধর্মী কলাম আকারে আলাদাভাবে সাজিয়ে দিতে পারি।
আপনি কোন ধরণের রিপোর্ট চান—সংবাদধর্মী, নাকি মতামতমূলক বিশ্লেষণধর্মী?

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে হামলার বিচারহীনতা ও সুষ্ঠু নির্বাচনের শর্ত

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৩০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার ফয়সাল হোসেন

বাংলাদেশের রাজনীতিতে দমন-পীড়ন, বিচারহীনতা ও প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্ব নতুন কিছু নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে গণঅধিকার পরিষদের কার্যলয়ের সামনে সংঘটিত হামলার বিচারহীনতা আবারও দেশে গণতন্ত্র ও নির্বাচনী নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। গত ২৯ আগস্ট সেনাবাহিনীর ভেতরে অবস্থানরত প্রভাবশালী গোষ্ঠীর নির্দেশে কথিত “হাসিনার এজেন্টদের” দ্বারা সংঘটিত হামলার এখনো কোনো বিচার হয়নি। এরই মধ্যে ২১ দিন অতিবাহিত হলেও প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নীরবতা উদ্বেগজনক।

অতীত অভিজ্ঞতা

বাংলাদেশে ক্ষমতাসীনদের প্রভাবে নিরাপত্তা বাহিনী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে হস্তক্ষেপ করেছে বহুবার।

২০০৭ সালে তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় চাপে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হন।

২০২৫ সালে নুরুল হক নুর গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে আক্রমণ ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

প্রশ্ন রয়ে গেছে, আগামী দিনে আর কে এই দমন-পীড়নের শিকার হবেন?

এই অভিজ্ঞতাগুলো দেখায়, রাষ্ট্রযন্ত্রের নিরপেক্ষতা না থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন কেবলই একটি মরীচিকা।

নির্বাচন ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতার সংকট

বাংলাদেশের জনগণ এখন প্রশ্ন করছে—

যখন সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনের মধ্যে সরকারের অনুগত গোষ্ঠী সক্রিয় থাকে, তখন কি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব?

নির্বাচনী দায়িত্বে থাকলে তারা কি আওয়ামী লীগ বা তাদের মিত্র জাপার স্বার্থে কাজ করবে না—এর নিশ্চয়তা কোথায়?

এ প্রশ্নের উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত জনগণের আস্থা অর্জন সম্ভব নয়।

ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ডাক

বাংলাদেশ বর্তমানে এক ধরনের ফ্যাসিবাদী শাসন কাঠামোর মধ্যে আবদ্ধ।

বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা

বিচারহীনতা

রাষ্ট্রযন্ত্রের পক্ষপাতিত্ব
এসবই গণতন্ত্রের জন্য ভয়াবহ হুমকি।

তাই নাগরিকদের প্রতি আহ্বান—ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন।

উপসংহার

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য প্রয়োজন একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং ফ্যাসিবাদমুক্ত প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা আজো অটুট। এখন সময় এসেছে রাষ্ট্রযন্ত্রকে রাজনৈতিক দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করে জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার।
আপনি চাইলে আমি এটিকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি, সংবাদ প্রতিবেদন বা মতামতধর্মী কলাম আকারে আলাদাভাবে সাজিয়ে দিতে পারি।
আপনি কোন ধরণের রিপোর্ট চান—সংবাদধর্মী, নাকি মতামতমূলক বিশ্লেষণধর্মী?