ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মর্যাদার প্রতীক—জিয়া পরিবার বাংলাদেশের সামাজিক সংস্কৃতিতে এক অনন্য উদাহরণ দাদুর পক্ষ থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা—দেশবাসী কাছে দোয়া চেয়েছেন জাইমা রহমান ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের দাবি তৃণমূলে: এডভোকেট আবেদ রাজার প্রতি অগ্রাধিকার চায় কর্মীরা ডা. জুবাইদা রহমান সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে বিশেষজ্ঞ দল উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া প্রস্তুতি—আগামীকাল ঢাকায় আসছেন ডা. জুবাইদা রহমান গরিব-দুঃখী মানুষের গল্পে মানবতার ছোঁয়া—শেরপুরে ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার গণসংযোগ হে আল্লাহ দয়াময়, তুমি সকল কিছুর মালিক। আমার মা জননী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির করিয়া দেও :তারেক রহমান হার না মানা সংগ্রামের নাম— খালেদা জিয়া বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দেশজুড়ে প্রার্থনার বন্যা এভারকেয়ার হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে তিন বাহিনীর প্রধান

ছাদে ৫ স্কুলছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও করেন দুই শিক্ষক, প্রাণ গেল এক ছাত্রীর

মোঃমেহেদী হাসান ( স্টাফ রিপোর্টার)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অগাস্ট ২০২৩ ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

ছাদে ৫ স্কুলছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও করেন দুই শিক্ষক, প্রাণ গেল এক ছাত্রীর বিদ্যালয়ের ছাদে পাঁচ ছাত্রীর ধূমপান করছিল। এই দৃশ্য ফোনে ভিডিও করেন দুই শিক্ষক। ছাত্রীদের ডেকে মারধর করার পর সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখান তারা। সেই ভয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে জিনিয়া খাতুন নামের এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কেয়া ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই স্কুলছাত্রী একই গ্রামের জিল্লুর রহমানের মেয়ে এবং সুলতানপুর মাহতাবউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।

নিহত শিক্ষার্থীর চাচা জাহিদ হোসেন বলেন, “বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বিদ্যালয়ের ছাদে পাঁচ শিক্ষার্থী ধূমপান করছিল। আমার ভাগ্নি জিনিয়াও সেখানে ছিল।

স্কুলের সহকারী শিক্ষক লাল্টু ও ওয়ালিউর রহমান সিগারেটের দৃশ্যের ভিডিও করেন। পরে তিনি শিক্ষার্থীদের ডেকে ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। টিসি দিয়ে স্কুল থেকে বহিষ্কারের পাশাপাশি অভিভাবকদের জানানোরও হুমকি দেয়। স্কুল ছুটির পর আমার ভাগ্নি বাসায় এসে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ভুল করতে পারে, তাহলে শিক্ষকরা কেন এমন ভিডিও রেকর্ড করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখাবেন? দুই শিক্ষকের শাস্তি দাবি করছি।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক ওয়ালিউর রহমান ও লাল্টুকে একাধিকবার ফোন করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রশিদ বলেন, আমি স্কুলের বাইরে ছিলাম। একজনের মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পারি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকিবুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে। তারা প্রাথমিক তদন্ত করেছে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ছাদে ৫ স্কুলছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও করেন দুই শিক্ষক, প্রাণ গেল এক ছাত্রীর

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অগাস্ট ২০২৩

ছাদে ৫ স্কুলছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও করেন দুই শিক্ষক, প্রাণ গেল এক ছাত্রীর বিদ্যালয়ের ছাদে পাঁচ ছাত্রীর ধূমপান করছিল। এই দৃশ্য ফোনে ভিডিও করেন দুই শিক্ষক। ছাত্রীদের ডেকে মারধর করার পর সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখান তারা। সেই ভয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে জিনিয়া খাতুন নামের এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কেয়া ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই স্কুলছাত্রী একই গ্রামের জিল্লুর রহমানের মেয়ে এবং সুলতানপুর মাহতাবউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।

নিহত শিক্ষার্থীর চাচা জাহিদ হোসেন বলেন, “বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বিদ্যালয়ের ছাদে পাঁচ শিক্ষার্থী ধূমপান করছিল। আমার ভাগ্নি জিনিয়াও সেখানে ছিল।

স্কুলের সহকারী শিক্ষক লাল্টু ও ওয়ালিউর রহমান সিগারেটের দৃশ্যের ভিডিও করেন। পরে তিনি শিক্ষার্থীদের ডেকে ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। টিসি দিয়ে স্কুল থেকে বহিষ্কারের পাশাপাশি অভিভাবকদের জানানোরও হুমকি দেয়। স্কুল ছুটির পর আমার ভাগ্নি বাসায় এসে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ভুল করতে পারে, তাহলে শিক্ষকরা কেন এমন ভিডিও রেকর্ড করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখাবেন? দুই শিক্ষকের শাস্তি দাবি করছি।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক ওয়ালিউর রহমান ও লাল্টুকে একাধিকবার ফোন করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রশিদ বলেন, আমি স্কুলের বাইরে ছিলাম। একজনের মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পারি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকিবুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে। তারা প্রাথমিক তদন্ত করেছে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।