ঢাকা ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় হলে কলাতলীর চারপাশে ঠিকসই, বেরিবাদ জমি বন্দোবস্ত ও রাস্তা ব্রিজ কালভার্ট করবেন, ‎নুরুল ইসলাম নয়ন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর কথা বলে গোপনে ‘না’ সংগঠনের অভিযোগ মামুনুল হকের ঢাকা–১৩ আসনে নির্বাচনী প্রচার শুরু দরিদ্র রোগীদের স্বার্থে চিকিৎসা ভিজিট ফি কমানোর দাবি সিলেটে তারেক রহমানের প্রথম নির্বাচনী সমাবেশ ❝ভোট দিবো কিসে— ধানের শীষে❞ স্লোগানে মুখর আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ বিপুল ভোটে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠনের আশাবাদ নাহিদ ইসলামের প্রিয় দেশবাসী, আসিতেছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের মুক্তির দিন ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জাইমা রহমানের নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজে সংসদ ছাত্র ছাত্রী এবং কলেজের অধ্যক্ষ পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা হয়। শুভ জন্মদিন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়ককে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ দক্ষিণ কোরিয়াতে এই বছরের মধ্যে তাপমাত্রার সর্বোচ্চ পতন হতে যাচ্ছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি মাইনাস ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা অনুভূত হতে পারে। মঞ্চে বসেই ফুপিয়ে কাঁদলেন তারেক রহমান শ*হী*দ পরিবারের সন্তানের আকুতিতে বিএনপি চেয়ারম্যান

‎ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হ*ত্যা মা*মলায় এক আ*সামি গ্রে*ফতার।

মোঃ আল আমীন ভোলা জেলা প্রতিনিধি।
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:১৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আল আমীন ভোলা জেলা প্রতিনিধি।

‎ভোলার মনপুরার বহুল আলোচিত ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হত্যা মামলায় এক আসামির যাবতজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শওকত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
‎মামলার নথিতে জানা যায়, মনপুরার চর ফৈজউদ্দীন গ্রামের বাসিন্দা ও ফকিরহাট বাজারের পরিচিত ব্যবসায়ী মো. আলাউদ্দীন সার ও কীটনাশক ব্যবসার পাশাপাশি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট শাখা পরিচালনা করতেন। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরেরদিন নিহতের ভাই জাফর হোসেন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মনপুরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্তে আরও চারজনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে মোট সাতজনকে অভিযুক্ত করে দুটি সার্সিট দাখিল করা হয়। এর মধ্যে তিন অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।
‎বিচারকাজ চলাকালে সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা আসামি আবু কালাম হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি ছুরি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন। আদালত এই আলামত ও তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যকে মামলার প্রধান ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করেন।
‎রায়ে আদালত আসামি মো. আবু কালাম (৩৯)-কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় আসামি মো. জয়নাল, কালাম ও মো. রনিকে খালাস দেন আদালত।

‎রায়ের প্রতিক্রিয়ায় অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরণ বলেন,
‎“দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর এ রায় প্রমাণ করেছে—নৈতিকতা ও আইনের কাছে অপরাধীরা কখনোই রক্ষা পায় না। সত্য প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রপক্ষের লড়াই অব্যাহত থাকবে।”

‎স্থানীয়দের মতে, আলোচিত এ মামলার রায় এলাকায় স্বস্তি ও ন্যায়বিচারের নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

‎ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হ*ত্যা মা*মলায় এক আ*সামি গ্রে*ফতার।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:১৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

মোঃ আল আমীন ভোলা জেলা প্রতিনিধি।

‎ভোলার মনপুরার বহুল আলোচিত ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হত্যা মামলায় এক আসামির যাবতজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শওকত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
‎মামলার নথিতে জানা যায়, মনপুরার চর ফৈজউদ্দীন গ্রামের বাসিন্দা ও ফকিরহাট বাজারের পরিচিত ব্যবসায়ী মো. আলাউদ্দীন সার ও কীটনাশক ব্যবসার পাশাপাশি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট শাখা পরিচালনা করতেন। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরেরদিন নিহতের ভাই জাফর হোসেন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মনপুরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্তে আরও চারজনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে মোট সাতজনকে অভিযুক্ত করে দুটি সার্সিট দাখিল করা হয়। এর মধ্যে তিন অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।
‎বিচারকাজ চলাকালে সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা আসামি আবু কালাম হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি ছুরি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন। আদালত এই আলামত ও তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যকে মামলার প্রধান ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করেন।
‎রায়ে আদালত আসামি মো. আবু কালাম (৩৯)-কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় আসামি মো. জয়নাল, কালাম ও মো. রনিকে খালাস দেন আদালত।

‎রায়ের প্রতিক্রিয়ায় অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরণ বলেন,
‎“দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর এ রায় প্রমাণ করেছে—নৈতিকতা ও আইনের কাছে অপরাধীরা কখনোই রক্ষা পায় না। সত্য প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রপক্ষের লড়াই অব্যাহত থাকবে।”

‎স্থানীয়দের মতে, আলোচিত এ মামলার রায় এলাকায় স্বস্তি ও ন্যায়বিচারের নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে।