ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিলেট কমিউনিটি ইন সাউথ কোরিয়া’র ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা কেরাণীগঞ্জে বিএনপির নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত ভোলা আমার বাপের বাড়ি মার্কা মোদের গরুর গাড়ি”—ভোলায় সমাবেশে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ দক্ষিণ কোরিয়া  জংওয়াং মসজিদ এন্ড ইসলামিক সেন্টারের উদ্যোগে সল্লাল উপলক্ষে ওয়াজ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তারেক রহমানের ধানের শীষ, ভিপি নুরুল হক নূরের ট্রাক, পার্থর, গরুর গাড়ি মার্কা—তিন নায়ক, এক দেশ: নতুন করে জেগে উঠছে বাংলাদেশ শবে বরাত উপলক্ষে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে এমপি প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর পক্ষ থেকে হতদরিদ্রদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ জামায়াতের আমীরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার: প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ দূর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠিয়ে নিরাপত্তা প্রত্যাশা প্রশাসনের কাছে  : সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ্জামান নিরাপত্তা ছাড়াই রাজপথে তারেক রহমানের পক্ষে ভোট চাইতে নামলেন শর্মিলা রহমান সিঁথি শেষ নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন: যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিনিধির নাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০২৩ ১১২ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র মনে করে যে বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের প্রধান উপ-মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল ওয়াশিংটনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেছেন। মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ব্রিফিংয়ের সর্বশেষ অবস্থান তুলে ধরার সময় তার এই বক্তব্য প্রকাশ করা হয়।

মানবাধিকার লঙ্ঘন কারীদের জবাবদিহি করতে হবে বলে আবারো উল্লেখ করে বেদান্ত প্যাটেল বলেছেন, ‘বিস্তৃতভাবে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ এবং সারা বিশ্বে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নীতিকে সমর্থন করে; তবে আমি এখানে কোনো রাজনৈতিক প্রার্থী বা দল বনাম অন্য রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে সমর্থন করতে আসিনি।’

প্যাটেল বলেন, ‘এটি আমাদের অনেক আশা যে বাংলাদেশ সরকার এই নিবন্ধ এবং ভিডিওর বিষয়বস্তু (র্যা বের উপর ডয়চে ভেলের ডকুমেন্টারি) খতিয়ে দেখবে।’ তিনি জানান যে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যায়ন অনুসারে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন।

প্যাটেল বলেন, ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্স ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে ১৬২ নম্বরে স্থান দিয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় অবস্থান ১০ কমেছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এই আইন সম্পর্কে আমাদের উদ্বেগ বেশ স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছি। একটি মুক্ত সংবাদপত্র এবং একজন সচেতন নাগরিক যে কোনো জাতি এবং এর গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

প্যাটেল বলেছে যে তারা বাংলাদেশের সাথে তাদের সম্পর্ক আরো গভীর করতে চায় এবং অপেক্ষা করছে। সে কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিঙ্কেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সাথে বৈঠক করেছেন।

বেদান্ত প্যাটেল আরো বলেন, ‘আমরা আবারো সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের সাথে আমাদের সম্পর্ক আরো গভীর করার অপেক্ষায় রয়েছি।’ সূত্র : ভয়েস অব আমেরিকা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন: যুক্তরাষ্ট্র

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০২৩

যুক্তরাষ্ট্র মনে করে যে বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের প্রধান উপ-মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল ওয়াশিংটনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেছেন। মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ব্রিফিংয়ের সর্বশেষ অবস্থান তুলে ধরার সময় তার এই বক্তব্য প্রকাশ করা হয়।

মানবাধিকার লঙ্ঘন কারীদের জবাবদিহি করতে হবে বলে আবারো উল্লেখ করে বেদান্ত প্যাটেল বলেছেন, ‘বিস্তৃতভাবে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ এবং সারা বিশ্বে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নীতিকে সমর্থন করে; তবে আমি এখানে কোনো রাজনৈতিক প্রার্থী বা দল বনাম অন্য রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে সমর্থন করতে আসিনি।’

প্যাটেল বলেন, ‘এটি আমাদের অনেক আশা যে বাংলাদেশ সরকার এই নিবন্ধ এবং ভিডিওর বিষয়বস্তু (র্যা বের উপর ডয়চে ভেলের ডকুমেন্টারি) খতিয়ে দেখবে।’ তিনি জানান যে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যায়ন অনুসারে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন।

প্যাটেল বলেন, ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্স ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে ১৬২ নম্বরে স্থান দিয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় অবস্থান ১০ কমেছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এই আইন সম্পর্কে আমাদের উদ্বেগ বেশ স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছি। একটি মুক্ত সংবাদপত্র এবং একজন সচেতন নাগরিক যে কোনো জাতি এবং এর গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

প্যাটেল বলেছে যে তারা বাংলাদেশের সাথে তাদের সম্পর্ক আরো গভীর করতে চায় এবং অপেক্ষা করছে। সে কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিঙ্কেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সাথে বৈঠক করেছেন।

বেদান্ত প্যাটেল আরো বলেন, ‘আমরা আবারো সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের সাথে আমাদের সম্পর্ক আরো গভীর করার অপেক্ষায় রয়েছি।’ সূত্র : ভয়েস অব আমেরিকা