ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার।

  ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিচারিক হয়রানির নিন্দা ও প্রতিবাদ   জানিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ।

মোঃ ফয়সাল ঢাকা প্রতিনিধি
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:৪৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জানুয়ারী ২০২৪ ১৪১ বার পড়া হয়েছে

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিচারিক হয়রানির নিন্দা ও প্রতিবাদ   জানিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ

 

বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের দায়েরকৃত উদ্দেশ্য প্রণোদিত, ভিত্তিহীন, হয়রানিমূলক ও বানোয়াট মামলার রায়ে নোবেলবিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বাংলাদেশ শ্রম আইনে ৬ মাসের কারাদণ্ডে বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গণঅধিকার পরিষদ।

 

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশেদ খাঁন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে একজন সম্মানিত ব্যক্তি; যার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক, গ্রামীণ টেলিকমসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহ ক্ষুদ্রঋণ ও সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের দারিদ্র্য দূরীকরণ, স্বাস্থ্য-শিক্ষাসহ নানা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। ফলে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি, সরকারের রোষানলে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াসহ তিনি ধারাবাহিকভাবে অসম্মানিত হচ্ছেন, যা প্রকারান্তরে দেশের মানুষকে অসম্মান ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। গার্মেন্টস শ্রমিকরা ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ যৌক্তিক আন্দোলন করলে গুণ্ডা-মাস্তান ও প্রশাসনের অতিউৎসাহী মহলকে লেলিয়ে হামলা করা হয়, আন্দোলন বন্ধে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার, হত্যা করা হয়। সেসব ক্ষেত্রে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের কার্যকর ভূমিকা দেখা না গেলেও ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হয়রানি করতে সরকারের সাথে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের সক্রিয় ভূমিকা দেখা যাচ্ছে। বর্তমান কর্তৃত্ববাদী সরকার তার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলকে দমন-পীড়নে যেভাবে আদালতকে ব্যবহার করছে, একইভাবে শ্রম আদালতকে ব্যবহার করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মতো সম্মানিত ব্যক্তির সম্মানহানিসহ লাঞ্ছিত করছে। কোন সভ্য সমাজে এহেন জঘন্য কাজ হয় না। তাই আমরা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিচারিক হয়রানির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একইসাথে সাংবিধানিকভাবে অবৈধ সরকারের কোন ধরণের নির্দেশনা পালন থেকে বিরত থাকতে বিচারকসহ সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

  ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিচারিক হয়রানির নিন্দা ও প্রতিবাদ   জানিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:৪৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জানুয়ারী ২০২৪

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিচারিক হয়রানির নিন্দা ও প্রতিবাদ   জানিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ

 

বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের দায়েরকৃত উদ্দেশ্য প্রণোদিত, ভিত্তিহীন, হয়রানিমূলক ও বানোয়াট মামলার রায়ে নোবেলবিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বাংলাদেশ শ্রম আইনে ৬ মাসের কারাদণ্ডে বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গণঅধিকার পরিষদ।

 

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশেদ খাঁন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে একজন সম্মানিত ব্যক্তি; যার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক, গ্রামীণ টেলিকমসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহ ক্ষুদ্রঋণ ও সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের দারিদ্র্য দূরীকরণ, স্বাস্থ্য-শিক্ষাসহ নানা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। ফলে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি, সরকারের রোষানলে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াসহ তিনি ধারাবাহিকভাবে অসম্মানিত হচ্ছেন, যা প্রকারান্তরে দেশের মানুষকে অসম্মান ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। গার্মেন্টস শ্রমিকরা ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ যৌক্তিক আন্দোলন করলে গুণ্ডা-মাস্তান ও প্রশাসনের অতিউৎসাহী মহলকে লেলিয়ে হামলা করা হয়, আন্দোলন বন্ধে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার, হত্যা করা হয়। সেসব ক্ষেত্রে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের কার্যকর ভূমিকা দেখা না গেলেও ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হয়রানি করতে সরকারের সাথে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের সক্রিয় ভূমিকা দেখা যাচ্ছে। বর্তমান কর্তৃত্ববাদী সরকার তার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলকে দমন-পীড়নে যেভাবে আদালতকে ব্যবহার করছে, একইভাবে শ্রম আদালতকে ব্যবহার করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মতো সম্মানিত ব্যক্তির সম্মানহানিসহ লাঞ্ছিত করছে। কোন সভ্য সমাজে এহেন জঘন্য কাজ হয় না। তাই আমরা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিচারিক হয়রানির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একইসাথে সাংবিধানিকভাবে অবৈধ সরকারের কোন ধরণের নির্দেশনা পালন থেকে বিরত থাকতে বিচারকসহ সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান করছেন।