ঢাকাসোমবার , ১৫ এপ্রিল ২০২৪
  • অন্যান্য
আজকের সর্বশেষ খবর

দুইদিনে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে ১৪ বিজিপি সদস্যের অনুপ্রবেশ

স্টাফ রিপোর্টার মেহেদুল ইসলাম 
এপ্রিল ১৫, ২০২৪ ৮:৫২ অপরাহ্ণ । ১৮ জন
Link Copied!

print news

কক্সবাজারের টেকনাফের খারাংখালী ও ঝিমংখালী সীমান্ত দিয়ে দুইদিনে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ১৪ জন সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। সোমবার ও রবিবার সকালে তাঁরা মিয়ানমারের নাকফুরা এলাকা থেকে নাফনদী পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন।সোমবার (১৫ এপ্রিল) ভোররাতে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী নাফনদী সীমান্ত দিয়ে এই ৫ বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নেন। এর আগে রবিবার সকালে অস্ত্রসহ ৯ বিজিপি বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।এসব সদস্যদের নিরস্ত্র করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি) এর হেফাজতে রাখা হয়েছে। বর্তমানে টেকনাফের হীলা উচ্চ বিদ্যালয়ে রাখা হয়।টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষের জেরে গত দুইদিনে সোমবার ভোরে ও রবিবার সকালে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী ও ঝিমংখালী সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীসহ ১৪ সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। এদিকে, গত ৩০ মার্চ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জামছড়ি সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছেন ১৭৭ জন বিজিপি সদস্য। এরপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর আরও ৩ জন সদস্য তুমব্রæ সীমান্তের কোনাপাড়া দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদেরকে বর্তমানে নাইক্ষ্যংছড়ি স্কুলে বিজিবির হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে সর্বমোট ১৯৪ জন বিজিপি সদস্য বাংলাদেশের আশ্রয়ে রয়েছেন।প্রসঙ্গত,এর আগে গত ১৫ ফেব্রæয়ারি মিয়ানমারে চলমান অভ্যন্তরে সংঘাতের জেরে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমার সেনা, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য, শুল্ক কর্মকর্তাসহ ৩৩০ জনকে ১৫ দিন পর কক্সবাজারের ইনানী নৌবাহিনীর জেটি ঘাট দিয়ে সাগরপথে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে দেশটির স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) লড়াই-সংঘাত চলছে টানা দুই মাস ধরে।