ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এক রাতে বিশ্বজুড়ে হাই কমিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি নামানো হয়: সাহাবুদ্দিন কেরানীগঞ্জে রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিত্যক্ত আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনার পর এবার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা 

দূর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠিয়ে নিরাপত্তা প্রত্যাশা প্রশাসনের কাছে  : সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ্জামান

রিপোর্টার: ফয়সাল হোসেন
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৩৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১০৩ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার : ফয়সাল হোসেন

ঢাকা : ভোটের মাধ্যমে দূর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠিয়ে পরে রাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তা প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক—এমন মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ্জামান। তিনি বলেন, একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল রাষ্ট্র গঠনে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নয়, বরং জনগণের সচেতন ভোটাধিকার প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “আপনারা যদি ভোট দিয়ে দূর্নীতি ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠান, আর পরে নিরাপত্তা ও সুশাসন চান—তাহলে সেই প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। রাষ্ট্র পরিচালনায় সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচনের দায়িত্ব জনগণের।”

জেনারেল ওয়াকার উজ্জামান আরও বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের জন্য সুশাসন অপরিহার্য। সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একা সব সমস্যার সমাধান করতে পারে না। তিনি রাজনৈতিক দল ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান।

সেনাপ্রধানের বক্তব্যে উঠে আসে চলমান সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার চিত্র। তিনি বলেন, দূর্নীতি ও চাঁদাবাজি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই করে না, এটি সমাজের নৈতিক ভিত্তিকেও দুর্বল করে দেয়। এর ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ে এবং রাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমে যায়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টজনরা মনে করেন, সেনাপ্রধানের এই বক্তব্য সময়োপযোগী এবং বাস্তবতাভিত্তিক। তারা বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি না পেলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয়।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে সেনাবাহিনী প্রধান দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বলেন, জনগণ ও রাষ্ট্রের স্বার্থেই সেনাবাহিনী সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দূর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠিয়ে নিরাপত্তা প্রত্যাশা প্রশাসনের কাছে  : সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ্জামান

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৩৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রিপোর্টার : ফয়সাল হোসেন

ঢাকা : ভোটের মাধ্যমে দূর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠিয়ে পরে রাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তা প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক—এমন মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ্জামান। তিনি বলেন, একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল রাষ্ট্র গঠনে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নয়, বরং জনগণের সচেতন ভোটাধিকার প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “আপনারা যদি ভোট দিয়ে দূর্নীতি ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠান, আর পরে নিরাপত্তা ও সুশাসন চান—তাহলে সেই প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। রাষ্ট্র পরিচালনায় সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচনের দায়িত্ব জনগণের।”

জেনারেল ওয়াকার উজ্জামান আরও বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের জন্য সুশাসন অপরিহার্য। সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একা সব সমস্যার সমাধান করতে পারে না। তিনি রাজনৈতিক দল ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান।

সেনাপ্রধানের বক্তব্যে উঠে আসে চলমান সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার চিত্র। তিনি বলেন, দূর্নীতি ও চাঁদাবাজি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই করে না, এটি সমাজের নৈতিক ভিত্তিকেও দুর্বল করে দেয়। এর ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ে এবং রাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমে যায়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টজনরা মনে করেন, সেনাপ্রধানের এই বক্তব্য সময়োপযোগী এবং বাস্তবতাভিত্তিক। তারা বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি না পেলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয়।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে সেনাবাহিনী প্রধান দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বলেন, জনগণ ও রাষ্ট্রের স্বার্থেই সেনাবাহিনী সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে যাবে।