ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

নির্বাচনে কালো টাকা ছড়াচ্ছেন প্রার্থী মাসুম

মো: মহিবুল ইসলাম খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:৫৬:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ মে ২০২৪ ৮৯ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটারদের মাঝে কালো টাকা ছড়াচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান মাসুম। এছাড়া নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে মাইকিং, ব্যানার-পোস্টার টাঙাচ্ছেন তিনি। গতকাল শুক্রবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটিই অভিযোগ করেছেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আরেক প্রার্থী জে এম রশিদুল আলম।ঝিনাইদহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে জে এম রশিদুল আলম রশিদ অভিযোগ করে বলেন, মিজানুর রহমান মাসুম ঝিনাইদহ শহরের একজন চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার। তিনি প্রতিবছর বিভিন্ন পণ্য মজুদ করে কালো টাকা আয় করেন। সেই কালো টাকা এখন ভোটারদের মাঝে বিলি করছেন। কিছুদিন আগেও আমার নেতা-কর্মীরা হাতেনাতে মাসুমের এক সমর্থককে টাকাসহ আটক করে। নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ভোট পেতে ভোটারদের মাঝে নগদ টাকা বিলি করা হচ্ছে। এছাড়া নির্বাচনী বিভিন্ন আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। এতে সুষ্ঠু নির্বাচন বাঁধাগ্রস্ত হবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ ব্যাপারে তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ দিলেও কাজ হচ্ছে না। জে এম রশিদুল আলমের সমর্থকরা অভিযোগ করেন প্রতি পাড়ায় পাড়ায় অফিস খরচের নামে প্রতিদিন ১০ হাজার টাকা ওড়ানো হচ্ছে। মহল্লায় মহল্লায় আনারস মার্কার নারী কর্মীদের ২০০ টাকা করে দিয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।এসব অভিযোগের বিষয়ে আনারস প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান মাসুম বলেন, ভোট কেনার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। সব মিথ্যা কথা। কোনো ভোটারকে আমি টাকা দিয়েছি, এমন কোনো প্রমাণ কেউ দিতে পারবে না। প্রতিপক্ষ প্রার্থী আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছেন। তিনি বলেন, আমার গণজোয়ার দেখে তার মাথা খারাপ হয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নির্বাচনে কালো টাকা ছড়াচ্ছেন প্রার্থী মাসুম

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:৫৬:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ মে ২০২৪

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটারদের মাঝে কালো টাকা ছড়াচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান মাসুম। এছাড়া নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে মাইকিং, ব্যানার-পোস্টার টাঙাচ্ছেন তিনি। গতকাল শুক্রবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটিই অভিযোগ করেছেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আরেক প্রার্থী জে এম রশিদুল আলম।ঝিনাইদহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে জে এম রশিদুল আলম রশিদ অভিযোগ করে বলেন, মিজানুর রহমান মাসুম ঝিনাইদহ শহরের একজন চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার। তিনি প্রতিবছর বিভিন্ন পণ্য মজুদ করে কালো টাকা আয় করেন। সেই কালো টাকা এখন ভোটারদের মাঝে বিলি করছেন। কিছুদিন আগেও আমার নেতা-কর্মীরা হাতেনাতে মাসুমের এক সমর্থককে টাকাসহ আটক করে। নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ভোট পেতে ভোটারদের মাঝে নগদ টাকা বিলি করা হচ্ছে। এছাড়া নির্বাচনী বিভিন্ন আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। এতে সুষ্ঠু নির্বাচন বাঁধাগ্রস্ত হবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ ব্যাপারে তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ দিলেও কাজ হচ্ছে না। জে এম রশিদুল আলমের সমর্থকরা অভিযোগ করেন প্রতি পাড়ায় পাড়ায় অফিস খরচের নামে প্রতিদিন ১০ হাজার টাকা ওড়ানো হচ্ছে। মহল্লায় মহল্লায় আনারস মার্কার নারী কর্মীদের ২০০ টাকা করে দিয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।এসব অভিযোগের বিষয়ে আনারস প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান মাসুম বলেন, ভোট কেনার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। সব মিথ্যা কথা। কোনো ভোটারকে আমি টাকা দিয়েছি, এমন কোনো প্রমাণ কেউ দিতে পারবে না। প্রতিপক্ষ প্রার্থী আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছেন। তিনি বলেন, আমার গণজোয়ার দেখে তার মাথা খারাপ হয়ে গেছে।