ঢাকা ১১:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক নির্বাচিত : মোহাম্মদ রেজাউল করিম আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় হলে কলাতলীর চারপাশে ঠিকসই, বেরিবাদ জমি বন্দোবস্ত ও রাস্তা ব্রিজ কালভার্ট করবেন, ‎নুরুল ইসলাম নয়ন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর কথা বলে গোপনে ‘না’ সংগঠনের অভিযোগ মামুনুল হকের ঢাকা–১৩ আসনে নির্বাচনী প্রচার শুরু দরিদ্র রোগীদের স্বার্থে চিকিৎসা ভিজিট ফি কমানোর দাবি সিলেটে তারেক রহমানের প্রথম নির্বাচনী সমাবেশ ❝ভোট দিবো কিসে— ধানের শীষে❞ স্লোগানে মুখর আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ বিপুল ভোটে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠনের আশাবাদ নাহিদ ইসলামের প্রিয় দেশবাসী, আসিতেছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের মুক্তির দিন ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জাইমা রহমানের নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজে সংসদ ছাত্র ছাত্রী এবং কলেজের অধ্যক্ষ পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা হয়। শুভ জন্মদিন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়ককে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ দক্ষিণ কোরিয়াতে এই বছরের মধ্যে তাপমাত্রার সর্বোচ্চ পতন হতে যাচ্ছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি মাইনাস ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা অনুভূত হতে পারে।

নির্বাচনে নিষিদ্ধ খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের পর ডা. জোবাইদা রহমান।

মোঃমেহেদী হাসান ( স্টাফ রিপোর্টার)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:৪৩:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অগাস্ট ২০২৩ ১১৪ বার পড়া হয়েছে

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দুই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী তিনি অযোগ্য হয়েছেন। খালেদা জিয়ার বড় ছেলে এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগেই পাঁচ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় তিনিও নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য হয়েছেন।

এবার তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান গত বুধবার অবৈধ সম্পদ অর্জনে তারেক রহমানকে সহায়তা করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান রায়ে জোবাইদা রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। এবার তিনিও সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী তিনি অযোগ্য হয়েছেন।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে—
(২) কোনো ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি
(ক) কোনো উপযুক্ত আদালত তাঁহাকে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা করেন;
(খ) তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন;
(গ) তিনি কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন;
(ঘ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অন্যূন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;

জোবাইদা রহমান দুই বছরের বেশি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার কারণে সংবিধানের ৬৬ (২)-এর (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য হলেন। তিনি পলাতক রয়েছেন। এ কারণে আগামী নির্বাচনে তিনি দেশে এসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না বা প্রার্থী হতে পারবেন না।

তারেক রহমান ও জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে ১/১১-এর সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দায়ের করা এই মামলা দীর্ঘদিন হাইকোর্টে স্থগিত ছিল। গত বছর ওই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করার পর মামলাটি আবার চালু হয়।

গত বছর ১ নভেম্বর আদালত দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন। এ বছর ১৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠন করা হয়। ২১ মে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয় এবং ২৪ জুলাই সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়।

মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হওয়ার পর ধারাবাহিকভাবে প্রতিদিন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। বিএনপি পক্ষের আইনজীবীরা তুমুল বিরোধিতা করে। আদালতের মধ্যে হট্টগোল করে। মারামারির ঘটনাও ঘটে।

বিএনপির অভিযোগ—জোবাইদা রহমানকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার উদ্দেশ্যে তড়িঘড়ি করে এই মামলার বিচার শেষ করতে যাচ্ছে সরকার।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল মঙ্গলবার বলেছেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। জোবাইদাকেও সরকার মিথ্যা মামলায় মিথ্যা অভিযোগে শাস্তি দেওয়ার জন্য অত্যন্ত তড়িঘড়ি করে মামলা বিচার শেষ করছে।

তথ্যসূত্রে জানা গেছে যে, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, ঢাকার আদালতে সাধারণ মামলা যেভাবে চলে তারেক-জোবাইদার মামলাটি সেভাবে চলেনি। অতি দ্রুততার সঙ্গে বিচারকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। উদ্দেশ্য জোবায়দাকেও নির্বাচনে অযোগ্য করা।

বোরহান উদ্দিন বলেন, জোবাইদা আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন কি করবেন না, সে ব্যাপারে দলীয় কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এমনকি জোবায়দা রহমানও এমন ইচ্ছা প্রকাশ করেননি। তবে সরকার ধারণা করছে যে জোবাইদা রহমান হয়তো নির্বাচনের আগে দেশে এসে প্রার্থী হতে পারেন। এই ভয়ে সরকার তাঁকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে দ্রুত বিচার শেষ করে রায় দিয়েছে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, বিরোধী দলের নেতারা যাতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারেন, সেই কৌশল নিয়েছে সরকার। জোবাইদাকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করার জন্য তড়িঘড়ি করে এই রায় দেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিশেষ পিপি মোশারফ হোসেন কাজল আজকের পত্রিকাকে বলেন, এটা একেবারেই ঠিক নয়। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে এই মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০০৮ সালেই তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলা বিচার শুরুর আগেই জোবাইদা রহমান হাইকোর্টে মামলা বাতিলের আবেদন করেন। ওই আবেদন হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে নিষ্পত্তি হতে প্রায় ১৪ বছর সময় লাগে। এরপর মামলাটি আবার বিচারক আদালতে ফেরত এলে আইন অনুযায়ী মামলা নিষ্পত্তি করা হয়।

মোশারফ হোসেন আরও বলেন, যেসব মামলায় আসামি পলাতক, সেসব মামলা দ্রুতই শেষ হয়। এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কোনো উদ্দেশ্যে তারেক-জোবাইদার মামলা দ্রুত শেষ করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নির্বাচনে নিষিদ্ধ খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের পর ডা. জোবাইদা রহমান।

নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:৪৩:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অগাস্ট ২০২৩

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দুই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী তিনি অযোগ্য হয়েছেন। খালেদা জিয়ার বড় ছেলে এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগেই পাঁচ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় তিনিও নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য হয়েছেন।

এবার তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান গত বুধবার অবৈধ সম্পদ অর্জনে তারেক রহমানকে সহায়তা করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান রায়ে জোবাইদা রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। এবার তিনিও সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী তিনি অযোগ্য হয়েছেন।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে—
(২) কোনো ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি
(ক) কোনো উপযুক্ত আদালত তাঁহাকে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা করেন;
(খ) তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন;
(গ) তিনি কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন;
(ঘ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অন্যূন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;

জোবাইদা রহমান দুই বছরের বেশি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার কারণে সংবিধানের ৬৬ (২)-এর (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য হলেন। তিনি পলাতক রয়েছেন। এ কারণে আগামী নির্বাচনে তিনি দেশে এসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না বা প্রার্থী হতে পারবেন না।

তারেক রহমান ও জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে ১/১১-এর সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দায়ের করা এই মামলা দীর্ঘদিন হাইকোর্টে স্থগিত ছিল। গত বছর ওই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করার পর মামলাটি আবার চালু হয়।

গত বছর ১ নভেম্বর আদালত দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন। এ বছর ১৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠন করা হয়। ২১ মে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয় এবং ২৪ জুলাই সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়।

মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হওয়ার পর ধারাবাহিকভাবে প্রতিদিন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। বিএনপি পক্ষের আইনজীবীরা তুমুল বিরোধিতা করে। আদালতের মধ্যে হট্টগোল করে। মারামারির ঘটনাও ঘটে।

বিএনপির অভিযোগ—জোবাইদা রহমানকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার উদ্দেশ্যে তড়িঘড়ি করে এই মামলার বিচার শেষ করতে যাচ্ছে সরকার।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল মঙ্গলবার বলেছেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। জোবাইদাকেও সরকার মিথ্যা মামলায় মিথ্যা অভিযোগে শাস্তি দেওয়ার জন্য অত্যন্ত তড়িঘড়ি করে মামলা বিচার শেষ করছে।

তথ্যসূত্রে জানা গেছে যে, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, ঢাকার আদালতে সাধারণ মামলা যেভাবে চলে তারেক-জোবাইদার মামলাটি সেভাবে চলেনি। অতি দ্রুততার সঙ্গে বিচারকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। উদ্দেশ্য জোবায়দাকেও নির্বাচনে অযোগ্য করা।

বোরহান উদ্দিন বলেন, জোবাইদা আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন কি করবেন না, সে ব্যাপারে দলীয় কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এমনকি জোবায়দা রহমানও এমন ইচ্ছা প্রকাশ করেননি। তবে সরকার ধারণা করছে যে জোবাইদা রহমান হয়তো নির্বাচনের আগে দেশে এসে প্রার্থী হতে পারেন। এই ভয়ে সরকার তাঁকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে দ্রুত বিচার শেষ করে রায় দিয়েছে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, বিরোধী দলের নেতারা যাতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারেন, সেই কৌশল নিয়েছে সরকার। জোবাইদাকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করার জন্য তড়িঘড়ি করে এই রায় দেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিশেষ পিপি মোশারফ হোসেন কাজল আজকের পত্রিকাকে বলেন, এটা একেবারেই ঠিক নয়। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে এই মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০০৮ সালেই তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলা বিচার শুরুর আগেই জোবাইদা রহমান হাইকোর্টে মামলা বাতিলের আবেদন করেন। ওই আবেদন হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে নিষ্পত্তি হতে প্রায় ১৪ বছর সময় লাগে। এরপর মামলাটি আবার বিচারক আদালতে ফেরত এলে আইন অনুযায়ী মামলা নিষ্পত্তি করা হয়।

মোশারফ হোসেন আরও বলেন, যেসব মামলায় আসামি পলাতক, সেসব মামলা দ্রুতই শেষ হয়। এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কোনো উদ্দেশ্যে তারেক-জোবাইদার মামলা দ্রুত শেষ করা হয়নি।