ঢাকা ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মর্যাদার প্রতীক—জিয়া পরিবার বাংলাদেশের সামাজিক সংস্কৃতিতে এক অনন্য উদাহরণ দাদুর পক্ষ থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা—দেশবাসী কাছে দোয়া চেয়েছেন জাইমা রহমান ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের দাবি তৃণমূলে: এডভোকেট আবেদ রাজার প্রতি অগ্রাধিকার চায় কর্মীরা ডা. জুবাইদা রহমান সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে বিশেষজ্ঞ দল উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া প্রস্তুতি—আগামীকাল ঢাকায় আসছেন ডা. জুবাইদা রহমান গরিব-দুঃখী মানুষের গল্পে মানবতার ছোঁয়া—শেরপুরে ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার গণসংযোগ হে আল্লাহ দয়াময়, তুমি সকল কিছুর মালিক। আমার মা জননী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির করিয়া দেও :তারেক রহমান হার না মানা সংগ্রামের নাম— খালেদা জিয়া বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দেশজুড়ে প্রার্থনার বন্যা এভারকেয়ার হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে তিন বাহিনীর প্রধান

প্রতারনার শিকার হয়ে বিকাশ এজেন্টের আত্মহত্যা।  

সিফাত শেখ (বিশেষ প্রতিনিধি)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:৫২:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০২৩ ১২০ বার পড়া হয়েছে

প্রতারনার শিকার হয়ে বিকাশ এজেন্টের আত্মহত্যা  ।

আলমগী হোসেন গ্রামে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এজেন্ট হিসেবে একটি দোকান চালাতেন। এক প্রবাসী পরিবারকে দেওয়ার জন্য আলমগীরের কাছে বিকাশের মাধ্যমে ৮২ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন। সেই টাকা একটি চক্র প্রতারণা করে তুলে নিয়েছে। অন্যের টাকা এভাবে খুইয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আলমগীর হোসেন।

 

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ভটখালী চন্দ্রপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

 

 

আলমগীর হোসেন চন্দ্রপাড়া গ্রামের আবদুস সামাদের ছেলে। বাগমারা থানা-পুলিশ রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় আলমগীরের পকেট থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করে। এতে লেখা ছিল-‘আমার এই মৃত্যুর জন্য বিকাশ প্রতারক চক্র দায়ী।’

 

পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার গ্রামের দুবাই প্রবাসী শ্রমিক আবদুস সালাম বিকাশের এজেন্ট আলমগীরের কাছে ৮২ হাজার টাকা পাঠান। এ ছাড়া ব্যবসায়িক কারণে তার বিকাশ অ্যাকাউন্টে আরও টাকা ছিল। সব টাকাই হাতিয়ে নেয় প্রতারক চক্র। এতে আলমগীর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। টাকা হারানোর কারণে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ মরদেহ দিলে সোমবার দাফন করা হয়েছে।

 

আলমগীরের ভাই আলতাফ হোসেন বলেন, ‘প্রতারকদের কারণে আমরা আমাদের ভাইকে হারালাম। একটা তাজা প্রাণ চলে গেল। আমরা এই শোক সহ্য করতে পারছি না। পুলিশ প্রশাসনের কাছে একটাই দাবি, তদন্ত করে যেন বিকাশ প্রতারকদের আইনের আওতায় আনা হয়।’

 

জানতে চাইলে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় আলমগীরের বাবা একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন। বিকাশ প্রতারণার কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে আমাদেরও জানানো হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি চিরকুটও পেয়েছি। আমরা মোবাইল নম্বরটি সংগ্রহ করেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রতারনার শিকার হয়ে বিকাশ এজেন্টের আত্মহত্যা।  

নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:৫২:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০২৩

প্রতারনার শিকার হয়ে বিকাশ এজেন্টের আত্মহত্যা  ।

আলমগী হোসেন গ্রামে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এজেন্ট হিসেবে একটি দোকান চালাতেন। এক প্রবাসী পরিবারকে দেওয়ার জন্য আলমগীরের কাছে বিকাশের মাধ্যমে ৮২ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন। সেই টাকা একটি চক্র প্রতারণা করে তুলে নিয়েছে। অন্যের টাকা এভাবে খুইয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আলমগীর হোসেন।

 

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ভটখালী চন্দ্রপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

 

 

আলমগীর হোসেন চন্দ্রপাড়া গ্রামের আবদুস সামাদের ছেলে। বাগমারা থানা-পুলিশ রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় আলমগীরের পকেট থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করে। এতে লেখা ছিল-‘আমার এই মৃত্যুর জন্য বিকাশ প্রতারক চক্র দায়ী।’

 

পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার গ্রামের দুবাই প্রবাসী শ্রমিক আবদুস সালাম বিকাশের এজেন্ট আলমগীরের কাছে ৮২ হাজার টাকা পাঠান। এ ছাড়া ব্যবসায়িক কারণে তার বিকাশ অ্যাকাউন্টে আরও টাকা ছিল। সব টাকাই হাতিয়ে নেয় প্রতারক চক্র। এতে আলমগীর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। টাকা হারানোর কারণে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ মরদেহ দিলে সোমবার দাফন করা হয়েছে।

 

আলমগীরের ভাই আলতাফ হোসেন বলেন, ‘প্রতারকদের কারণে আমরা আমাদের ভাইকে হারালাম। একটা তাজা প্রাণ চলে গেল। আমরা এই শোক সহ্য করতে পারছি না। পুলিশ প্রশাসনের কাছে একটাই দাবি, তদন্ত করে যেন বিকাশ প্রতারকদের আইনের আওতায় আনা হয়।’

 

জানতে চাইলে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় আলমগীরের বাবা একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন। বিকাশ প্রতারণার কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে আমাদেরও জানানো হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি চিরকুটও পেয়েছি। আমরা মোবাইল নম্বরটি সংগ্রহ করেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’