ঢাকাবুধবার , ২৭ মার্চ ২০২৪
আজকের সর্বশেষ খবর

ভাটই বিপিডিসি হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের আড়ালে চলছে রমরমা দেহব্যবসা

মেহেদুল ইসলাম গাজীপুর সদর।প্রতিনিধি। 
মার্চ ২৭, ২০২৪ ৭:৪৩ অপরাহ্ণ । ৩৪ জন
Link Copied!

print news

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ভাটই বাজারের বিপিডিসি হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের আড়ালে নারী কর্মীর মাধ্যমে অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে কর্তৃপক্ষ।স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে এসব অনৈতিক কর্মকান্ডে ফুঁসে ওঠেছে এলাকাবাসী ও সচেতন সুশীল সমাজ।স্বাস্থ্য সেবার আড়ালে কিভাবে অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে বিপিডিসি কর্তৃপক্ষ তা প্রশ্ন থেকে যায় সবার মনে।ভাটই বাজারে গড়ে ওঠা বিপিডিসি হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেই কোন মানসম্মত চিকিৎসক, দক্ষ টেকনিশিয়ান, নার্স, আয়া বা অন্যান্য স্টাফ না থাকায় চিকিৎসার নামে চলছে অপচিকিৎসা। হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে রোগী ও তাদের স্বজনদের। কিন্তু ঠিকই প্রতিনিয়তই কাড়ি কাড়ি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ক্লিনিকওয়ালারা।সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাটই বিপিডিসি হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালাচ্ছে জুইস নামে একজন পল্লী চিকিৎসক ও তৌফিক নামে একজন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট দিয়ে।পল্লী চিকিৎসক জুইস এবং মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট তৌফিকের বিষয়ে জানতে চায়লে তারা বলেন, আমরাই প্রতিষ্ঠানের মালিক।ভাটই বিপিডিসি হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকান্ডের তথ্য সংগ্রহে গেলে বেড়িয়ে আসে চাঞ্চল্যকর আরো অনেক তথ্য।স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, চিকিৎসা সেবার নামে ভাটাই বিপিডিসি হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অভ্যন্তরে দেহব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। কতিপয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের একশ্রেণীর নারীদের নাইট ডিউটির নামে রেখে তাদের দিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানো হয়।কোন কোন ক্ষেত্রে এসব ক্লিনিকে কক্ষ ভাড়া দেয়া হয় ডেট করার জন্য। আর এ থেকে ক্লিনিক মালিক হাতিয়ে নেন টাকা। তবে বুঝার উপায় নেই এসব ক্লিনিকে এমন অনৈতিক ব্যবসা হচ্ছে। পুলিশ সন্দেহের চোখে না দেখায় তারা রাখ-ঢাকের ধার না ধেরে চালিয়ে যাচ্ছে এ ব্যবসা। তবে এ ব্যাপারে প্রতিবেশী ও সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।গতকাল মধ্য রাতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে দুজন নারী কর্মীর সাথে অনৈতিক কর্মকান্ড হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয়রা বিপিডিসি হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রবেশ করে অনৈতিক কর্মকান্ড দেখতে পায়।পরবর্তীতে স্থানীয়রা কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চায়লে কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে অন্য দিকে প্রবাহিত করার জন্য বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে।পরবর্তীতে স্থানীয়রা বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করে।এবিষয়ে রাত্রিযাপন কারী দুই নারী কর্মী আদুরী ও মর্জিনার কাছে জানতে চায়লে তারা বলেন, আমরা মাঝে মধ্যে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রাত্রিযাপন করি। কেন রাত্রিযাপন করেন সে বিষয়ে জানতে চায়লে বেড়িয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আদুরী নামের নারী কর্মী বলেন আমি সপ্তাহে দুই তিন জুইস স্যারের সাথে রাত্রি যাপন করেছি।তিনি আরো বলেন, আমরা মালিক পক্ষের কাছে অসহায় আমাদের দিয়ে বিভিন্ন ধরণের অনৈতিক কর্মকান্ড করান যেখানে আমাদের কোন কিছু বলার করার থাকে না।অনুসন্ধানে বিপিডিসি হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুইস এর বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের চিত্র খুঁজে পাওয়া যায়। একাধিক বিয়ে সহ রেয়েছে তাঁর একাধিক নারী কেলেঙ্কারি। এবিষয়ে বিপিডিসি হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুইস এর কাছে জানতে চায়লে তিনি বলেন,অনৈতিক কর্মকান্ড হয় না কোথায় এবিষয়ে বিস্তারিত জানতে চায়লে তিনি বলেন ভাই যারা নারী কর্মী আছে তাদের এবিষয় মেনে নিয়ে থাকতে হয় এবং তারা এই অনৈতিক কর্মকান্ডকে মেনে নিয়ে ভালোবেসে থাকে।না হলে তাদের চাকুরী করা কঠিন হয়ে পড়ে।ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন ডাঃ শুভ্রা রাণী এ ব্যাপারে জানান, এবিষয়ে আমি কিছু জানিনা বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানলাম বিষয়টি আমি তদন্ত করে উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।এবিষয়ে শৈলকুপা উপজেলার নির্বাহীর অফিসার মেহেদী হাসানের মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।