ঢাকা ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক গত ৮ বছর পূর্বে নির্মিত ট্রমা সেন্টারটি চালু হওয়ার ব্যাপারে দ্রুত সংসদে আলোচনা করবো- এমপি শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ  বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন শুরু, ফরম নিলেন কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন মুন্সিগঞ্জের মোল্লা কান্দি ইউনিয়নে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুর সহ অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে।  জাতীয় প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করতে বহুমুখী উদ্যোগ সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে অ্যাডভোকেট আজমিরি বেগম ছন্দা বাংলাদেশ নারকোটিকস কন্ট্রোল সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হলেন রাজিউর রহমান

ভারতের এক কৃষক টমেটো বিক্রি করে আয় করেছেন ৫ কোটি টাকারও বেশি

সংবাদ দাতা মোঃসিফাত শেখ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:১২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩ ২৫৪ বার পড়া হয়েছে

টমেটো বিক্রি করে ৪৫ দিনেই কোটিপতি হয়ে গেছেন ভারতের এক কৃষক।

ভারতের এক কৃষক টমেটো বিক্রি করে রীতিমতো রেকর্ড তৈরি করেছেন । মাত্র ৪৫ দিনে ভারতীয় মুদ্রায় ৪ কোটি রুপিরও বেশি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ কোটি ২৬ লাখ টাকার সমান) আয় করেছেন স্রেফ টমেটো বিক্রি করে।

দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ভারতে সম্প্রতি টমেটোর বাজার বেশ চড়া। চড়া বললে ভুল হবে, টমেটোর দাম যেন আকাশ ছুঁয়েছে। আর ঠিক এই সুযোগটিই নিয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশের চিতোরের মুরালি নামে ৪৮ বছর বয়স্ক এক কৃষক।

মুরালি প্রথম দিকে তাঁর নিকটবর্তী বাজার মাদানাপাল্লেতেই টমেটো বিক্রি করেন। পরে ভালো দামের আশায় টমেটো নিয়ে যান প্রতিবেশী রাজ্য কর্ণাটকেও। আর ফলাফলও পেয়েছেন হাতেনাতে। টমেটো বিক্রি করে স্রেফ কোটিপতি হয়ে গেছেন মাত্র ৪৫ দিনে।

চলতি বছরের এপ্রিলের দিকে চিতোরের কারাকামান্ডালা জেলায় ২২ একর জমিতে টমেটোর আবাদ করেছিলেন। চারা গাছগুলো পরিণত হওয়ার পর থেকে বিগত ৪৫ দিনে তাঁরা ৪০ হাজার ক্রেট টমেটো বিক্রি করেছেন। যার বাজারমূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি।

মুরালি জানান, টমেটো বিক্রির পর প্রাপ্ত অর্থ তাঁর জীবন অনেকটাই বদলে দিয়েছে। অতীতে চাষাবাদ করতে গিয়ে তিনি প্রায় দেড় কোটি টাকারও বেশি ঋণে পড়েছিলেন। কিন্তু এবারের টমেটো চাষ তাঁর সেই ঋণ পরিশোধে সহায়ক হয়েছে।

মুরালি বলেন, ভালো ফলনের মূল কারণ ছিল বিদ্যুতের সরবরাহ। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল অনেক বেশি। তাই সেচ দিতেও সুবিধা হয়েছে ফলে ফলনও হয়েছে অনেক বেশি। পাশাপাশি টমেটোর ভালো দাম থাকায় তাঁর ভাগ্য খুলে গেছে।

মুরালি বলেন, ‘আমি কখনোই ভাবিনি যে টমেটো আমার জন্য এই বিশাল পরিমাণ আয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে’। তিনি জানালেন, কৃষিকাজের সম্প্রসারণের তিনি অর্জিত কিছু অর্থ ব্যয় করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভারতের এক কৃষক টমেটো বিক্রি করে আয় করেছেন ৫ কোটি টাকারও বেশি

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:১২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩

টমেটো বিক্রি করে ৪৫ দিনেই কোটিপতি হয়ে গেছেন ভারতের এক কৃষক।

ভারতের এক কৃষক টমেটো বিক্রি করে রীতিমতো রেকর্ড তৈরি করেছেন । মাত্র ৪৫ দিনে ভারতীয় মুদ্রায় ৪ কোটি রুপিরও বেশি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ কোটি ২৬ লাখ টাকার সমান) আয় করেছেন স্রেফ টমেটো বিক্রি করে।

দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ভারতে সম্প্রতি টমেটোর বাজার বেশ চড়া। চড়া বললে ভুল হবে, টমেটোর দাম যেন আকাশ ছুঁয়েছে। আর ঠিক এই সুযোগটিই নিয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশের চিতোরের মুরালি নামে ৪৮ বছর বয়স্ক এক কৃষক।

মুরালি প্রথম দিকে তাঁর নিকটবর্তী বাজার মাদানাপাল্লেতেই টমেটো বিক্রি করেন। পরে ভালো দামের আশায় টমেটো নিয়ে যান প্রতিবেশী রাজ্য কর্ণাটকেও। আর ফলাফলও পেয়েছেন হাতেনাতে। টমেটো বিক্রি করে স্রেফ কোটিপতি হয়ে গেছেন মাত্র ৪৫ দিনে।

চলতি বছরের এপ্রিলের দিকে চিতোরের কারাকামান্ডালা জেলায় ২২ একর জমিতে টমেটোর আবাদ করেছিলেন। চারা গাছগুলো পরিণত হওয়ার পর থেকে বিগত ৪৫ দিনে তাঁরা ৪০ হাজার ক্রেট টমেটো বিক্রি করেছেন। যার বাজারমূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি।

মুরালি জানান, টমেটো বিক্রির পর প্রাপ্ত অর্থ তাঁর জীবন অনেকটাই বদলে দিয়েছে। অতীতে চাষাবাদ করতে গিয়ে তিনি প্রায় দেড় কোটি টাকারও বেশি ঋণে পড়েছিলেন। কিন্তু এবারের টমেটো চাষ তাঁর সেই ঋণ পরিশোধে সহায়ক হয়েছে।

মুরালি বলেন, ভালো ফলনের মূল কারণ ছিল বিদ্যুতের সরবরাহ। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল অনেক বেশি। তাই সেচ দিতেও সুবিধা হয়েছে ফলে ফলনও হয়েছে অনেক বেশি। পাশাপাশি টমেটোর ভালো দাম থাকায় তাঁর ভাগ্য খুলে গেছে।

মুরালি বলেন, ‘আমি কখনোই ভাবিনি যে টমেটো আমার জন্য এই বিশাল পরিমাণ আয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে’। তিনি জানালেন, কৃষিকাজের সম্প্রসারণের তিনি অর্জিত কিছু অর্থ ব্যয় করবেন।