ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদীর ওপর গু/লি/ব/র্ষ/ণের প্রতিবাদে বি/ক্ষো/ভ মিছিল জান্নাতের মালিক আল্লাহ, আমরা উন্নয়ন দিতে পারি: আসাদুল হাবিব দুলু আবার রাজপথে হাত নাড়িয়ে জানান দিলেন আসিফ মাহমুদ, ফিরেছেন রাজপথে জুলাই যো*দ্ধা হাদির ওপর হা*ম*লা*কা*রীরা যেন কোনোভাবেই দেশ ছা*ড়তে না পারে—কড়া হুঁ*শিয়ারি প্রধান উপদেষ্টার ঢাকা মেডিকেলে গুলিবিদ্ধ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে দেখতে ছুটে গেলেন জুলাই যুদ্ধা হাসনাত আবদুল্লাহ ভিন্নমতের কণ্ঠরোধে গুলিবর্ষণ—ওসমান হাদীকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ একজন সৎ ও যোগ্য নেতা জনগণের কল্যাণকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন : শর্মিলা রহমান সিঁথি আখাউড়ায় পূর্বের রাজনৈতিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে সাবেক যুবলীগ নেতার বাড়িতে হামলা–ভাঙচুর, নিরাপত্তাহীনতায় গৃহছাড়া আরিফুল। দেশ ও দেশের মানুষ বিএনপির কাছেই নিরাপদ — ড. জালাল কোটালীপাড়ায় জামায়তের হিন্দু শাখার ৯ নেতা-কর্মীর পদত্যাগ

ভারতের এক কৃষক টমেটো বিক্রি করে আয় করেছেন ৫ কোটি টাকারও বেশি

সংবাদ দাতা মোঃসিফাত শেখ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:১২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩ ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

টমেটো বিক্রি করে ৪৫ দিনেই কোটিপতি হয়ে গেছেন ভারতের এক কৃষক।

ভারতের এক কৃষক টমেটো বিক্রি করে রীতিমতো রেকর্ড তৈরি করেছেন । মাত্র ৪৫ দিনে ভারতীয় মুদ্রায় ৪ কোটি রুপিরও বেশি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ কোটি ২৬ লাখ টাকার সমান) আয় করেছেন স্রেফ টমেটো বিক্রি করে।

দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ভারতে সম্প্রতি টমেটোর বাজার বেশ চড়া। চড়া বললে ভুল হবে, টমেটোর দাম যেন আকাশ ছুঁয়েছে। আর ঠিক এই সুযোগটিই নিয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশের চিতোরের মুরালি নামে ৪৮ বছর বয়স্ক এক কৃষক।

মুরালি প্রথম দিকে তাঁর নিকটবর্তী বাজার মাদানাপাল্লেতেই টমেটো বিক্রি করেন। পরে ভালো দামের আশায় টমেটো নিয়ে যান প্রতিবেশী রাজ্য কর্ণাটকেও। আর ফলাফলও পেয়েছেন হাতেনাতে। টমেটো বিক্রি করে স্রেফ কোটিপতি হয়ে গেছেন মাত্র ৪৫ দিনে।

চলতি বছরের এপ্রিলের দিকে চিতোরের কারাকামান্ডালা জেলায় ২২ একর জমিতে টমেটোর আবাদ করেছিলেন। চারা গাছগুলো পরিণত হওয়ার পর থেকে বিগত ৪৫ দিনে তাঁরা ৪০ হাজার ক্রেট টমেটো বিক্রি করেছেন। যার বাজারমূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি।

মুরালি জানান, টমেটো বিক্রির পর প্রাপ্ত অর্থ তাঁর জীবন অনেকটাই বদলে দিয়েছে। অতীতে চাষাবাদ করতে গিয়ে তিনি প্রায় দেড় কোটি টাকারও বেশি ঋণে পড়েছিলেন। কিন্তু এবারের টমেটো চাষ তাঁর সেই ঋণ পরিশোধে সহায়ক হয়েছে।

মুরালি বলেন, ভালো ফলনের মূল কারণ ছিল বিদ্যুতের সরবরাহ। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল অনেক বেশি। তাই সেচ দিতেও সুবিধা হয়েছে ফলে ফলনও হয়েছে অনেক বেশি। পাশাপাশি টমেটোর ভালো দাম থাকায় তাঁর ভাগ্য খুলে গেছে।

মুরালি বলেন, ‘আমি কখনোই ভাবিনি যে টমেটো আমার জন্য এই বিশাল পরিমাণ আয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে’। তিনি জানালেন, কৃষিকাজের সম্প্রসারণের তিনি অর্জিত কিছু অর্থ ব্যয় করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভারতের এক কৃষক টমেটো বিক্রি করে আয় করেছেন ৫ কোটি টাকারও বেশি

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:১২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩

টমেটো বিক্রি করে ৪৫ দিনেই কোটিপতি হয়ে গেছেন ভারতের এক কৃষক।

ভারতের এক কৃষক টমেটো বিক্রি করে রীতিমতো রেকর্ড তৈরি করেছেন । মাত্র ৪৫ দিনে ভারতীয় মুদ্রায় ৪ কোটি রুপিরও বেশি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ কোটি ২৬ লাখ টাকার সমান) আয় করেছেন স্রেফ টমেটো বিক্রি করে।

দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ভারতে সম্প্রতি টমেটোর বাজার বেশ চড়া। চড়া বললে ভুল হবে, টমেটোর দাম যেন আকাশ ছুঁয়েছে। আর ঠিক এই সুযোগটিই নিয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশের চিতোরের মুরালি নামে ৪৮ বছর বয়স্ক এক কৃষক।

মুরালি প্রথম দিকে তাঁর নিকটবর্তী বাজার মাদানাপাল্লেতেই টমেটো বিক্রি করেন। পরে ভালো দামের আশায় টমেটো নিয়ে যান প্রতিবেশী রাজ্য কর্ণাটকেও। আর ফলাফলও পেয়েছেন হাতেনাতে। টমেটো বিক্রি করে স্রেফ কোটিপতি হয়ে গেছেন মাত্র ৪৫ দিনে।

চলতি বছরের এপ্রিলের দিকে চিতোরের কারাকামান্ডালা জেলায় ২২ একর জমিতে টমেটোর আবাদ করেছিলেন। চারা গাছগুলো পরিণত হওয়ার পর থেকে বিগত ৪৫ দিনে তাঁরা ৪০ হাজার ক্রেট টমেটো বিক্রি করেছেন। যার বাজারমূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি।

মুরালি জানান, টমেটো বিক্রির পর প্রাপ্ত অর্থ তাঁর জীবন অনেকটাই বদলে দিয়েছে। অতীতে চাষাবাদ করতে গিয়ে তিনি প্রায় দেড় কোটি টাকারও বেশি ঋণে পড়েছিলেন। কিন্তু এবারের টমেটো চাষ তাঁর সেই ঋণ পরিশোধে সহায়ক হয়েছে।

মুরালি বলেন, ভালো ফলনের মূল কারণ ছিল বিদ্যুতের সরবরাহ। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল অনেক বেশি। তাই সেচ দিতেও সুবিধা হয়েছে ফলে ফলনও হয়েছে অনেক বেশি। পাশাপাশি টমেটোর ভালো দাম থাকায় তাঁর ভাগ্য খুলে গেছে।

মুরালি বলেন, ‘আমি কখনোই ভাবিনি যে টমেটো আমার জন্য এই বিশাল পরিমাণ আয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে’। তিনি জানালেন, কৃষিকাজের সম্প্রসারণের তিনি অর্জিত কিছু অর্থ ব্যয় করবেন।