ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৯ মে ২০২৪
আজকের সর্বশেষ খবর

ভোটারদের বাধা-কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের দায়ে ১৭ জনের জরিমানা ও ২ জনের জেল

মো: মহিবুল ইসলাম খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ
মে ৯, ২০২৪ ৪:৪৩ অপরাহ্ণ । ১৮ জন
Link Copied!

print news

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলা নির্বাচনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা, হুমকি-ধামকি ও কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৭ জনকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানার আওতায় আনা হয়। এছাড়া আবু সিদ্দীক নামে এক ইউপি সদস্যকে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আরও একজনকে ৪ দিনের জেল দেয়া হয়েছে।গতকাল বুধবার ভোট চলাকালে জীবননগর ও দামুড়হুদা উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। বেলা ১১টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এনডিসি) সাইফুল ইসলাম সাইফ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ কারাদণ্ড দেন। এসময় ওই কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড সদস্য আবু সিদ্দিককে ৭ দিনের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।এছাড়া আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন, জীবননগর উপজেলার কাটাপোল গ্রামের কাপ পিরিচ প্রতীকের সমর্থক সাখাওয়াত হোসেন এবং দামুড়হুদা উপজেলার আনারস প্রতীকের মোহাম্মদ রাজ্জাক।দর্শনা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহা জানান, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে কুড়ালগাছি ইউপি সদস্য আবু সিদ্দীক ও আব্দুর রাজ্জাক নামে দুজনকে আটক করে পুলিশ। পরে এর মধ্যে একজনকে সাতদিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জীবননগর থানার ওসি এসএম জাবীদ হাসান জানান, ভোটার ও পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে শাখাওয়াত হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তাকে আটক করে জীবননগর থানায় নেওয়া হয়েছে।এদিকে, গতকাল রাতে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন থেকে পাঠানে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলা নির্বাচনে ভোটগ্রহন চলাকালে বিভিন্ন অপরাধে ১৭ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা হয়। এসময় তাদেরকে ১১ হাজার ৭৫০ টাকা অর্থদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। এছাড়া একজনকে ৭দিন ও অপর জনকে ৪ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতগুলো পরিচালনা করেন জীবননগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসিনা মমতাজ, জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মো. রাসেল, সাজ্জাদ হোসেন ও সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমা জাহান সুমাইয়া।