ঢাকা ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মর্যাদার প্রতীক—জিয়া পরিবার বাংলাদেশের সামাজিক সংস্কৃতিতে এক অনন্য উদাহরণ দাদুর পক্ষ থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা—দেশবাসী কাছে দোয়া চেয়েছেন জাইমা রহমান ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের দাবি তৃণমূলে: এডভোকেট আবেদ রাজার প্রতি অগ্রাধিকার চায় কর্মীরা ডা. জুবাইদা রহমান সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে বিশেষজ্ঞ দল উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া প্রস্তুতি—আগামীকাল ঢাকায় আসছেন ডা. জুবাইদা রহমান গরিব-দুঃখী মানুষের গল্পে মানবতার ছোঁয়া—শেরপুরে ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার গণসংযোগ হে আল্লাহ দয়াময়, তুমি সকল কিছুর মালিক। আমার মা জননী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির করিয়া দেও :তারেক রহমান হার না মানা সংগ্রামের নাম— খালেদা জিয়া বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দেশজুড়ে প্রার্থনার বন্যা এভারকেয়ার হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে তিন বাহিনীর প্রধান

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার কাঠামোতে বড় পরিবর্তন

রিপোর্টার: নাজমা বেগম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:০১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫ ৪৭ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার: নাজমা বেগম

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার কাঠামো, বিষয়ভিত্তিক নম্বর বিভাজন ও পরীক্ষার সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। দীর্ঘদিন পর এবার প্রথমবারের মতো পরীক্ষার ধরনে যুগোপযোগী সংস্কার আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হবে শিক্ষার্থীর বিশ্লেষণী ও ব্যবহারিক দক্ষতার ওপর। পূর্বে যেখানে বহু নির্বাচনী (MCQ) প্রশ্নে অধিকাংশ নম্বর নির্ধারিত থাকত, এখন সেখানে বর্ণনামূলক ও পরিস্থিতিনির্ভর প্রশ্নের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

নতুন নম্বর বিভাজন:

বাংলা – ২০ নম্বর

ইংরেজি – ২০ নম্বর

গণিত – ২০ নম্বর

সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) – ২০ নম্বর

শিক্ষা মনোবিজ্ঞান ও প্রাথমিক শিক্ষার সাধারণ ধারণা – ২০ নম্বর

মোট ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মৌখিক পরীক্ষায় ২০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে, যেখানে প্রার্থীর ব্যক্তিত্ব, যোগাযোগ দক্ষতা, প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কে ধারণা ও সাধারণ জ্ঞান যাচাই করা হবে।

পরীক্ষার সময় ও পদ্ধতিতে পরিবর্তন:

আগে ৬০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করতে হতো, কিন্তু এখন সময় বাড়িয়ে ৯০ মিনিট করা হয়েছে। ফলে পরীক্ষার্থীরা এখন বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্নের উত্তর দিতে পর্যাপ্ত সময় পাবেন।
এছাড়া প্রথমবারের মতো ডিজিটাল প্রশ্নপত্র ব্যবস্থাপনা ও OMR স্ক্যানিং পদ্ধতিও যুক্ত করা হচ্ছে, যাতে প্রশ্ন ফাঁস ও মূল্যায়নে ত্রুটি রোধ করা যায়।

মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য:

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান—

“আমরা চাই শিক্ষক নিয়োগে এমন একটি প্রক্রিয়া চালু করতে, যা প্রকৃত যোগ্য ও দক্ষ প্রার্থীদের মূল্যায়ন করতে সক্ষম হয়। নতুন কাঠামো সেই লক্ষ্যেই প্রণয়ন করা হয়েছে।”

বিশেষজ্ঞ মত:

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, এই পরিবর্তন শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা ও গুণগত মান বাড়াবে। তারা বলেন, লিখিত পরীক্ষায় বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্নের সংখ্যা বাড়ায় প্রার্থীদের প্রকৃত যোগ্যতা যাচাই সহজ হবে।

সারসংক্ষেপ:

নতুন নিয়মে পরীক্ষার্থীদের শুধু মুখস্থ বিদ্যা নয়, বাস্তব জ্ঞান ও বিশ্লেষণী দক্ষতাও যাচাই করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকায়নের পথে এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার কাঠামোতে বড় পরিবর্তন

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:০১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার: নাজমা বেগম

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার কাঠামো, বিষয়ভিত্তিক নম্বর বিভাজন ও পরীক্ষার সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। দীর্ঘদিন পর এবার প্রথমবারের মতো পরীক্ষার ধরনে যুগোপযোগী সংস্কার আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হবে শিক্ষার্থীর বিশ্লেষণী ও ব্যবহারিক দক্ষতার ওপর। পূর্বে যেখানে বহু নির্বাচনী (MCQ) প্রশ্নে অধিকাংশ নম্বর নির্ধারিত থাকত, এখন সেখানে বর্ণনামূলক ও পরিস্থিতিনির্ভর প্রশ্নের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

নতুন নম্বর বিভাজন:

বাংলা – ২০ নম্বর

ইংরেজি – ২০ নম্বর

গণিত – ২০ নম্বর

সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) – ২০ নম্বর

শিক্ষা মনোবিজ্ঞান ও প্রাথমিক শিক্ষার সাধারণ ধারণা – ২০ নম্বর

মোট ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মৌখিক পরীক্ষায় ২০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে, যেখানে প্রার্থীর ব্যক্তিত্ব, যোগাযোগ দক্ষতা, প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কে ধারণা ও সাধারণ জ্ঞান যাচাই করা হবে।

পরীক্ষার সময় ও পদ্ধতিতে পরিবর্তন:

আগে ৬০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করতে হতো, কিন্তু এখন সময় বাড়িয়ে ৯০ মিনিট করা হয়েছে। ফলে পরীক্ষার্থীরা এখন বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্নের উত্তর দিতে পর্যাপ্ত সময় পাবেন।
এছাড়া প্রথমবারের মতো ডিজিটাল প্রশ্নপত্র ব্যবস্থাপনা ও OMR স্ক্যানিং পদ্ধতিও যুক্ত করা হচ্ছে, যাতে প্রশ্ন ফাঁস ও মূল্যায়নে ত্রুটি রোধ করা যায়।

মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য:

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান—

“আমরা চাই শিক্ষক নিয়োগে এমন একটি প্রক্রিয়া চালু করতে, যা প্রকৃত যোগ্য ও দক্ষ প্রার্থীদের মূল্যায়ন করতে সক্ষম হয়। নতুন কাঠামো সেই লক্ষ্যেই প্রণয়ন করা হয়েছে।”

বিশেষজ্ঞ মত:

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, এই পরিবর্তন শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা ও গুণগত মান বাড়াবে। তারা বলেন, লিখিত পরীক্ষায় বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্নের সংখ্যা বাড়ায় প্রার্থীদের প্রকৃত যোগ্যতা যাচাই সহজ হবে।

সারসংক্ষেপ:

নতুন নিয়মে পরীক্ষার্থীদের শুধু মুখস্থ বিদ্যা নয়, বাস্তব জ্ঞান ও বিশ্লেষণী দক্ষতাও যাচাই করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকায়নের পথে এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।