ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি ডা. মাহমুদা মিতুর শেরপুরে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত শেরপুরের মানুষ আছে বলেই আমি বাংলাদেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হতে পেরেছি: এমপি ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬: আজ রাতেই শুরু ফুটবল মহাযুদ্ধ, চ্যাম্পিয়ন পাবে ৫০ মিলিয়ন ডলার প্রস্তাবিত বাজেট অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে নতুন সরকারের বড় সুযোগ: সিপিডি বিশ্বকাপ ফুটবল-২০২৬ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রস্তাবিত বাজেটের বিরুদ্ধে জামায়াতের বিক্ষোভ, ‘গণবিরোধী ও গণনিপীড়ক’ আখ্যা হিংসা নয়, সহানুভূতি—এগিয়ে চলার বার্তা দিলেন চন্দ্রা সরকার বাজিতপুরে দিনে সাংবাদিকের বাসা চুরি বাজিতপুর(কিশোরগঞ্জ) প্রবাসীদের শ্রমিক নয়, সম্মানজনক পরিচয়ে অভিহিত করার আহ্বান জামায়াত আমিরের

সেন্টমার্টিনে মোখার তাণ্ডবে ৮০ শতাংশ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

প্রতিনিধির নাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:৫৬:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে
চেকপোস্ট:: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাব এখনো শেষ হয়নি। এখনো উপকূলজুড়ে চলছে এর তাণ্ডব। সেন্টমার্টিন দ্বীপ এলাকা অতিক্রম করার সময় দ্বীপের প্রায় ৮০ শতাংশ ঘরবাড়ি লন্ডভন্ড হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। 
রোববার (১৪ মে) দুপুর ১টার নাগাদ সেন্টমার্টিনে দ্বীপে আঘাত হানে মোখা। বিকেল চারটায় এক সংবাদ সম্মেলনে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সেন্টমার্টিনে দুপুর ১টার দিকে ১০০ কিলোমিটার বেগে, ২টার দিকে ১২১ কিলোমিটার বেগে, ২টা ২০ মিনিটের দিকে ১৫১ কিলোমিটার বেগে এবং ২টা ৩০ মিনিটে ১৪৭ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। 
এদিকে বিকেল পৌনে পাঁচটার তথ্য অনুযায়ী সেখানে প্রবল ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে সেন্টমার্টিনের উত্তরপাড়া, পশ্চিমপাড়া ও পূর্ব দিকের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে।
এছাড়া ঝড়ের তাণ্ডবে মাঝরপাড়া, দক্ষিণপাড়া, পশ্চিমপাড়া, উত্তরপাড়া, কোনারপাড়া, গলাচিপার অন্তত ৩৪০টি ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। সে সঙ্গে কয়েক শ’ গাছপালা ভেঙে পড়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। 
সেন্টমার্টিনের তিনটি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ৩৭টির বেশি হোটেল রিসোর্ট ও কটেজে আশ্রয় নিয়েছে স্থানীয় প্রায় ৬ হাজার মানুষ। বেশির ভাগই শিশু ও নারী।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান রোববার বিকেলে গণমাধ্যমকে জানান, সকালের দিকে  দ্বীপের পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক ছিল। তবে দুপুর  থেকে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করতে শুরু করে। বেলা দুইটার পর প্রবল গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। বিকেল চারটা পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে। এতে লোকজনের ঘরবাড়ি, গাছপালা ভেঙে পড়ছে। গাছ পড়ে আহত হয়েছেন ১০-১৫ জন। এর মধ্যে একজন নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সেন্টমার্টিনে মোখার তাণ্ডবে ৮০ শতাংশ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:৫৬:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩
চেকপোস্ট:: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাব এখনো শেষ হয়নি। এখনো উপকূলজুড়ে চলছে এর তাণ্ডব। সেন্টমার্টিন দ্বীপ এলাকা অতিক্রম করার সময় দ্বীপের প্রায় ৮০ শতাংশ ঘরবাড়ি লন্ডভন্ড হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। 
রোববার (১৪ মে) দুপুর ১টার নাগাদ সেন্টমার্টিনে দ্বীপে আঘাত হানে মোখা। বিকেল চারটায় এক সংবাদ সম্মেলনে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সেন্টমার্টিনে দুপুর ১টার দিকে ১০০ কিলোমিটার বেগে, ২টার দিকে ১২১ কিলোমিটার বেগে, ২টা ২০ মিনিটের দিকে ১৫১ কিলোমিটার বেগে এবং ২টা ৩০ মিনিটে ১৪৭ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। 
এদিকে বিকেল পৌনে পাঁচটার তথ্য অনুযায়ী সেখানে প্রবল ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে সেন্টমার্টিনের উত্তরপাড়া, পশ্চিমপাড়া ও পূর্ব দিকের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে।
এছাড়া ঝড়ের তাণ্ডবে মাঝরপাড়া, দক্ষিণপাড়া, পশ্চিমপাড়া, উত্তরপাড়া, কোনারপাড়া, গলাচিপার অন্তত ৩৪০টি ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। সে সঙ্গে কয়েক শ’ গাছপালা ভেঙে পড়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। 
সেন্টমার্টিনের তিনটি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ৩৭টির বেশি হোটেল রিসোর্ট ও কটেজে আশ্রয় নিয়েছে স্থানীয় প্রায় ৬ হাজার মানুষ। বেশির ভাগই শিশু ও নারী।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান রোববার বিকেলে গণমাধ্যমকে জানান, সকালের দিকে  দ্বীপের পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক ছিল। তবে দুপুর  থেকে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করতে শুরু করে। বেলা দুইটার পর প্রবল গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। বিকেল চারটা পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে। এতে লোকজনের ঘরবাড়ি, গাছপালা ভেঙে পড়ছে। গাছ পড়ে আহত হয়েছেন ১০-১৫ জন। এর মধ্যে একজন নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।