ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

সেবাই জাগ্রত তরুণ প্রজন্ম: মানবতার জয়গানে নিবেদিত এক অরাজনৈতিক সংগঠন

রিপোর্টার:মোঃআনজার শাহ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:১১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৭১ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার:মোঃআনজার শাহ

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। স্লোগান— “চলবো মোরা একসাথে, জয় করবো মানবতাকে।”
এই অঙ্গীকার বুকে ধারণ করে আত্মপ্রকাশ করেছে অরাজনৈতিক ও সেবামূলক সংগঠন “জাগ্রত তরুণ প্রজন্ম (JIP)”।

২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংগঠনটি ইতোমধ্যেই স্থানীয় মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছে। বলিদাপাড়া, বারুইহাটি যুব সমাজের উদ্যোগে নাজমুল টি স্টোরে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে তারা। উদ্দেশ্য একটাই—গরিব, দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো।

সংগঠনের অন্যতম মানবিক কাজ হলো—কেউ মৃত্যুবরণ করলে বিনা পারিশ্রমিকে কবর খননের ব্যবস্থা করা। শুধু তাই নয়, এলাকায় যেকোনো সামাজিক কল্যাণমূলক কাজে তারা থাকে অগ্রভাগে। এভাবেই তারা নিঃস্বার্থ সেবার মাধ্যমে মানবতার জয়গান গেয়ে চলেছে।

সংগঠনটির আর্থিক ভিত্তি গড়ে উঠেছে এক অনন্য প্রক্রিয়ায়। প্রতি শুক্রবার স্বেচ্ছাসেবীরা সদস্যদের কাছ থেকে ১০, ২০ কিংবা ৩০ টাকার ক্ষুদ্র অনুদান সংগ্রহ করেন। সেই অর্থই জমা হয় ফাউন্ডেশনের তহবিলে। তাছাড়া, প্রবাসে থাকা ৭০ থেকে ৮০ জন উদারহৃদয় ভাইয়েরা নিয়মিতভাবে অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। তাঁদের অবদান সংগঠনটিকে করেছে আরও শক্তিশালী।

জাগ্রত তরুণ প্রজন্ম শুধু তরুণদের প্রাণশক্তিতেই নয়, বরং অভিজ্ঞ মুরুব্বী ও শিক্ষাবিদদের দিকনির্দেশনায় এগিয়ে চলেছে। শ্রীপুনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সমাজের প্রবীণ গোলাম রসুলসহ একাধিক উপদেষ্টার পরামর্শে তাদের প্রতিটি উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়।

একটি ছোট অথচ প্রাণবন্ত এই সংগঠন প্রতিদিন প্রমাণ করছে—একসাথে চাইলে সমাজে পরিবর্তন আনা যায়, মানুষের দুঃখ মোচন করা যায়, আর্থিকভাবে সামান্য হলেও অবদান রেখে অসংখ্য হৃদয় জয় করা যায়।

মানবতার এ অভিযাত্রায় “জাগ্রত তরুণ প্রজন্ম” ইতিমধ্যেই সবার প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে। এখন প্রয়োজন বৃহত্তর সমাজের সহযোগিতা—যাতে এ সংগঠন আরও বেশি গরিব, অসহায় ও দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সেবাই জাগ্রত তরুণ প্রজন্ম: মানবতার জয়গানে নিবেদিত এক অরাজনৈতিক সংগঠন

নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:১১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার:মোঃআনজার শাহ

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। স্লোগান— “চলবো মোরা একসাথে, জয় করবো মানবতাকে।”
এই অঙ্গীকার বুকে ধারণ করে আত্মপ্রকাশ করেছে অরাজনৈতিক ও সেবামূলক সংগঠন “জাগ্রত তরুণ প্রজন্ম (JIP)”।

২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংগঠনটি ইতোমধ্যেই স্থানীয় মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছে। বলিদাপাড়া, বারুইহাটি যুব সমাজের উদ্যোগে নাজমুল টি স্টোরে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে তারা। উদ্দেশ্য একটাই—গরিব, দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো।

সংগঠনের অন্যতম মানবিক কাজ হলো—কেউ মৃত্যুবরণ করলে বিনা পারিশ্রমিকে কবর খননের ব্যবস্থা করা। শুধু তাই নয়, এলাকায় যেকোনো সামাজিক কল্যাণমূলক কাজে তারা থাকে অগ্রভাগে। এভাবেই তারা নিঃস্বার্থ সেবার মাধ্যমে মানবতার জয়গান গেয়ে চলেছে।

সংগঠনটির আর্থিক ভিত্তি গড়ে উঠেছে এক অনন্য প্রক্রিয়ায়। প্রতি শুক্রবার স্বেচ্ছাসেবীরা সদস্যদের কাছ থেকে ১০, ২০ কিংবা ৩০ টাকার ক্ষুদ্র অনুদান সংগ্রহ করেন। সেই অর্থই জমা হয় ফাউন্ডেশনের তহবিলে। তাছাড়া, প্রবাসে থাকা ৭০ থেকে ৮০ জন উদারহৃদয় ভাইয়েরা নিয়মিতভাবে অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। তাঁদের অবদান সংগঠনটিকে করেছে আরও শক্তিশালী।

জাগ্রত তরুণ প্রজন্ম শুধু তরুণদের প্রাণশক্তিতেই নয়, বরং অভিজ্ঞ মুরুব্বী ও শিক্ষাবিদদের দিকনির্দেশনায় এগিয়ে চলেছে। শ্রীপুনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সমাজের প্রবীণ গোলাম রসুলসহ একাধিক উপদেষ্টার পরামর্শে তাদের প্রতিটি উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়।

একটি ছোট অথচ প্রাণবন্ত এই সংগঠন প্রতিদিন প্রমাণ করছে—একসাথে চাইলে সমাজে পরিবর্তন আনা যায়, মানুষের দুঃখ মোচন করা যায়, আর্থিকভাবে সামান্য হলেও অবদান রেখে অসংখ্য হৃদয় জয় করা যায়।

মানবতার এ অভিযাত্রায় “জাগ্রত তরুণ প্রজন্ম” ইতিমধ্যেই সবার প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে। এখন প্রয়োজন বৃহত্তর সমাজের সহযোগিতা—যাতে এ সংগঠন আরও বেশি গরিব, অসহায় ও দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে।