ঢাকা ১০:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় হলে কলাতলীর চারপাশে ঠিকসই, বেরিবাদ জমি বন্দোবস্ত ও রাস্তা ব্রিজ কালভার্ট করবেন, ‎নুরুল ইসলাম নয়ন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর কথা বলে গোপনে ‘না’ সংগঠনের অভিযোগ মামুনুল হকের ঢাকা–১৩ আসনে নির্বাচনী প্রচার শুরু দরিদ্র রোগীদের স্বার্থে চিকিৎসা ভিজিট ফি কমানোর দাবি সিলেটে তারেক রহমানের প্রথম নির্বাচনী সমাবেশ ❝ভোট দিবো কিসে— ধানের শীষে❞ স্লোগানে মুখর আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ বিপুল ভোটে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠনের আশাবাদ নাহিদ ইসলামের প্রিয় দেশবাসী, আসিতেছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের মুক্তির দিন ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জাইমা রহমানের নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজে সংসদ ছাত্র ছাত্রী এবং কলেজের অধ্যক্ষ পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা হয়। শুভ জন্মদিন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়ককে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ দক্ষিণ কোরিয়াতে এই বছরের মধ্যে তাপমাত্রার সর্বোচ্চ পতন হতে যাচ্ছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি মাইনাস ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা অনুভূত হতে পারে। মঞ্চে বসেই ফুপিয়ে কাঁদলেন তারেক রহমান শ*হী*দ পরিবারের সন্তানের আকুতিতে বিএনপি চেয়ারম্যান

সেহরি খাওয়া অবস্থায় ফজরের আজান হলে যা করবেন

প্রতিনিধির নাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩ ১৫৪ বার পড়া হয়েছে

রোজা রাখার জন্য মুসল্লিরা সুবহে সাদিকের আগে সেহরি খেয়ে থাকেন। রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সেহরি খাওয়া সুন্নত এবং অধিক পুণ্যের কাজ। তবে অনেক সময় ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে যাওয়ার কারণে সেহরি খাওয়া শুরু করতে দেরি হয়ে যায়। এমনও হয় যে, কেউ সেহরি খাওয়া শুরু করেছে বা খাওয়া শেষ হয়নি এমন সময় আজান হয়ে যায়।

অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে এমন পরিস্থিতিতে করণীয় কী? সেহরি খাওয়া অবস্থায় ফজরের আজান শুরু হয়ে হলে সঙ্গে সঙ্গে খাওয়া বন্ধ করতে হবে। আর এ অবস্থাতেই যথারীতি রোজা পালন করতে হবে। কিন্তু সেহরির সময়ের পর ভুলক্রমে বা অনিচ্ছাকৃত পানাহার করার কারণে রোজা ভেঙে গেলে রমজানের পর ঐ রোজাটি পুনরায় কাজা করতে হবে।

তবে কেউ যদি আজান শোনার পরও যদি পানাহার বন্ধ না করেন, তাহলে কাজা এবং কাফফারা আদায় করতে হবে তাকে। কারণ, প্রথমে ভুলবশত খাওয়া হলেও পরে ইচ্ছাকৃত খাওয়ার দ্বারা রোজা ভেঙে যায়। আর সেহরির সময় থাকার সময় কেউ আজান দিলে সে বিষয়টি ভিন্ন।

একটি বিষয় মনে রাখতে হবে যে, আজান দেওয়া হয় হলো ফজরের নামাজের জন্য। সেহরি খাওয়া বন্ধ করার জন্য দেওয়া হয় না। এজন্য সেহরি খাওয়া আজানের আগেই বন্ধ করতে হবে। এছাড়া আজান সেহরির সময়ের মধ্যে দেওয়া হয় না, ফজরের ওয়াক্ত হওয়ারও একটু পরে দেওয়া হয়।

এছাড়া হাদিস শরিফে যে আজানের পরেও খাওয়ার কথা আছে, তা হলো তাহাজ্জুদের আজান। সেটি ফজরের আজান নয়। এটি এখনও প্রচলিত আছে মক্কা এবং মদিনায়। (ফাতাওয়ায়ে আলমগিরি)

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সেহরি খাওয়া অবস্থায় ফজরের আজান হলে যা করবেন

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩

রোজা রাখার জন্য মুসল্লিরা সুবহে সাদিকের আগে সেহরি খেয়ে থাকেন। রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সেহরি খাওয়া সুন্নত এবং অধিক পুণ্যের কাজ। তবে অনেক সময় ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে যাওয়ার কারণে সেহরি খাওয়া শুরু করতে দেরি হয়ে যায়। এমনও হয় যে, কেউ সেহরি খাওয়া শুরু করেছে বা খাওয়া শেষ হয়নি এমন সময় আজান হয়ে যায়।

অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে এমন পরিস্থিতিতে করণীয় কী? সেহরি খাওয়া অবস্থায় ফজরের আজান শুরু হয়ে হলে সঙ্গে সঙ্গে খাওয়া বন্ধ করতে হবে। আর এ অবস্থাতেই যথারীতি রোজা পালন করতে হবে। কিন্তু সেহরির সময়ের পর ভুলক্রমে বা অনিচ্ছাকৃত পানাহার করার কারণে রোজা ভেঙে গেলে রমজানের পর ঐ রোজাটি পুনরায় কাজা করতে হবে।

তবে কেউ যদি আজান শোনার পরও যদি পানাহার বন্ধ না করেন, তাহলে কাজা এবং কাফফারা আদায় করতে হবে তাকে। কারণ, প্রথমে ভুলবশত খাওয়া হলেও পরে ইচ্ছাকৃত খাওয়ার দ্বারা রোজা ভেঙে যায়। আর সেহরির সময় থাকার সময় কেউ আজান দিলে সে বিষয়টি ভিন্ন।

একটি বিষয় মনে রাখতে হবে যে, আজান দেওয়া হয় হলো ফজরের নামাজের জন্য। সেহরি খাওয়া বন্ধ করার জন্য দেওয়া হয় না। এজন্য সেহরি খাওয়া আজানের আগেই বন্ধ করতে হবে। এছাড়া আজান সেহরির সময়ের মধ্যে দেওয়া হয় না, ফজরের ওয়াক্ত হওয়ারও একটু পরে দেওয়া হয়।

এছাড়া হাদিস শরিফে যে আজানের পরেও খাওয়ার কথা আছে, তা হলো তাহাজ্জুদের আজান। সেটি ফজরের আজান নয়। এটি এখনও প্রচলিত আছে মক্কা এবং মদিনায়। (ফাতাওয়ায়ে আলমগিরি)