ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কর্মজীবী নারীদের অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সিলেট কমিউনিটি ইন সাউথ কোরিয়া’র ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা কেরাণীগঞ্জে বিএনপির নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত ভোলা আমার বাপের বাড়ি মার্কা মোদের গরুর গাড়ি”—ভোলায় সমাবেশে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ দক্ষিণ কোরিয়া  জংওয়াং মসজিদ এন্ড ইসলামিক সেন্টারের উদ্যোগে সল্লাল উপলক্ষে ওয়াজ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তারেক রহমানের ধানের শীষ, ভিপি নুরুল হক নূরের ট্রাক, পার্থর, গরুর গাড়ি মার্কা—তিন নায়ক, এক দেশ: নতুন করে জেগে উঠছে বাংলাদেশ শবে বরাত উপলক্ষে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে এমপি প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর পক্ষ থেকে হতদরিদ্রদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ জামায়াতের আমীরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার: প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ দূর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠিয়ে নিরাপত্তা প্রত্যাশা প্রশাসনের কাছে  : সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ্জামান নিরাপত্তা ছাড়াই রাজপথে তারেক রহমানের পক্ষে ভোট চাইতে নামলেন শর্মিলা রহমান সিঁথি

৫০৫টি পরিবার পেলো প্রধান মন্ত্রীর দেওয়া ঘর।

রিপোর্টার মোঃ রাশেদ কবির
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ অগাস্ট ২০২৩ ৭৯ বার পড়া হয়েছে

৫০৫টি পরিবার পেলো প্রধান মন্ত্রীর দেওয়া ঘর।

প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে কুড়িগ্রামে ৫০৫টি হত দরিদ্র গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার ঘরসহ জমির দলিল প্রদান করা হয়েছে । এর সাথে পেয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুবিধা ।সরকারে দেয়া ঘর ও জমির দলিল পেয়ে দারুন খুশি সুফলভোগীরা।

বুধবার (৯আগস্ট) সকালে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত জেলা পর্যায়ে ঘর উদ্ধোধন হস্তান্তর আনুষ্ঠানে সুবিধাভোগীদের হাতে ঘরের চাবি ও জমির দলিল তুলে দেয় রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান।

অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ এর সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম,রাজারহাট উপজেলা চেয়ারম্যান জাহিদ সোহার্দী বাপ্পি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূরে তাসনিম প্রমুখ।

আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের অধীনে ৪র্থ পর্যায়ে(২য় ধাপ) কুড়িগ্রাম জেলার ৯ উপজেলায় ৫০৫টি হত দরিদ্র ও ভূমিহীন পরিবারকে ঘর প্রদান করা হয়।এরমধ্যে-কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় ৩টি,নাগেশ্বরী ৪২টি,ভূরুঙ্গামারী ১৪ টি,ফুলবাড়ী ৫টি, রাজারহাট ৩০৪টি, উলিপুর ৫৯টি,চিলমারী ৩৬টি,রৌমারী ১৭টি ও রাজিবপুর ২৫টি ঘর সহ দলিল হস্তান্তর করা হয়েছে।এর মধ্যে চিলমারী উপজেলায় হরিজন সম্প্রদায়ের জন্য ৩০টি এবং রাজারহাট উপজেলায় ঢুলি পরিবারের জন্য ১৯টি ঘর প্রদান করা হয়।

জেলা প্রশাসনের তথ্যনুযায়ী জেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের সংখ্যা ৪,৭০২ জন। ইতোমধ্যে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের অধীনে ৪র্থ পর্যায়ে মোট ৪,৫৫৩ টি পরিবারকে জমিসহ ঘর দেয়া হয়েছে। অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ১৪৭টি পরিবার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৫০৫টি পরিবার পেলো প্রধান মন্ত্রীর দেওয়া ঘর।

নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ অগাস্ট ২০২৩

৫০৫টি পরিবার পেলো প্রধান মন্ত্রীর দেওয়া ঘর।

প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে কুড়িগ্রামে ৫০৫টি হত দরিদ্র গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার ঘরসহ জমির দলিল প্রদান করা হয়েছে । এর সাথে পেয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুবিধা ।সরকারে দেয়া ঘর ও জমির দলিল পেয়ে দারুন খুশি সুফলভোগীরা।

বুধবার (৯আগস্ট) সকালে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত জেলা পর্যায়ে ঘর উদ্ধোধন হস্তান্তর আনুষ্ঠানে সুবিধাভোগীদের হাতে ঘরের চাবি ও জমির দলিল তুলে দেয় রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান।

অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ এর সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম,রাজারহাট উপজেলা চেয়ারম্যান জাহিদ সোহার্দী বাপ্পি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূরে তাসনিম প্রমুখ।

আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের অধীনে ৪র্থ পর্যায়ে(২য় ধাপ) কুড়িগ্রাম জেলার ৯ উপজেলায় ৫০৫টি হত দরিদ্র ও ভূমিহীন পরিবারকে ঘর প্রদান করা হয়।এরমধ্যে-কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় ৩টি,নাগেশ্বরী ৪২টি,ভূরুঙ্গামারী ১৪ টি,ফুলবাড়ী ৫টি, রাজারহাট ৩০৪টি, উলিপুর ৫৯টি,চিলমারী ৩৬টি,রৌমারী ১৭টি ও রাজিবপুর ২৫টি ঘর সহ দলিল হস্তান্তর করা হয়েছে।এর মধ্যে চিলমারী উপজেলায় হরিজন সম্প্রদায়ের জন্য ৩০টি এবং রাজারহাট উপজেলায় ঢুলি পরিবারের জন্য ১৯টি ঘর প্রদান করা হয়।

জেলা প্রশাসনের তথ্যনুযায়ী জেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের সংখ্যা ৪,৭০২ জন। ইতোমধ্যে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের অধীনে ৪র্থ পর্যায়ে মোট ৪,৫৫৩ টি পরিবারকে জমিসহ ঘর দেয়া হয়েছে। অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ১৪৭টি পরিবার।