ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান

গাজীপুরা কাজী পাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বৃষ্টির জন্য ইসতিসকার নামাজ আদায়।

রিপোর্টার মেহেদুল ইসলাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:৪০:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরা কাজী পাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বৃষ্টির জন্য ইসতিসকার নামাজ আদায়। সপ্তাহখানেক ধরে তাপপ্রবাহ চলছে। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাই তীব্র গরম থেকে রক্ষা পেতে গাজীপুরা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বৃষ্টি জন্য ইসতিসকার নামাজ আদায় করে বিশেষ দোয়া করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।ও গার্মেন্টস কর্মীরা। ২৫ এপ্রিল বুধবার সকাল ১১টার দিকে গাজীপুরা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে এ ইসতিসকার নামাজ আদায় করের মুসল্লিরা।ইসতিসকার নামাজ শেষে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া প্রার্থনার করে অঝরে চোখের জল ছেড়ে মোনাজাত ও ক্ষমা প্রার্থনা করেন ইমাম ও মুসল্লিরা।নামাজে ইমামতি ও দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আবু হানিফা শিকদার।পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক ৫০নং ওয়ার্ড কমিশনার উদ্যোগ নেন।আয়োজকরা জানান, কালবৈশাখীর মৌসুমেও বৃষ্টির কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। উল্টো টানা তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মাঠে রোদে পুড়ে কৃষকের ফসল নষ্ট হচ্ছে। আম-লিচুর গুটি ঝরে পড়ছে। শ্রমজীবী মানুষ রোদে বেশিক্ষণ কাজ করতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে তারা বৃষ্টির জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনার আয়োজন করেছেন।কাজী আবুবক্কর সিদ্দিক জানান, অনেক দিন বৃষ্টি হয় না। তীব্র রোদে প্রচণ্ড গরম অনুভূত হচ্ছে। তার ওপর ঘনঘন লোডশেডিং। সব মিলিয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে মানুষ। তাই মহান আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য নামাজ শেষে প্রার্থনা করা হয়েছে।আগত মুসুল্লিরা বলেন, বৃষ্টিপাত না হলে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সাহাবিদের নিয়ে খোলা ময়দানে ইসতিসকারনামাজ আদায় করতেন। সে জন্য তারা মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজেদের পাপের জন্য তওবা এবং ক্ষমা চেয়ে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করেছেন। বৃষ্টি বা পানির জন্য আল্লাহ সালাতের মাধ্যমে চাইতে বলেছেন। তাই আমরা সবাই একত্র হয়ে এ নামাজ আদায় করেছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গাজীপুরা কাজী পাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বৃষ্টির জন্য ইসতিসকার নামাজ আদায়।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:৪০:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪

গাজীপুরা কাজী পাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বৃষ্টির জন্য ইসতিসকার নামাজ আদায়। সপ্তাহখানেক ধরে তাপপ্রবাহ চলছে। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাই তীব্র গরম থেকে রক্ষা পেতে গাজীপুরা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বৃষ্টি জন্য ইসতিসকার নামাজ আদায় করে বিশেষ দোয়া করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।ও গার্মেন্টস কর্মীরা। ২৫ এপ্রিল বুধবার সকাল ১১টার দিকে গাজীপুরা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে এ ইসতিসকার নামাজ আদায় করের মুসল্লিরা।ইসতিসকার নামাজ শেষে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া প্রার্থনার করে অঝরে চোখের জল ছেড়ে মোনাজাত ও ক্ষমা প্রার্থনা করেন ইমাম ও মুসল্লিরা।নামাজে ইমামতি ও দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আবু হানিফা শিকদার।পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক ৫০নং ওয়ার্ড কমিশনার উদ্যোগ নেন।আয়োজকরা জানান, কালবৈশাখীর মৌসুমেও বৃষ্টির কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। উল্টো টানা তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মাঠে রোদে পুড়ে কৃষকের ফসল নষ্ট হচ্ছে। আম-লিচুর গুটি ঝরে পড়ছে। শ্রমজীবী মানুষ রোদে বেশিক্ষণ কাজ করতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে তারা বৃষ্টির জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনার আয়োজন করেছেন।কাজী আবুবক্কর সিদ্দিক জানান, অনেক দিন বৃষ্টি হয় না। তীব্র রোদে প্রচণ্ড গরম অনুভূত হচ্ছে। তার ওপর ঘনঘন লোডশেডিং। সব মিলিয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে মানুষ। তাই মহান আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য নামাজ শেষে প্রার্থনা করা হয়েছে।আগত মুসুল্লিরা বলেন, বৃষ্টিপাত না হলে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সাহাবিদের নিয়ে খোলা ময়দানে ইসতিসকারনামাজ আদায় করতেন। সে জন্য তারা মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজেদের পাপের জন্য তওবা এবং ক্ষমা চেয়ে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করেছেন। বৃষ্টি বা পানির জন্য আল্লাহ সালাতের মাধ্যমে চাইতে বলেছেন। তাই আমরা সবাই একত্র হয়ে এ নামাজ আদায় করেছি।