ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান

গৃহবধু হত্যা মামলার তিন পরিকল্পনাকারী ঢাকায় গ্রেপ্তার

মেহেদুল ইসলাম গাজীপুর সদর প্রতিনিধি
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০২৪ ১২১ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁর ধামইরহাটে গৃহবধু মহসিনা খাতুন ওরফে আয়না (৩০) হত্যা মামলার আসামী মূল পরিকল্পনাকারী স্বামীসহ শাশুড়ি ও দেবরকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব সদস্যরা। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকাল ৬টার দিকে ঢাকা জেলার আদাবর থানার সুনিবির হাউজিং এলাকায় র‌্যাবের যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ধামইরহাট উপজেলার বিহারী নগর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে ও নিহতের স্বামী নুরুল আমিন ওরফে এরশাদ (৩২) ও দেবর শাকিল হোসেন (২২) এবং শাশুড়ি আমেনা বেগম। তারা সকলেই ওই গৃহবধু হত্যা মামলার এজাহার নামীয় পলাতক আসামী। এদিন বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে র‌্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানানো হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি বছরের গত ১২ মার্চ ভোর রাতে ধামইরহাট উপজেলার উমার ইউনিয়নের বিহারীনগর গ্রামের নরুল আমিন ওরফে এরশাদ এর স্ত্রী মহসিনা খাতুন ওরফে আয়নাকে বাড়ীর পূর্ব পার্শ্বে একটি আম গাছে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পায় পরিবারের সদস্যরা। বিষয়টি দেখতে পেয়ে পরিবারের লোকজন থানা পুলিশকে খবর দিলে সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। লাশ উদ্ধারের পর গৃহবধুর বাবার বাড়ির লোকজন স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। তাদের অভিযোগ মৃত আয়না আক্তারের সাথে শাশুড়ী, স্বামী ও দেবর এর সাথে প্রায়ই বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা, সোফা সেট, আলমারী ও খাট ইত্যাদি আনার জন্য বিরোধ লেগেই থাকতো। এই বিরোধের জের ধরে তাকে মারপিট করে শ্বাসরোধে মেরে ফেলে বসত বাড়ির আম গাছে গলায় রশি পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন মৃতের স্বজনরা। পরবর্তীতে মৃতের চাচা আব্দুল হামিদ বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় ভাতিজি আয়নাকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে মূল পরিকল্পনাকারী শাশুড়ী আমেনা, স্বামী এরশাদ, দেবর শাকিল এবং আমেনার জামাতা বিদ্যুৎ এর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা রুজু করেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামলার রুজু হওয়ার পর থেকেই আসামীরা আত্মগোপন চলে যায়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা গত মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) ধামইরহাট উপজেলার গোপিরামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহার নামীয় আসামী বিদ্যুৎকে গ্রেপ্তার করে। এবং অন্যান্য আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায়। পরবর্তীতে র‌্যাব-২, সিপিসি-১ এর সহায়তায় হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী শাশুড়ি আমেনা, স্বামী এরশাদ ও দেবর শাকিলকে মঙ্গলবার সকালে ঢাকা জেলার আদাবর থানার সুনিবির হাউজিং এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র‌্যাব প্রাতিষ্ঠানিক সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সকল অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে বলেও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় দেশ প্রিয়র কাছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গৃহবধু হত্যা মামলার তিন পরিকল্পনাকারী ঢাকায় গ্রেপ্তার

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০২৪

নওগাঁর ধামইরহাটে গৃহবধু মহসিনা খাতুন ওরফে আয়না (৩০) হত্যা মামলার আসামী মূল পরিকল্পনাকারী স্বামীসহ শাশুড়ি ও দেবরকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব সদস্যরা। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকাল ৬টার দিকে ঢাকা জেলার আদাবর থানার সুনিবির হাউজিং এলাকায় র‌্যাবের যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ধামইরহাট উপজেলার বিহারী নগর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে ও নিহতের স্বামী নুরুল আমিন ওরফে এরশাদ (৩২) ও দেবর শাকিল হোসেন (২২) এবং শাশুড়ি আমেনা বেগম। তারা সকলেই ওই গৃহবধু হত্যা মামলার এজাহার নামীয় পলাতক আসামী। এদিন বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে র‌্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানানো হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি বছরের গত ১২ মার্চ ভোর রাতে ধামইরহাট উপজেলার উমার ইউনিয়নের বিহারীনগর গ্রামের নরুল আমিন ওরফে এরশাদ এর স্ত্রী মহসিনা খাতুন ওরফে আয়নাকে বাড়ীর পূর্ব পার্শ্বে একটি আম গাছে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পায় পরিবারের সদস্যরা। বিষয়টি দেখতে পেয়ে পরিবারের লোকজন থানা পুলিশকে খবর দিলে সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। লাশ উদ্ধারের পর গৃহবধুর বাবার বাড়ির লোকজন স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। তাদের অভিযোগ মৃত আয়না আক্তারের সাথে শাশুড়ী, স্বামী ও দেবর এর সাথে প্রায়ই বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা, সোফা সেট, আলমারী ও খাট ইত্যাদি আনার জন্য বিরোধ লেগেই থাকতো। এই বিরোধের জের ধরে তাকে মারপিট করে শ্বাসরোধে মেরে ফেলে বসত বাড়ির আম গাছে গলায় রশি পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন মৃতের স্বজনরা। পরবর্তীতে মৃতের চাচা আব্দুল হামিদ বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় ভাতিজি আয়নাকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে মূল পরিকল্পনাকারী শাশুড়ী আমেনা, স্বামী এরশাদ, দেবর শাকিল এবং আমেনার জামাতা বিদ্যুৎ এর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা রুজু করেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামলার রুজু হওয়ার পর থেকেই আসামীরা আত্মগোপন চলে যায়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা গত মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) ধামইরহাট উপজেলার গোপিরামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহার নামীয় আসামী বিদ্যুৎকে গ্রেপ্তার করে। এবং অন্যান্য আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায়। পরবর্তীতে র‌্যাব-২, সিপিসি-১ এর সহায়তায় হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী শাশুড়ি আমেনা, স্বামী এরশাদ ও দেবর শাকিলকে মঙ্গলবার সকালে ঢাকা জেলার আদাবর থানার সুনিবির হাউজিং এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র‌্যাব প্রাতিষ্ঠানিক সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সকল অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে বলেও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় দেশ প্রিয়র কাছে।