ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান

চাঞ্চল্যকর ঘটনায় শহীদ হত্যা মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রিপোর্টার: মো :আরাফাত হোসেন 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:২৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ ২৩৮ বার পড়া হয়েছে

 

মৃত শহীদুল্লাহ মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার চিত্রকোট গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।তিনি স্থায়ী ভাবে পরিবার নিয়ে বসবাসের জন্য ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি ৩য় তলা বিল্ডিং নির্মাণ করেন।২০১৫ সালের ২৯ শে জানুয়ারি রাতে মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার সৈয়দপুর গ্রামের আমজাদ নামের এক যুবক শামীম নামের এক ব্যাক্তিকে সাথে নিয়ে শহীদুল্লাহকে কেরানীগঞ্জের নিজ বাড়িতে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।হত্যার পর তারা চৌদ্দ ভরি স্বর্ণ অলংকার সহ নগদ পাঁচ লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।এই ঘটনায় তার ছোট ছেলে এমদাদুল ইসলাম কেরানীগঞ্জ মডেল থানা একটি মামলা দায়ের করেন।মামলাদারের নয় মাসের মাথায় তদন্তের মাধ্যমে ডিবি পুলিশ আমজাদ ও শামীমকে গ্রেফতার করেন।দীর্ঘ ৯ বছর মামলা চলার পর গত ০৪/০১/২৪ তারিখে আমজাদ ও শামীমকে দোষী সাব্যস্ত করে ঢাকা জজ কোর্টে তাদের তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।এই মামলার রায়ের দিন তারা কোর্টে উপস্থিত ছিলেন না।তারা দুজনে পলাতক ছিলেন। আমজাদের নামে হত্যা মামলা সহ আরো একাধিক মামলা রয়েছে।এই মামলার রায়ের কিছুদিন আগে তিনি ধারালো কেঁচি দিয়ে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করার চেষ্টা করেন।এছাড়া তিনি মাদকদ্রব্যের ব্যাবসার সাথে ও জড়িত ছিলেন বলে যানা গেছে।২৩ তারিখ নির্বাচনের দিন রাত্রে শেখর নগর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ তাকে অন্য মামলার অভিযান পরিচালনা করে তাকে সৈয়দপুর থেকে গ্রেফতার করেন।এ হত্যা মামলার আর এক আসামি শামীম এখনো পলাতক রয়েছে|নিহতের পরিবারেরায় সন্তুষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন।তারা উচ্চ আদালতে এই দুই খুনির ফাঁসির জন্য আপিল করবে বলে জানিয়েছেন।তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছেন তারা আমজাদ ও শামীম এই দুই খুনির ফাঁসি চায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চাঞ্চল্যকর ঘটনায় শহীদ হত্যা মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:২৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪

 

মৃত শহীদুল্লাহ মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার চিত্রকোট গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।তিনি স্থায়ী ভাবে পরিবার নিয়ে বসবাসের জন্য ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি ৩য় তলা বিল্ডিং নির্মাণ করেন।২০১৫ সালের ২৯ শে জানুয়ারি রাতে মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার সৈয়দপুর গ্রামের আমজাদ নামের এক যুবক শামীম নামের এক ব্যাক্তিকে সাথে নিয়ে শহীদুল্লাহকে কেরানীগঞ্জের নিজ বাড়িতে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।হত্যার পর তারা চৌদ্দ ভরি স্বর্ণ অলংকার সহ নগদ পাঁচ লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।এই ঘটনায় তার ছোট ছেলে এমদাদুল ইসলাম কেরানীগঞ্জ মডেল থানা একটি মামলা দায়ের করেন।মামলাদারের নয় মাসের মাথায় তদন্তের মাধ্যমে ডিবি পুলিশ আমজাদ ও শামীমকে গ্রেফতার করেন।দীর্ঘ ৯ বছর মামলা চলার পর গত ০৪/০১/২৪ তারিখে আমজাদ ও শামীমকে দোষী সাব্যস্ত করে ঢাকা জজ কোর্টে তাদের তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।এই মামলার রায়ের দিন তারা কোর্টে উপস্থিত ছিলেন না।তারা দুজনে পলাতক ছিলেন। আমজাদের নামে হত্যা মামলা সহ আরো একাধিক মামলা রয়েছে।এই মামলার রায়ের কিছুদিন আগে তিনি ধারালো কেঁচি দিয়ে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করার চেষ্টা করেন।এছাড়া তিনি মাদকদ্রব্যের ব্যাবসার সাথে ও জড়িত ছিলেন বলে যানা গেছে।২৩ তারিখ নির্বাচনের দিন রাত্রে শেখর নগর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ তাকে অন্য মামলার অভিযান পরিচালনা করে তাকে সৈয়দপুর থেকে গ্রেফতার করেন।এ হত্যা মামলার আর এক আসামি শামীম এখনো পলাতক রয়েছে|নিহতের পরিবারেরায় সন্তুষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন।তারা উচ্চ আদালতে এই দুই খুনির ফাঁসির জন্য আপিল করবে বলে জানিয়েছেন।তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছেন তারা আমজাদ ও শামীম এই দুই খুনির ফাঁসি চায়।