ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান

চুয়াডাঙ্গার বাজারে আম গতবারের তুলনায় দাম বেশি

মোঃ মকলেছুর রহমান সামস্ চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৩১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪ ৯২ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গা শহরে আম বেচাকেনা শুরু হয়েছে। ‘ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার’ মেনে গত বৃহস্পতিবার বাগান থেকে আম সংগ্রহের পর গতকাল শুক্রবার সকালে তা আড়তে তোলা হয়। এদিন স্থানীয় বাগানের আঁটি, গুটি ও বোম্বাই আম তোলা হলেও পাইকারি আড়ত ও খুচরা দোকানগুলোতে সাতক্ষীরা থেকে আনা গোবিন্দভোগ আম বেশি বিক্রি হয়েছে।পাইকাররা জানান, মৌসুমের প্রথম দিন আড়তগুলোতে প্রায় ২০০ মণ আম বিক্রি হয়েছে। গত বছরের তুলনায় দাম এবার বেশি। গত বছর মৌসুমের প্রথম দিনে আড়তগুলোতে জাতভেদে প্রতি কেজি আম ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। সেখানে আজ সকালে সর্বনিম্ন ২৮ থেকে ৮২ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে।গতকাল সকালে আড়তগুলো থেকে খুচরা বিক্রেতারা আম কিনে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তিনটি বাজারসহ জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে নিয়ে যান। খুচরা বিক্রেতাদের সাতক্ষীরার গোবিন্দভোগ ও স্থানীয় বোম্বাই আমের দিকে ঝোঁক ছিল বেশি। আঁটির আম হলেও এই দুটি জাতের আমের আকার ও রঙের কারণে বেশি বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া আচার তৈরির জন্য কাঁচা গুটি ও ফজলি আম বিক্রি হতে দেখা গেছে। গতকাল ভোর পাঁচটা থেকে সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত পাইকারি আড়তগুলোতে বেচাকেনা হয়। এর পর থেকে আড়তগুলোতে ক্রেতা কমলেও খুচরা দোকানে শুরু হয় বেচাকেনা।মাস্টার ট্রেডার্স আড়তের মালিক শামসুল আলম মাস্টার বলেন, স্থানীয় সিন্দুরিয়া জাতের আঁটির আম বিক্রি করেছেন ২২০ কেজি। প্রথম দিন হিসেবে আমের বেশ ভালো দাম পাওয়া গেছে। প্রতি কেজি আম বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা দরে।কালু ফল ভান্ডারে প্রতি কেজি স্থানীয় জাতের আঁটির আম ৫৫ টাকা ও বোম্বাই ৫০ থেকে ৫৫ এবং সাতক্ষীরার গোবিন্দভোগ আম ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যায়। খাঁজা ভান্ডারে প্রতি কেজি বোম্বাই ৪৫ টাকা; আবদুল্লাহ ফল ভান্ডারে প্রতি কেজি স্থানীয় বোম্বাই ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা, গোলাপফাঁস আঁটি ৫৫ থেকে ৬২ টাকায় বিক্রি হয়।আল্লাহর দান ফল ভান্ডারের মালিক চুয়াডাঙ্গা জেলা ফল ও আম ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম জানান, প্রথম দিন হিসেবে শুক্রবার অল্প কিছু স্থানীয় জাতের আম আড়তে তোলা হয়। দাম ভালোই পাওয়া গেছে। তবে সব ধরনের আম পেতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।চুয়াডাঙ্গা শহরের বড়বাজার শহীদ হাসান চত্বরের চটকাতলায় ফলের দোকানগুলোতে ভিনদেশি ফল আপেল, কমলা, আঙুর, আনার ও মাল্টার পাশাপাশি আম সাজিয়ে বিক্রি করতে দেখা যায়। নদীরধার কাঁচাবাজারে খুচরা দোকানে আকারভেদে প্রতি কেজি গোবিন্দভোগ ৮০ থেকে ৮৫ টাকা ও বোম্বাই ৬০ থেকে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা যায়।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা পর্যায়ের একজন কর্মকর্তাকে বাজার থেকে আম কিনতে দেখা যায়। তিনি বলেন, ‘চলতি মৌসুমে আমের ফলন কম হওয়ায় খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে। তাই আমের স্বাদ নিতে বছরের প্রথম দিন কিছু কিনে নিলাম। কারণ, ভবিষ্যতে বেশি দাম দিয়েও বাজারে সুস্বাদু আম পাওয়া না-ও যেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চুয়াডাঙ্গার বাজারে আম গতবারের তুলনায় দাম বেশি

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৩১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

চুয়াডাঙ্গা শহরে আম বেচাকেনা শুরু হয়েছে। ‘ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার’ মেনে গত বৃহস্পতিবার বাগান থেকে আম সংগ্রহের পর গতকাল শুক্রবার সকালে তা আড়তে তোলা হয়। এদিন স্থানীয় বাগানের আঁটি, গুটি ও বোম্বাই আম তোলা হলেও পাইকারি আড়ত ও খুচরা দোকানগুলোতে সাতক্ষীরা থেকে আনা গোবিন্দভোগ আম বেশি বিক্রি হয়েছে।পাইকাররা জানান, মৌসুমের প্রথম দিন আড়তগুলোতে প্রায় ২০০ মণ আম বিক্রি হয়েছে। গত বছরের তুলনায় দাম এবার বেশি। গত বছর মৌসুমের প্রথম দিনে আড়তগুলোতে জাতভেদে প্রতি কেজি আম ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। সেখানে আজ সকালে সর্বনিম্ন ২৮ থেকে ৮২ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে।গতকাল সকালে আড়তগুলো থেকে খুচরা বিক্রেতারা আম কিনে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তিনটি বাজারসহ জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে নিয়ে যান। খুচরা বিক্রেতাদের সাতক্ষীরার গোবিন্দভোগ ও স্থানীয় বোম্বাই আমের দিকে ঝোঁক ছিল বেশি। আঁটির আম হলেও এই দুটি জাতের আমের আকার ও রঙের কারণে বেশি বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া আচার তৈরির জন্য কাঁচা গুটি ও ফজলি আম বিক্রি হতে দেখা গেছে। গতকাল ভোর পাঁচটা থেকে সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত পাইকারি আড়তগুলোতে বেচাকেনা হয়। এর পর থেকে আড়তগুলোতে ক্রেতা কমলেও খুচরা দোকানে শুরু হয় বেচাকেনা।মাস্টার ট্রেডার্স আড়তের মালিক শামসুল আলম মাস্টার বলেন, স্থানীয় সিন্দুরিয়া জাতের আঁটির আম বিক্রি করেছেন ২২০ কেজি। প্রথম দিন হিসেবে আমের বেশ ভালো দাম পাওয়া গেছে। প্রতি কেজি আম বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা দরে।কালু ফল ভান্ডারে প্রতি কেজি স্থানীয় জাতের আঁটির আম ৫৫ টাকা ও বোম্বাই ৫০ থেকে ৫৫ এবং সাতক্ষীরার গোবিন্দভোগ আম ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যায়। খাঁজা ভান্ডারে প্রতি কেজি বোম্বাই ৪৫ টাকা; আবদুল্লাহ ফল ভান্ডারে প্রতি কেজি স্থানীয় বোম্বাই ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা, গোলাপফাঁস আঁটি ৫৫ থেকে ৬২ টাকায় বিক্রি হয়।আল্লাহর দান ফল ভান্ডারের মালিক চুয়াডাঙ্গা জেলা ফল ও আম ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম জানান, প্রথম দিন হিসেবে শুক্রবার অল্প কিছু স্থানীয় জাতের আম আড়তে তোলা হয়। দাম ভালোই পাওয়া গেছে। তবে সব ধরনের আম পেতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।চুয়াডাঙ্গা শহরের বড়বাজার শহীদ হাসান চত্বরের চটকাতলায় ফলের দোকানগুলোতে ভিনদেশি ফল আপেল, কমলা, আঙুর, আনার ও মাল্টার পাশাপাশি আম সাজিয়ে বিক্রি করতে দেখা যায়। নদীরধার কাঁচাবাজারে খুচরা দোকানে আকারভেদে প্রতি কেজি গোবিন্দভোগ ৮০ থেকে ৮৫ টাকা ও বোম্বাই ৬০ থেকে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা যায়।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা পর্যায়ের একজন কর্মকর্তাকে বাজার থেকে আম কিনতে দেখা যায়। তিনি বলেন, ‘চলতি মৌসুমে আমের ফলন কম হওয়ায় খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে। তাই আমের স্বাদ নিতে বছরের প্রথম দিন কিছু কিনে নিলাম। কারণ, ভবিষ্যতে বেশি দাম দিয়েও বাজারে সুস্বাদু আম পাওয়া না-ও যেতে পারে।