ঢাকা ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত

রিপোর্টার ফয়সাল হোসেন
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:২৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ ১৪২ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার ফয়সাল হোসেন

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন-কে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তাঁর জামাতা সিও’র চাকরির বিনিময়ে এক এয়ারলাইনের সিইও-কে একটি রাষ্ট্র-অর্থায়িত সংস্থায় নিয়োগের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। কী বলা হয়েছে অভিযোগে?

মুনের জামাতা থাই ইস্টার জেট-এ উড়ান সংক্রান্ত কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও চাকরি পান।

তাঁকে উচ্চ বেতন ও আবাসন সুবিধা দেওয়া হয়, যা মুন জে-ইনকে দেওয়া ঘুষ হিসেবে বিবেচনা করছে প্রসিকিউশন।

প্রসিকিউটরদের মতে, এই নিয়োগ “quid pro quo” — অর্থাৎ সুবিধার বিনিময়ে সুবিধা।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

মুনের ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে নিন্দা করেছে।

বর্তমান কার্যকরী প্রেসিডেন্ট হান ডাক-সুর নেতৃত্বাধীন সরকার তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রায় সব সাবেক প্রেসিডেন্টকেই পদত্যাগের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

মুন জে-ইন ছিলেন ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট, যিনি বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা ও দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত ছিলেন।

এই মামলাটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা ও বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
আপনি কী মনে করেন, এটি কি ন্যায়বিচারের পথে পদক্ষেপ, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা?

সুত্র : BBC

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:২৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫

রিপোর্টার ফয়সাল হোসেন

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন-কে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তাঁর জামাতা সিও’র চাকরির বিনিময়ে এক এয়ারলাইনের সিইও-কে একটি রাষ্ট্র-অর্থায়িত সংস্থায় নিয়োগের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। কী বলা হয়েছে অভিযোগে?

মুনের জামাতা থাই ইস্টার জেট-এ উড়ান সংক্রান্ত কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও চাকরি পান।

তাঁকে উচ্চ বেতন ও আবাসন সুবিধা দেওয়া হয়, যা মুন জে-ইনকে দেওয়া ঘুষ হিসেবে বিবেচনা করছে প্রসিকিউশন।

প্রসিকিউটরদের মতে, এই নিয়োগ “quid pro quo” — অর্থাৎ সুবিধার বিনিময়ে সুবিধা।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

মুনের ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে নিন্দা করেছে।

বর্তমান কার্যকরী প্রেসিডেন্ট হান ডাক-সুর নেতৃত্বাধীন সরকার তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রায় সব সাবেক প্রেসিডেন্টকেই পদত্যাগের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

মুন জে-ইন ছিলেন ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট, যিনি বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা ও দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত ছিলেন।

এই মামলাটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা ও বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
আপনি কী মনে করেন, এটি কি ন্যায়বিচারের পথে পদক্ষেপ, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা?

সুত্র : BBC