ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার।

দেশে চলমান আওয়ামী লীগের হাত ধরে ঘটে যাওয়া নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ঢাকা ও আশপাশের জেলায় বিজিবি মোতায়েন

রিপোর্টার: জয়নাল আবদীন
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৩৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫ ৮২ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার: জয়নাল আবদীন

রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের জেলাগুলোতে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, নাশকতা ও বিশৃঙ্খলার ঘটনার প্রেক্ষিতে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) মোতায়েন করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে, জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও সহিংসতার ঘটনা বাড়তে থাকে। সাধারণ মানুষ আতঙ্কে থাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাস্তায় নেমেছে র‍্যাব, পুলিশ এবং বিজিবি সদস্যরা।
ঢাকা মহানগর ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ ও মাদারীপুরসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতেও বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। বিজিবির সদস্যরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে টহল পরিচালনা করছে এবং প্রয়োজনীয় স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন করেছে।
বিজিবি’র জনসংযোগ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “আমরা ইতোমধ্যে সরকারের নির্দেশে মাঠে নেমেছি। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখাই আমাদের মূল দায়িত্ব। কেউ যদি আইন নিজের হাতে তুলে নেয়, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এদিকে সাধারণ জনগণ সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা বলছেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর সহিংসতায় সাধারণ মানুষ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটাই সবচেয়ে জরুরি। বিজিবি মোতায়েনের ফলে অন্তত কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে সকল দলের উচিত সংযম ও সংলাপের মাধ্যমে উত্তেজনা নিরসন করা। তবে মাঠপর্যায়ে সহিংসতা রোধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানই এখন একমাত্র ভরসা।
সরকারের উচ্চ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিজিবির উপস্থিতি সাময়িক হলেও প্রয়োজনে তা বাড়ানো হতে পারে। দেশের মানুষের জান-মালের নিরাপত্তাই সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার।”
বর্তমানে রাজধানী ঢাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মোড়, সরকারি স্থাপনা ও কৌশলগত স্থানে চলছে টহল।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরাও মাঠে কাজ করছে, যাতে দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দেশে চলমান আওয়ামী লীগের হাত ধরে ঘটে যাওয়া নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ঢাকা ও আশপাশের জেলায় বিজিবি মোতায়েন

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৩৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার: জয়নাল আবদীন

রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের জেলাগুলোতে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, নাশকতা ও বিশৃঙ্খলার ঘটনার প্রেক্ষিতে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) মোতায়েন করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে, জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও সহিংসতার ঘটনা বাড়তে থাকে। সাধারণ মানুষ আতঙ্কে থাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাস্তায় নেমেছে র‍্যাব, পুলিশ এবং বিজিবি সদস্যরা।
ঢাকা মহানগর ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ ও মাদারীপুরসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতেও বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। বিজিবির সদস্যরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে টহল পরিচালনা করছে এবং প্রয়োজনীয় স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন করেছে।
বিজিবি’র জনসংযোগ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “আমরা ইতোমধ্যে সরকারের নির্দেশে মাঠে নেমেছি। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখাই আমাদের মূল দায়িত্ব। কেউ যদি আইন নিজের হাতে তুলে নেয়, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এদিকে সাধারণ জনগণ সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা বলছেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর সহিংসতায় সাধারণ মানুষ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটাই সবচেয়ে জরুরি। বিজিবি মোতায়েনের ফলে অন্তত কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে সকল দলের উচিত সংযম ও সংলাপের মাধ্যমে উত্তেজনা নিরসন করা। তবে মাঠপর্যায়ে সহিংসতা রোধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানই এখন একমাত্র ভরসা।
সরকারের উচ্চ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিজিবির উপস্থিতি সাময়িক হলেও প্রয়োজনে তা বাড়ানো হতে পারে। দেশের মানুষের জান-মালের নিরাপত্তাই সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার।”
বর্তমানে রাজধানী ঢাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মোড়, সরকারি স্থাপনা ও কৌশলগত স্থানে চলছে টহল।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরাও মাঠে কাজ করছে, যাতে দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।