ঢাকা ১০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয়া দুর্গোৎসবের সমাপ্ত।

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:৫৫:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫ ৮১ বার পড়া হয়েছে

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

দোলায় চড়ে ফিরে গেলেন দেবী দুর্গা,বিজয়া দশমীর,আনুষ্ঠানিকতা শেষে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে (২রা অক্টোবর)বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে হিন্দুদের বৃহত ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।
দুপুর ২টা থেকে নদীতে ঢাকঢোল বাজিয়ে শুরু হয় একে একে প্রতিমা বিসর্জন।
প্রতিবছরের মতো এবারও বিসর্জনের প্রধান স্থান বুড়ো গৌরাঙ্গ নদী পাশাপাশি ও রাবনাবাদ নদী ঘাটসহ বিভিন্ন এলাকার পুকুরেও দেওয়া হয়েছে বিসর্জন।বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ থেকে বিসর্জনের জন্য প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়। বিসর্জন দেখতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজনও নদীর পাড়ে ভিড় করেন। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সন্ধ্যার আগেই প্রতিমা বিসর্জন শেষ করা হয়।
তিনি আরও জানান, পূজা উদ্যাপন পরিষদের কর্মীদের পাশাপাশি এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও আছেন। প্রশাসনের পক্ষে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। প্রতিমা নিয়ে আসতে যাতে পূজার্থীদের কোনো সমস্যা না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সজাগ ছিল।’ এ বছর কঠোর নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য আমরা সরকার ও প্রশাসনের কাছে কৃতজ্ঞ।
এদিকে পটুয়াখালী জেলা সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তবে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই প্রতিমা নিয়ে বিসর্জনের উদ্দেশ্যে গিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। পুলিশের পক্ষ থেকে তাই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আশাদুর রহমান বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শতাধিক পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও ছিল।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মহালয়ার দিনে দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা সন্তানদের নিয়ে কৈলাসের স্বামীর ঘর থেকে মর্ত্যে গজে চড়ে যাত্রা শুরু করেন। আর বিজয়া দশমীতে দোলায় চড়ে ফিরে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয়া দুর্গোৎসবের সমাপ্ত।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:৫৫:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

দোলায় চড়ে ফিরে গেলেন দেবী দুর্গা,বিজয়া দশমীর,আনুষ্ঠানিকতা শেষে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে (২রা অক্টোবর)বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে হিন্দুদের বৃহত ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।
দুপুর ২টা থেকে নদীতে ঢাকঢোল বাজিয়ে শুরু হয় একে একে প্রতিমা বিসর্জন।
প্রতিবছরের মতো এবারও বিসর্জনের প্রধান স্থান বুড়ো গৌরাঙ্গ নদী পাশাপাশি ও রাবনাবাদ নদী ঘাটসহ বিভিন্ন এলাকার পুকুরেও দেওয়া হয়েছে বিসর্জন।বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ থেকে বিসর্জনের জন্য প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়। বিসর্জন দেখতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজনও নদীর পাড়ে ভিড় করেন। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সন্ধ্যার আগেই প্রতিমা বিসর্জন শেষ করা হয়।
তিনি আরও জানান, পূজা উদ্যাপন পরিষদের কর্মীদের পাশাপাশি এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও আছেন। প্রশাসনের পক্ষে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। প্রতিমা নিয়ে আসতে যাতে পূজার্থীদের কোনো সমস্যা না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সজাগ ছিল।’ এ বছর কঠোর নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য আমরা সরকার ও প্রশাসনের কাছে কৃতজ্ঞ।
এদিকে পটুয়াখালী জেলা সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তবে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই প্রতিমা নিয়ে বিসর্জনের উদ্দেশ্যে গিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। পুলিশের পক্ষ থেকে তাই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আশাদুর রহমান বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শতাধিক পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও ছিল।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মহালয়ার দিনে দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা সন্তানদের নিয়ে কৈলাসের স্বামীর ঘর থেকে মর্ত্যে গজে চড়ে যাত্রা শুরু করেন। আর বিজয়া দশমীতে দোলায় চড়ে ফিরে যান।