ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জয়শ্রীতে মিজান ও লাবিবা পরিবহনকে কেন্দ্র করে যাত্রী ও এলাকাবাসী মুখোমুখি অবস্থান। মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি বোটসহ ২০ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী প্রতিষ্ঠানটির নাম পাল্টে মায়ের নামে করতে রাজি হলেন না প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ায় ৩০ জন বাংলাদেশী যুবককে প্রতারণামূলকভাবে প্রেরণের দায়ে ৩ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স প্রত্যাহার ও জামানত বাজেয়াপ্ত; ফিরিয়ে আনার জোর তৎপরতা পিতৃহারা শাহ আলম খান, শোকাহত সহকর্মীরাশাহ আলম খানের পিতার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ পিতৃহারা শাহ আলম খান, শোকাহত সহকর্মীরা বিএনপির সঙ্গে নেগোসিয়েশনের অভিযোগ, জবাবে যা বললেন তাসনিম জারা ঈদের দ্বিতীয় দিনে গরিব-দুঃস্থদের মাঝে কোরবানির গোশত বিতরণ করলেন ডা. জোবাইদা রহমান শত ব্যস্ততার মাঝেও বাবার সঙ্গে এক কাপ চা, মানবিক মুহূর্তে এমপি ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা কৃষকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে সব সময় বেশি ভেবে থাকেন এমপি ডা: সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা

প্রতিষ্ঠানটির নাম পাল্টে মায়ের নামে করতে রাজি হলেন না প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:২৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার: রফিকুল ইসলাম

ঢাকা: কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে প্রধানমন্ত্রীর মা’র নামে নামকরণের একটি প্রস্তাব সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠিয়েছিল প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। তবে সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জানা গেছে, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং বিদেশগামী কর্মীদের প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমানের মা ও দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের একজনের নামে নামকরণের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। পরে বিষয়টি অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে তা নাকচ করে দেন। তিনি মনে করেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর নামকরণ ব্যক্তিগত বা পারিবারিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং জাতীয় স্বার্থ, ইতিহাস ও প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিচয়ের ধারাবাহিকতা বিবেচনায় হওয়া উচিত।

প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই ইতিবাচকভাবে দেখছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সচেতন মহলের মতে, ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় নিজের পরিবার বা আত্মীয়স্বজনের নামে সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামকরণ না করার সিদ্ধান্ত একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এতে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে বলে তারা মনে করছেন।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা দেখা গেছে। অনেকেই প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে রাষ্ট্রের মর্যাদা ও প্রতিষ্ঠানের স্বকীয়তা রক্ষার একটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নামকরণ ও পরিচয় রক্ষায় এ ধরনের অবস্থান ভবিষ্যতেও একটি ইতিবাচক নজির হিসেবে বিবেচিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রতিষ্ঠানটির নাম পাল্টে মায়ের নামে করতে রাজি হলেন না প্রধানমন্ত্রী

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:২৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

রিপোর্টার: রফিকুল ইসলাম

ঢাকা: কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে প্রধানমন্ত্রীর মা’র নামে নামকরণের একটি প্রস্তাব সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠিয়েছিল প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। তবে সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জানা গেছে, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং বিদেশগামী কর্মীদের প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমানের মা ও দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের একজনের নামে নামকরণের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। পরে বিষয়টি অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে তা নাকচ করে দেন। তিনি মনে করেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর নামকরণ ব্যক্তিগত বা পারিবারিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং জাতীয় স্বার্থ, ইতিহাস ও প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিচয়ের ধারাবাহিকতা বিবেচনায় হওয়া উচিত।

প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই ইতিবাচকভাবে দেখছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সচেতন মহলের মতে, ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় নিজের পরিবার বা আত্মীয়স্বজনের নামে সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামকরণ না করার সিদ্ধান্ত একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এতে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে বলে তারা মনে করছেন।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা দেখা গেছে। অনেকেই প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে রাষ্ট্রের মর্যাদা ও প্রতিষ্ঠানের স্বকীয়তা রক্ষার একটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নামকরণ ও পরিচয় রক্ষায় এ ধরনের অবস্থান ভবিষ্যতেও একটি ইতিবাচক নজির হিসেবে বিবেচিত হবে।