ঢাকা ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান

বাঞ্ছারামপুরে মুক্তিপণ না দেওয়ায় শিশুকে হত্যা, মরদেহ মিললো ডোবায়

এম কে খোকন   ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:২৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

বাঞ্ছারামপুরে মুক্তিপণ না দেওয়ায় শিশুকে হত্যা, মরদেহ মিললো ডোবায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় মুক্তিপণ না পেয়ে ফাতেহা আক্তার (৭) নামের এক কণ্যা শিশুকে হত্যা করেছেন অপহরণকারীরা। পরে মরদেহ ডোবার পানিতে ফেলে রাখে হয়।

সোমবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার দরিয়াদৌলত ইউনিয়নের শুঁটকিকান্দি গ্রামের একটি ডোবা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ফাতেহা আক্তার ওই গ্রামের প্রবাস ফেরত বাছেদ মিয়ার মেয়ে।

 

এ ঘটনায় অভিযুক্ত নিহত শিশুর ফুপাতো ভাই দরিয়াদৌলত গ্রামের রাজ্জাক মিয়ার ছেলে নাজিম (১৯) ও শুঁটকিকান্দি গ্রামের মমিন মিয়ার ছেলে আলাউদ্দিনকে (২১) আটক করেছে পুলিশ।

 

বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরে আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

পুলিশ জানায়, শিশুটি গত ৩০ আগস্ট বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাচ্ছিলেন না। এরই মধ্যে ফোন করে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরণকারীরা। তবে মুক্তিপণ দেয়নি পরিবার। বিষয়টি জানালে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

 

সোমবার সন্ধ্যায় প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ দুই তরুণকে আটক করে। তাদের দুজনের ফোনের শিশুটিকে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবি সংক্রান্ত চ্যাটিং (বার্তা আদান-প্রদান) পাওয়া যায়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে শিশুটিকে হত্যার পর ডোবার পানিতে লুকিয়ে রাখার কথা স্বীকার করেন। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাদের দেখানো ডোবা থেকে শিশু ফাতেহার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওসি নুরে আলম বলেন, আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবার থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাঞ্ছারামপুরে মুক্তিপণ না দেওয়ায় শিশুকে হত্যা, মরদেহ মিললো ডোবায়

নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:২৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩

বাঞ্ছারামপুরে মুক্তিপণ না দেওয়ায় শিশুকে হত্যা, মরদেহ মিললো ডোবায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় মুক্তিপণ না পেয়ে ফাতেহা আক্তার (৭) নামের এক কণ্যা শিশুকে হত্যা করেছেন অপহরণকারীরা। পরে মরদেহ ডোবার পানিতে ফেলে রাখে হয়।

সোমবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার দরিয়াদৌলত ইউনিয়নের শুঁটকিকান্দি গ্রামের একটি ডোবা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ফাতেহা আক্তার ওই গ্রামের প্রবাস ফেরত বাছেদ মিয়ার মেয়ে।

 

এ ঘটনায় অভিযুক্ত নিহত শিশুর ফুপাতো ভাই দরিয়াদৌলত গ্রামের রাজ্জাক মিয়ার ছেলে নাজিম (১৯) ও শুঁটকিকান্দি গ্রামের মমিন মিয়ার ছেলে আলাউদ্দিনকে (২১) আটক করেছে পুলিশ।

 

বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরে আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

পুলিশ জানায়, শিশুটি গত ৩০ আগস্ট বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাচ্ছিলেন না। এরই মধ্যে ফোন করে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরণকারীরা। তবে মুক্তিপণ দেয়নি পরিবার। বিষয়টি জানালে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

 

সোমবার সন্ধ্যায় প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ দুই তরুণকে আটক করে। তাদের দুজনের ফোনের শিশুটিকে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবি সংক্রান্ত চ্যাটিং (বার্তা আদান-প্রদান) পাওয়া যায়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে শিশুটিকে হত্যার পর ডোবার পানিতে লুকিয়ে রাখার কথা স্বীকার করেন। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাদের দেখানো ডোবা থেকে শিশু ফাতেহার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওসি নুরে আলম বলেন, আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবার থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।