ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেরানীগঞ্জের সাবেক আহ্বায়ক আল-আমিন মিনহাজের মায়ের ইন্তেকাল:

রিপোর্টার- মো: মজিবুর রহমান।
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫ ৮৪ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার- মো: মজিবুর রহমান।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেরানীগঞ্জ উপজেলা শাখার সাবেক আহ্বায়ক আল-আমিন মিনহাজের প্রিয় মা ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি কিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন। শনিবার রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুসংবাদে স্থানীয় এলাকাসহ সারাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া।

তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় জনগণ, শিক্ষক, ছাত্রনেতা ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে।
শোকবার্তায় বলা হয়—

“আল-আমিন মিনহাজের প্রিয় আম্মা ছিলেন একজন ধৈর্যশীলা, ধর্মপ্রাণ ও মমতাময়ী নারী। তাঁর মৃত্যু সমাজের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মর্যাদা দান করুন।”

 

বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ বলেন,

“একজন সংগ্রামী নেতাকে গড়ে তোলার পেছনে একজন নিবেদিতপ্রাণ মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। আল-আমিন মিনহাজের মা সেই উদাহরণ হয়ে থাকবেন—যিনি সন্তানকে ন্যায়, আদর্শ ও সমাজ পরিবর্তনের চেতনা শেখিয়েছেন।”

 

তাঁর মৃত্যুতে কেরানীগঞ্জসহ দেশের নানা প্রান্তে প্রিয়জন, শুভানুধ্যায়ী ও আন্দোলনের সহযোদ্ধারা শোকবার্তা পাঠাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনায় চলছে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া।

জনগণ ও শুভানুধ্যায়ীরা মরহুমার রূহের মাগফেরাত কামনা করে বলেন,

“আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করেন। আমিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেরানীগঞ্জের সাবেক আহ্বায়ক আল-আমিন মিনহাজের মায়ের ইন্তেকাল:

নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

রিপোর্টার- মো: মজিবুর রহমান।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেরানীগঞ্জ উপজেলা শাখার সাবেক আহ্বায়ক আল-আমিন মিনহাজের প্রিয় মা ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি কিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন। শনিবার রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুসংবাদে স্থানীয় এলাকাসহ সারাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া।

তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় জনগণ, শিক্ষক, ছাত্রনেতা ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে।
শোকবার্তায় বলা হয়—

“আল-আমিন মিনহাজের প্রিয় আম্মা ছিলেন একজন ধৈর্যশীলা, ধর্মপ্রাণ ও মমতাময়ী নারী। তাঁর মৃত্যু সমাজের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মর্যাদা দান করুন।”

 

বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ বলেন,

“একজন সংগ্রামী নেতাকে গড়ে তোলার পেছনে একজন নিবেদিতপ্রাণ মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। আল-আমিন মিনহাজের মা সেই উদাহরণ হয়ে থাকবেন—যিনি সন্তানকে ন্যায়, আদর্শ ও সমাজ পরিবর্তনের চেতনা শেখিয়েছেন।”

 

তাঁর মৃত্যুতে কেরানীগঞ্জসহ দেশের নানা প্রান্তে প্রিয়জন, শুভানুধ্যায়ী ও আন্দোলনের সহযোদ্ধারা শোকবার্তা পাঠাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনায় চলছে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া।

জনগণ ও শুভানুধ্যায়ীরা মরহুমার রূহের মাগফেরাত কামনা করে বলেন,

“আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করেন। আমিন।