ঢাকা ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বড় ভাইয়ের কামড়ে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু।

(এম কে খোকন) জেলা প্রতিনিধি(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০২৩ ১৯২ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বড় ভাইয়ের কামড়ে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের খাঁটিখাতা গ্রামে বড় ভাইয়ের কামড়ে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সোমবার (২১ আগস্ট) রাতে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে সন্ধ্যার দিকে ওই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত ব্যক্তি সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের খাঁটিহাতা গ্রামের মনসুর আলীর ছেলে গোলাপ মিয়া (৩৫)। তিনি খাঁটিখাতা বাজারের নৈশ প্রহরী ছিলেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি নিহতের বড় ভাই মঞ্জুর আলী (৪২)। তিনি ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গোলাপ সবসময় নেশা করতো। স্থানীয়রা গোলাপকে নেশা করতে মানা করলে খারাপ ব্যবহার করতো। এ কারণে স্থানীয়রা তার বড় ভাই মঞ্জুরের কাছে বিচার দেয়। পরে সোমবার সন্ধ্যার দিকে মঞ্জুর তার ভাই গোলাপকে নেশা না করার জন্য বলে। এ সময় গোলাপ তার বড় ভাইয়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। এ ঘটনা নিয়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে গোলাপ মাটিতে পড়ে যায়। এ সময় মঞ্জুর তার কানে কামড় দিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন। পরে স্থানীয় তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ সময় চিকিৎসক গোলাপের কানে প্রায় ১৫টি সেলাই দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন জানান, পরিবারের সদস্যরা গোলাপকে ঢাকায় না নিয়ে শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। পরে একই দিন রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বড় ভাইয়ের কামড়ে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০২৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বড় ভাইয়ের কামড়ে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের খাঁটিখাতা গ্রামে বড় ভাইয়ের কামড়ে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সোমবার (২১ আগস্ট) রাতে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে সন্ধ্যার দিকে ওই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত ব্যক্তি সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের খাঁটিহাতা গ্রামের মনসুর আলীর ছেলে গোলাপ মিয়া (৩৫)। তিনি খাঁটিখাতা বাজারের নৈশ প্রহরী ছিলেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি নিহতের বড় ভাই মঞ্জুর আলী (৪২)। তিনি ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গোলাপ সবসময় নেশা করতো। স্থানীয়রা গোলাপকে নেশা করতে মানা করলে খারাপ ব্যবহার করতো। এ কারণে স্থানীয়রা তার বড় ভাই মঞ্জুরের কাছে বিচার দেয়। পরে সোমবার সন্ধ্যার দিকে মঞ্জুর তার ভাই গোলাপকে নেশা না করার জন্য বলে। এ সময় গোলাপ তার বড় ভাইয়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। এ ঘটনা নিয়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে গোলাপ মাটিতে পড়ে যায়। এ সময় মঞ্জুর তার কানে কামড় দিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন। পরে স্থানীয় তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ সময় চিকিৎসক গোলাপের কানে প্রায় ১৫টি সেলাই দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন জানান, পরিবারের সদস্যরা গোলাপকে ঢাকায় না নিয়ে শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। পরে একই দিন রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।