ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যৌথ বাহিনীর টহল; আটক ১৭

এম কে খোকন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্যুরো চীফ)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩ ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যৌথ বাহিনীর টহল; আটক ১৭।

 

বিএনপি-জামাতের ডাকা তিনদিনের অবরোধ কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যৌথ বাহিনী মাঠে টহল দিচ্ছে। এ পর্যন্ত বিএনপির ১৭ জন আটক করেছে পুলিশ। মাঠে ছিল না বিএনপি জামাতের কোন নেতাকর্মী।

 

মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) সকাল থেকেই ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব, আনসার সমন্বয়ে দল টহল শুরু করে। তিনদিন অবরোধকে সামনে রাখে মাঠে কাজ করবে এই যৌথ বাহিনী।

 

এদিকে বিএনপি জামাতের ডাকা তিনদিনের অবরোধের প্রথমদিনে কোন প্রভাব নেই জনজীবনে। প্রত্যেকদিনের মত চলছে সব কিছু। তবে পর্যাপ্ত যাত্রী না থাকায় দূরপাল্লার বাস চলাচল করছে না। চলছে রেল সময়মত ।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন বলেন, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ পুলিশ বদ্ধপরিকর। অবরোধকে সামনে রেখে যে কোনো প্রকার নাশকতা এড়াতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সোমবার (৩০অক্টোবর) রাত থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও সড়কে যৌথবাহিনী টহল দিচ্ছে। যৌথ বাহিনীতে বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা আছেন। দুপুর ২ টা পর্যন্ত বিএনপির ১৭ জন নেতা কর্মীকে আটক করা হয়েছে।

 

২৫-বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল সৈয়দ আরমান আরিফ বলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীতে বিজিবির সদস্যরাও কাজ করছে। জেলার মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে টহল দেওয়া হবে।

 

উল্লেখ্য, ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে পৃথক সমাবেশের ডাক দেয় বিএনপি ও জামায়াত। ওই দিন পুলিশের সঙ্গে বিএনপির ব্যাপক সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় এক পুলিশ সদস্য নিহত হন। আহত হন অনেকে। পরদিন ২৯ অক্টোবর দেশব্যাপী সকাল সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেয় বিএনপি ও জামায়াত। হরতাল শেষে রাতে ৩১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত সড়ক, রেলপথ ও নৌপথে অবরোধের ঘোষণা দেয় বিএনপি। জামায়াতও পৃথক ভাবে একই সময়ে অবরোধের ঘোষণা করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানমালের নিরাপত্তায় কাজ শুরু করেছে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যৌথ বাহিনীর টহল; আটক ১৭

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যৌথ বাহিনীর টহল; আটক ১৭।

 

বিএনপি-জামাতের ডাকা তিনদিনের অবরোধ কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যৌথ বাহিনী মাঠে টহল দিচ্ছে। এ পর্যন্ত বিএনপির ১৭ জন আটক করেছে পুলিশ। মাঠে ছিল না বিএনপি জামাতের কোন নেতাকর্মী।

 

মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) সকাল থেকেই ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব, আনসার সমন্বয়ে দল টহল শুরু করে। তিনদিন অবরোধকে সামনে রাখে মাঠে কাজ করবে এই যৌথ বাহিনী।

 

এদিকে বিএনপি জামাতের ডাকা তিনদিনের অবরোধের প্রথমদিনে কোন প্রভাব নেই জনজীবনে। প্রত্যেকদিনের মত চলছে সব কিছু। তবে পর্যাপ্ত যাত্রী না থাকায় দূরপাল্লার বাস চলাচল করছে না। চলছে রেল সময়মত ।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন বলেন, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ পুলিশ বদ্ধপরিকর। অবরোধকে সামনে রেখে যে কোনো প্রকার নাশকতা এড়াতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সোমবার (৩০অক্টোবর) রাত থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও সড়কে যৌথবাহিনী টহল দিচ্ছে। যৌথ বাহিনীতে বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা আছেন। দুপুর ২ টা পর্যন্ত বিএনপির ১৭ জন নেতা কর্মীকে আটক করা হয়েছে।

 

২৫-বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল সৈয়দ আরমান আরিফ বলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীতে বিজিবির সদস্যরাও কাজ করছে। জেলার মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে টহল দেওয়া হবে।

 

উল্লেখ্য, ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে পৃথক সমাবেশের ডাক দেয় বিএনপি ও জামায়াত। ওই দিন পুলিশের সঙ্গে বিএনপির ব্যাপক সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় এক পুলিশ সদস্য নিহত হন। আহত হন অনেকে। পরদিন ২৯ অক্টোবর দেশব্যাপী সকাল সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেয় বিএনপি ও জামায়াত। হরতাল শেষে রাতে ৩১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত সড়ক, রেলপথ ও নৌপথে অবরোধের ঘোষণা দেয় বিএনপি। জামায়াতও পৃথক ভাবে একই সময়ে অবরোধের ঘোষণা করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানমালের নিরাপত্তায় কাজ শুরু করেছে