ঢাকা ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

মর্যাদার প্রতীক—জিয়া পরিবার বাংলাদেশের সামাজিক সংস্কৃতিতে এক অনন্য উদাহরণ

রিপোর্টার: রফিকুল ইসলাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫০ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্ট: রফিকুল ইসলাম

বাংলাদেশের রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতিতে শালীনতা, ব্যক্তিত্ব এবং পারিবারিক মূল্যবোধের যে অনন্য আদর্শ দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত—জিয়া পরিবার তার অন্যতম উজ্জ্বল উদাহরণ। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকার পরও এই পরিবারের প্রতিটি সদস্যের চলন-বলন, নীরবতা, শালীনতা ও ব্যক্তিত্ব দেশের মানুষের মনে গভীর শ্রদ্ধা তৈরি করেছে।
জিয়া পরিবারের বিশেষ দৃষ্টান্ত হলো—এ পরিবারে আছেন দু’জন বউ-মা এবং তিনজন নাতনি। অথচ আধুনিক যুগের নানামুখী বিতর্কিত পরিবেশেও কখনো তাদের কাউকে কোনো কেলেঙ্কারি, অশালীনতা বা সোশ্যাল মিডিয়া–নির্ভর নেতিবাচক আলোচনায় জড়াতে দেখা যায়নি। নাইটক্লাবের ছবি, ভাইরাল সেলফি বা ট্রেন্ডের পেছনে দৌড়ানো—এসব কোনো কিছুই তাদের জীবনে স্থান পায়নি।
অথচ তারা বড় হয়েছেন লন্ডনের মত আধুনিক ও স্বাধীন পরিবেশে—ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে। যে বয়সে আজকের বহু তরুণ-তরুণী নিজেদের তুলে ধরতে নানা ধরনের কন্টেন্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার চেষ্টা করে, সেই বয়সেই জিয়া পরিবারের সন্তানরা ছিলেন নীরব, ভদ্র, মার্জিত এবং মূল্যবোধে দৃঢ়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিবারের “ব্র্যান্ড ভ্যালু”—
• টাকা দিয়ে কেনা যায় না,
• মেকআপ বা বিলাসী জীবনযাপন দিয়ে বানানো যায় না,
• মিডিয়ার আলো কিংবা প্রচারণা দিয়েও তৈরি করা যায় না।
এটি গড়ে ওঠে দীর্ঘ সময় ধরে পারিবারিক শিক্ষা, মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও ব্যক্তিত্বের ভিত্তিতে।
রাজনীতি থেকে অনেক দূরে, তবুও জনগণের ভালোবাসা অর্জন করা—এ এক ভিন্ন মাত্রার সাফল্য। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেক পরিবার আলোচনায় আসলেও জিয়া পরিবার সামাজিকভাবে যে অনাবিল মর্যাদা ধরে রাখতে পেরেছে, তা সত্যিই অনন্য।
বাংলাদেশের সামাজিক সংস্কৃতিতে শালীনতা, নীরব শক্তি, ব্যক্তিত্ব ও অভিজাত আচরণের যে রুচিশীল মিশেল—জিয়া পরিবার আজ তার একটি জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মর্যাদার প্রতীক—জিয়া পরিবার বাংলাদেশের সামাজিক সংস্কৃতিতে এক অনন্য উদাহরণ

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

রিপোর্ট: রফিকুল ইসলাম

বাংলাদেশের রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতিতে শালীনতা, ব্যক্তিত্ব এবং পারিবারিক মূল্যবোধের যে অনন্য আদর্শ দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত—জিয়া পরিবার তার অন্যতম উজ্জ্বল উদাহরণ। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকার পরও এই পরিবারের প্রতিটি সদস্যের চলন-বলন, নীরবতা, শালীনতা ও ব্যক্তিত্ব দেশের মানুষের মনে গভীর শ্রদ্ধা তৈরি করেছে।
জিয়া পরিবারের বিশেষ দৃষ্টান্ত হলো—এ পরিবারে আছেন দু’জন বউ-মা এবং তিনজন নাতনি। অথচ আধুনিক যুগের নানামুখী বিতর্কিত পরিবেশেও কখনো তাদের কাউকে কোনো কেলেঙ্কারি, অশালীনতা বা সোশ্যাল মিডিয়া–নির্ভর নেতিবাচক আলোচনায় জড়াতে দেখা যায়নি। নাইটক্লাবের ছবি, ভাইরাল সেলফি বা ট্রেন্ডের পেছনে দৌড়ানো—এসব কোনো কিছুই তাদের জীবনে স্থান পায়নি।
অথচ তারা বড় হয়েছেন লন্ডনের মত আধুনিক ও স্বাধীন পরিবেশে—ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে। যে বয়সে আজকের বহু তরুণ-তরুণী নিজেদের তুলে ধরতে নানা ধরনের কন্টেন্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার চেষ্টা করে, সেই বয়সেই জিয়া পরিবারের সন্তানরা ছিলেন নীরব, ভদ্র, মার্জিত এবং মূল্যবোধে দৃঢ়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিবারের “ব্র্যান্ড ভ্যালু”—
• টাকা দিয়ে কেনা যায় না,
• মেকআপ বা বিলাসী জীবনযাপন দিয়ে বানানো যায় না,
• মিডিয়ার আলো কিংবা প্রচারণা দিয়েও তৈরি করা যায় না।
এটি গড়ে ওঠে দীর্ঘ সময় ধরে পারিবারিক শিক্ষা, মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও ব্যক্তিত্বের ভিত্তিতে।
রাজনীতি থেকে অনেক দূরে, তবুও জনগণের ভালোবাসা অর্জন করা—এ এক ভিন্ন মাত্রার সাফল্য। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেক পরিবার আলোচনায় আসলেও জিয়া পরিবার সামাজিকভাবে যে অনাবিল মর্যাদা ধরে রাখতে পেরেছে, তা সত্যিই অনন্য।
বাংলাদেশের সামাজিক সংস্কৃতিতে শালীনতা, নীরব শক্তি, ব্যক্তিত্ব ও অভিজাত আচরণের যে রুচিশীল মিশেল—জিয়া পরিবার আজ তার একটি জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।