ঢাকা ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

মানুষের সাথে সংযোগই নেতৃত্বের মূল শক্তি: শেরপুর-১ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা. প্রিয়াঙ্কা

রিপোর্টার: নাজমা বেগম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৫৮:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫ ১০৫ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার: নাজমা বেগম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ (শেরপুর সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা বলেছেন, “মানুষের সাথে হৃদয়ের সংযোগই নেতৃত্বের মূল শক্তি। রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতার প্রতিযোগিতা নয়, মানুষের সেবা ও ভালোবাসার বন্ধন।”
শনিবার দুপুরে শেরপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগকালে তিনি এ কথা বলেন। স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি ডা. প্রিয়াঙ্কা মানুষের সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
তিনি আরও বলেন, “আমার রাজনীতি মানুষের মুখে হাসি ফেরানোর রাজনীতি। শিশুর নিরাপত্তা, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানই হবে আমার প্রধান অঙ্গীকার। আমি বিশ্বাস করি, মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাই একটি প্রকৃত নেতার সবচেয়ে বড় পুঁজি।”
গণসংযোগে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তরুণ ও শিক্ষিত প্রার্থী হিসেবে ডা. প্রিয়াঙ্কার মধ্যে তারা নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বের সম্ভাবনা দেখছেন। একজন চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘদিন মানুষের সেবা করে আসা প্রিয়াঙ্কা এখন রাজনীতির মাধ্যমে বৃহত্তর পরিসরে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।
ডা. প্রিয়াঙ্কা বলেন, “আমার কাছে রাজনীতি মানে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করা। জনগণই আমার শক্তি, তাদের সাথে সংযোগই আমার অনুপ্রেরণা। শেরপুরের প্রতিটি শিশুর হাসি, প্রতিটি নারীর নিরাপত্তা, প্রতিটি তরুণের স্বপ্নই আমার রাজনৈতিক পথচলার ভিত্তি।”
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন, “আসন্ন নির্বাচনে যদি জনগণ সুযোগ দেয়, তবে আমি শেরপুরকে একটি উন্নত, নিরাপদ ও মানবিক জেলার রূপ দিতে চাই।”
শেরপুর জেলাবাসীও এই তরুণ প্রার্থীর প্রতি আস্থা রাখছে—এমনটাই জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল। তাদের মতে, পরিবর্তনের সময় এসেছে, আর ডা. প্রিয়াঙ্কা সেই পরিবর্তনের প্রতীক হতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মানুষের সাথে সংযোগই নেতৃত্বের মূল শক্তি: শেরপুর-১ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা. প্রিয়াঙ্কা

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৫৮:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার: নাজমা বেগম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ (শেরপুর সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা বলেছেন, “মানুষের সাথে হৃদয়ের সংযোগই নেতৃত্বের মূল শক্তি। রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতার প্রতিযোগিতা নয়, মানুষের সেবা ও ভালোবাসার বন্ধন।”
শনিবার দুপুরে শেরপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগকালে তিনি এ কথা বলেন। স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি ডা. প্রিয়াঙ্কা মানুষের সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
তিনি আরও বলেন, “আমার রাজনীতি মানুষের মুখে হাসি ফেরানোর রাজনীতি। শিশুর নিরাপত্তা, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানই হবে আমার প্রধান অঙ্গীকার। আমি বিশ্বাস করি, মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাই একটি প্রকৃত নেতার সবচেয়ে বড় পুঁজি।”
গণসংযোগে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তরুণ ও শিক্ষিত প্রার্থী হিসেবে ডা. প্রিয়াঙ্কার মধ্যে তারা নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বের সম্ভাবনা দেখছেন। একজন চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘদিন মানুষের সেবা করে আসা প্রিয়াঙ্কা এখন রাজনীতির মাধ্যমে বৃহত্তর পরিসরে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।
ডা. প্রিয়াঙ্কা বলেন, “আমার কাছে রাজনীতি মানে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করা। জনগণই আমার শক্তি, তাদের সাথে সংযোগই আমার অনুপ্রেরণা। শেরপুরের প্রতিটি শিশুর হাসি, প্রতিটি নারীর নিরাপত্তা, প্রতিটি তরুণের স্বপ্নই আমার রাজনৈতিক পথচলার ভিত্তি।”
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন, “আসন্ন নির্বাচনে যদি জনগণ সুযোগ দেয়, তবে আমি শেরপুরকে একটি উন্নত, নিরাপদ ও মানবিক জেলার রূপ দিতে চাই।”
শেরপুর জেলাবাসীও এই তরুণ প্রার্থীর প্রতি আস্থা রাখছে—এমনটাই জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল। তাদের মতে, পরিবর্তনের সময় এসেছে, আর ডা. প্রিয়াঙ্কা সেই পরিবর্তনের প্রতীক হতে পারেন।