ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

রংপুর গেলেন এডিসি হারুন।

রাশেদ কবির (বিশেষ প্রতিনিধি)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৪:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১১৫ বার পড়া হয়েছে

 

রংপুর গেলেন এডিসি হারুন, বাড়ল তদন্তে সময়

এডিসি হারুন ও এডিসি সানজিদা আফরিন।

 

থানায় নিয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে এডিসি হারুন কর্তৃক মারধরের ঘটনায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তদন্ত কমিটির সময় আরো তিন কার্যদিবস বাড়ানো হয়েছে।

রবিবার রাতে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার কে এন রায় নিয়তি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

এদিকে, গত ১২ সেপ্টেম্বর সাময়িক বরখাস্ত হওয়া রমনা জোনের সাবেক এডিসি হারুন ২০ সেপ্টেম্বর রংপুর রেঞ্জে যোগদান করেছেন। আদেশের এক সপ্তাহ পর তিনি সেখানে যান।

 

 

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গঠিত তদন্ত কমিটির সভাপতি ডিএমপি সদর দপ্তরের উপ-পুলিশ কমিশনার আবু ইউসুফ। অপর দুই সদস্য হলেন- রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার শাহেন শাহ এবং অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম

 

গত ৯ সেপ্টেম্বর রাতে বারডেম হাসপাতাল থেকে তুলে নিয়ে শাহবাগ থানায় আটকে ছাত্রলীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নেতাকে ব্যাপক মারধর করা হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পুলিশের রমনা বিভাগের তৎকালীন এডিসি হারুন অর রশিদ এই মারধরে নেতৃত্ব দেন। পরে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ ঘটনায় শাহবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) গোলাম মোস্তফাকেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

 

এদিকে, ঘটনার সূত্রপাতের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হকের স্ত্রী ডিএমপির এডিসি সানজিদা আফরিন এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি চিকিৎসা নিতে ওই দিন সন্ধ্যায় বারডেম হাসপাতালে গিয়েছিলেন। চিকিৎসকের সাক্ষাৎ পেতে তিনি সহকর্মী হিসেবে এডিসি হারুন অর রশিদের সহায়তা নেন। এ সময় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে এসে এডিসি হারুনকে মারধর করেন তার স্বামী আজিজুল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রংপুর গেলেন এডিসি হারুন।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৪:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

 

রংপুর গেলেন এডিসি হারুন, বাড়ল তদন্তে সময়

এডিসি হারুন ও এডিসি সানজিদা আফরিন।

 

থানায় নিয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে এডিসি হারুন কর্তৃক মারধরের ঘটনায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তদন্ত কমিটির সময় আরো তিন কার্যদিবস বাড়ানো হয়েছে।

রবিবার রাতে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার কে এন রায় নিয়তি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

এদিকে, গত ১২ সেপ্টেম্বর সাময়িক বরখাস্ত হওয়া রমনা জোনের সাবেক এডিসি হারুন ২০ সেপ্টেম্বর রংপুর রেঞ্জে যোগদান করেছেন। আদেশের এক সপ্তাহ পর তিনি সেখানে যান।

 

 

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গঠিত তদন্ত কমিটির সভাপতি ডিএমপি সদর দপ্তরের উপ-পুলিশ কমিশনার আবু ইউসুফ। অপর দুই সদস্য হলেন- রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার শাহেন শাহ এবং অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম

 

গত ৯ সেপ্টেম্বর রাতে বারডেম হাসপাতাল থেকে তুলে নিয়ে শাহবাগ থানায় আটকে ছাত্রলীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নেতাকে ব্যাপক মারধর করা হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পুলিশের রমনা বিভাগের তৎকালীন এডিসি হারুন অর রশিদ এই মারধরে নেতৃত্ব দেন। পরে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ ঘটনায় শাহবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) গোলাম মোস্তফাকেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

 

এদিকে, ঘটনার সূত্রপাতের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হকের স্ত্রী ডিএমপির এডিসি সানজিদা আফরিন এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি চিকিৎসা নিতে ওই দিন সন্ধ্যায় বারডেম হাসপাতালে গিয়েছিলেন। চিকিৎসকের সাক্ষাৎ পেতে তিনি সহকর্মী হিসেবে এডিসি হারুন অর রশিদের সহায়তা নেন। এ সময় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে এসে এডিসি হারুনকে মারধর করেন তার স্বামী আজিজুল।