ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

রক্তে কসম দিয়ে ভারতকে মাহমুদুর রহমানের কড়া হুঁশিয়ারি ২৫ তারিখের মধ্যে অপরাধীকে বাংলাদেশে পাঠানোর দাবি

রিপোর্টার: রফিকুল ইসলাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৩৩:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২৯ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার : রফিকুল ইসলাম

ঢাকা: বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ভারতকে উদ্দেশ করে রক্তে কসম দিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ওসমান হাদী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, আগামী ২৫ তারিখের মধ্যে অভিযুক্ত মাহমুদুর রহমানকে বাংলাদেশে ফেরত না পাঠানো হলে এর দায়ভার ভারতকেই নিতে হবে।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর এক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে ওসমান হাদী বলেন, “আমি রক্তে কসম করে বলছি—এই দেশের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের বিচার এই দেশের মাটিতেই হবে। মাহমুদুর রহমান একজন অপরাধী। তাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত বন্ধুত্বের পরিচয় দিতে পারে না।”

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কোনোভাবেই অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে অন্য কোনো দেশকে মেনে নেবে না। দুই দেশের বন্ধুত্ব ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

ওসমান হাদীর অভিযোগ, মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশে সংঘটিত গুরুতর অপরাধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার পরও দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় ভূখণ্ডে অবস্থান করছেন। এতে বাংলাদেশের জনগণের মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে।

তিনি বলেন, “২৫ তারিখের মধ্যে যদি তাকে বাংলাদেশে হস্তান্তর করা না হয়, তাহলে আমরা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হব। এই দাবি কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, এটি ন্যায়বিচারের দাবি।”

সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীরাও এ বক্তব্যের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং সরকারের প্রতি বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জোরালোভাবে উত্থাপনের আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে কূটনৈতিক মহল মনে করছে, বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো সিদ্ধান্ত না এলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রক্তে কসম দিয়ে ভারতকে মাহমুদুর রহমানের কড়া হুঁশিয়ারি ২৫ তারিখের মধ্যে অপরাধীকে বাংলাদেশে পাঠানোর দাবি

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৩৩:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার : রফিকুল ইসলাম

ঢাকা: বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ভারতকে উদ্দেশ করে রক্তে কসম দিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ওসমান হাদী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, আগামী ২৫ তারিখের মধ্যে অভিযুক্ত মাহমুদুর রহমানকে বাংলাদেশে ফেরত না পাঠানো হলে এর দায়ভার ভারতকেই নিতে হবে।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর এক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে ওসমান হাদী বলেন, “আমি রক্তে কসম করে বলছি—এই দেশের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের বিচার এই দেশের মাটিতেই হবে। মাহমুদুর রহমান একজন অপরাধী। তাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত বন্ধুত্বের পরিচয় দিতে পারে না।”

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কোনোভাবেই অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে অন্য কোনো দেশকে মেনে নেবে না। দুই দেশের বন্ধুত্ব ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

ওসমান হাদীর অভিযোগ, মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশে সংঘটিত গুরুতর অপরাধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার পরও দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় ভূখণ্ডে অবস্থান করছেন। এতে বাংলাদেশের জনগণের মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে।

তিনি বলেন, “২৫ তারিখের মধ্যে যদি তাকে বাংলাদেশে হস্তান্তর করা না হয়, তাহলে আমরা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হব। এই দাবি কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, এটি ন্যায়বিচারের দাবি।”

সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীরাও এ বক্তব্যের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং সরকারের প্রতি বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জোরালোভাবে উত্থাপনের আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে কূটনৈতিক মহল মনে করছে, বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো সিদ্ধান্ত না এলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।