ঢাকা ১০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

শিক্ষকদের জীবনমানের উন্নয়ন দাবি, আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষকরা

রিপোর্টার: মাহাবুব আলম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:৪৩:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫ ৭৩ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার: মাহাবুব আলম

স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশের শিক্ষকদের জীবনমানের উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন ঘটেনি—এমন অভিযোগ তুলে আবারও আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষকরা। তাদের দাবি, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ১২,৫০০ টাকার মূল বেতনে একজন শিক্ষক বা তার পরিবারের ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়।
শিক্ষকরা বলেন, দেশের উন্নয়নের প্রতিটি ধাপে শিক্ষক সমাজের অবদান অপরিসীম। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজও তারা জীবিকার অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন পার করছেন। “একজন শিক্ষক সমাজ গঠনের কারিগর, অথচ তারই জীবনে নেমে এসেছে অন্ধকার,”—এমন ক্ষোভ প্রকাশ করেন আন্দোলনরত এক শিক্ষক।
বিক্ষুব্ধ শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও শিক্ষক সমাজের আর্থ-সামাজিক অবস্থার কোনো উন্নতি ঘটেনি। বাড়িভাড়া, বাজারমূল্য, চিকিৎসা ও শিক্ষাসহ প্রতিটি খাতে ব্যয় ব্যাপকভাবে বেড়ে গেলেও তাদের বেতন কাঠামো সেই অনুপাতে বাড়েনি।
তারা বলেন, “১২,৫০০ টাকায় পরিবার চালানো তো দূরের কথা, মাসের মাঝামাঝি থেকেই আমাদের ঋণ নিতে হয়। অনেক শিক্ষক বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টিউশনি বা পার্ট-টাইম কাজ করছেন।”
শিক্ষক নেতারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলার দায়িত্ব শিক্ষকদের হাতে। তাই তাদের ন্যায্য বেতন ও সম্মান নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। দ্রুত বেতন কাঠামো পুনর্বিবেচনা, উৎসব ভাতা ও পেনশন সুবিধাসহ শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক সংগঠনগুলোর ব্যানারে শিক্ষকরা মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি ও প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করছেন। তাদের একটাই স্লোগান—
“ন্যায্য বেতন চাই, মর্যাদাপূর্ণ জীবন চাই।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শিক্ষকদের জীবনমানের উন্নয়ন দাবি, আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষকরা

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:৪৩:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

রিপোর্টার: মাহাবুব আলম

স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশের শিক্ষকদের জীবনমানের উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন ঘটেনি—এমন অভিযোগ তুলে আবারও আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষকরা। তাদের দাবি, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ১২,৫০০ টাকার মূল বেতনে একজন শিক্ষক বা তার পরিবারের ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়।
শিক্ষকরা বলেন, দেশের উন্নয়নের প্রতিটি ধাপে শিক্ষক সমাজের অবদান অপরিসীম। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজও তারা জীবিকার অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন পার করছেন। “একজন শিক্ষক সমাজ গঠনের কারিগর, অথচ তারই জীবনে নেমে এসেছে অন্ধকার,”—এমন ক্ষোভ প্রকাশ করেন আন্দোলনরত এক শিক্ষক।
বিক্ষুব্ধ শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও শিক্ষক সমাজের আর্থ-সামাজিক অবস্থার কোনো উন্নতি ঘটেনি। বাড়িভাড়া, বাজারমূল্য, চিকিৎসা ও শিক্ষাসহ প্রতিটি খাতে ব্যয় ব্যাপকভাবে বেড়ে গেলেও তাদের বেতন কাঠামো সেই অনুপাতে বাড়েনি।
তারা বলেন, “১২,৫০০ টাকায় পরিবার চালানো তো দূরের কথা, মাসের মাঝামাঝি থেকেই আমাদের ঋণ নিতে হয়। অনেক শিক্ষক বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টিউশনি বা পার্ট-টাইম কাজ করছেন।”
শিক্ষক নেতারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলার দায়িত্ব শিক্ষকদের হাতে। তাই তাদের ন্যায্য বেতন ও সম্মান নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। দ্রুত বেতন কাঠামো পুনর্বিবেচনা, উৎসব ভাতা ও পেনশন সুবিধাসহ শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক সংগঠনগুলোর ব্যানারে শিক্ষকরা মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি ও প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করছেন। তাদের একটাই স্লোগান—
“ন্যায্য বেতন চাই, মর্যাদাপূর্ণ জীবন চাই।”