ঢাকা ০৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন

সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত নকল নবীশদের চাকরী স্থায়ীকরণের দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট।

স্টাফ রিপোর্টার সাদিয়া আক্তার।
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:৫২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪ ১০৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ এক্সট্রা-মোহরার (নকল নবিস) এসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ও বৈষম্য বিরোধী নকল নবীস দাবী আদায় পরিষদ এর পক্ষ থেকে অবস্থান ধর্মঘট পালিত হয়েছে।২০ অক্টোবর(রবিবার) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দিনভর এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসময় বক্তারা বলেন,

 

“স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে মহান সংসদ সহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ ও কর্মকর্তাগণ নকল নবীশদের চাকুরী জাতীয়করণের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এরপর বহু সরকারের পালাবাদল ঘটে। কিন্তু নকল নবীশদের খোঁজ কেউ রাখেনি।”

 

তারা আরো জানায়,

“আশার আলো নিয়ে নকল নবীশরা এখনও স্বপ্ন দেখেন বর্তমান সরকারের দায়িত্বরত মহান ব্যক্তিবর্গগণ নকল নবীপদের একদফা দাবী চাকুরী জাতীয়করণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন। বিধিবাম বিভিন্ন সময়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি আজোও বাস্তবায়ন করা হয়নি।

 

দেশের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাইকোর্ট, সুপ্রীমকোর্ট এর নকল নবীশ মিডওয়াইফারি নার্সদেরকেও রাজস্ব খাতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। কিন্তু আইন মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন অধিদপ্তরের নকল নবীশদের বিষয়টি আজো সংশ্লিষ্ট দপ্তর আমলে নেননি। সকল নবীশরা সরকারি কোন বেতন ভাতা পান না। সমাজের মানুষ জানে তারা সরকারি চাকুরী করেন। কিন্তু বাস্তবে নকল নবীশরা জমির দলিলের এক পৃষ্ঠা বালামে লেখলে মাত্র ২৪ টাকা মজুরি পায়। প্রকৃতপক্ষে এক পৃষ্ঠা বালাম লেখার জন্য জনগণের কাছ থেকে সরকার রাজস্ব নেয় ৪০ টাকা। সেখান থেকে নকল নবীশদের দেয়া হচ্ছে ২৪ টাকা। বাকি ১৬ টাকা রাজস্ব খাতে জমা হচ্ছে। নকল নবীশরা টাকা দিয়েই তাদের চাকুরী স্থায়ীকরণ করা সম্ভব। নকল নবীশদের দীর্ঘদিনের দাবি চাকুরী স্থায়ী করা হোক। কিন্তু সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার অভাবে আমরা আজও অন্ধকারেই রয়ে গেছি।আইন ও বিচার বিভাগের নিবন্ধন অধিদপ্তর দেশের ২য় বৃহত্তম রাজস্ব আদায়কারী প্রতিষ্ঠান। এটি রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর, আমরাই জনগণের ভূমি নিবন্ধনের স্থায়ী রেকর্ড করে থাকি। অনেক আগেই সকল নবীশদের চাকুরী রাজস্ব খাতে দেয়া উচিত ছিলো।

 

বাংলাদেশ এক্সট্রা-মোহরার

(নকল নবিস) এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা, মাননীয় আইন উপদেষ্টা, সচিব মহোদয়, আইজিআর মহোদয়গণদের নিকট চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে স্মারকলিপিতে প্রদান করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত নকল নবীশদের চাকরী স্থায়ীকরণের দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:৫২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪

বাংলাদেশ এক্সট্রা-মোহরার (নকল নবিস) এসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ও বৈষম্য বিরোধী নকল নবীস দাবী আদায় পরিষদ এর পক্ষ থেকে অবস্থান ধর্মঘট পালিত হয়েছে।২০ অক্টোবর(রবিবার) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দিনভর এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসময় বক্তারা বলেন,

 

“স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে মহান সংসদ সহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ ও কর্মকর্তাগণ নকল নবীশদের চাকুরী জাতীয়করণের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এরপর বহু সরকারের পালাবাদল ঘটে। কিন্তু নকল নবীশদের খোঁজ কেউ রাখেনি।”

 

তারা আরো জানায়,

“আশার আলো নিয়ে নকল নবীশরা এখনও স্বপ্ন দেখেন বর্তমান সরকারের দায়িত্বরত মহান ব্যক্তিবর্গগণ নকল নবীপদের একদফা দাবী চাকুরী জাতীয়করণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন। বিধিবাম বিভিন্ন সময়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি আজোও বাস্তবায়ন করা হয়নি।

 

দেশের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাইকোর্ট, সুপ্রীমকোর্ট এর নকল নবীশ মিডওয়াইফারি নার্সদেরকেও রাজস্ব খাতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। কিন্তু আইন মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন অধিদপ্তরের নকল নবীশদের বিষয়টি আজো সংশ্লিষ্ট দপ্তর আমলে নেননি। সকল নবীশরা সরকারি কোন বেতন ভাতা পান না। সমাজের মানুষ জানে তারা সরকারি চাকুরী করেন। কিন্তু বাস্তবে নকল নবীশরা জমির দলিলের এক পৃষ্ঠা বালামে লেখলে মাত্র ২৪ টাকা মজুরি পায়। প্রকৃতপক্ষে এক পৃষ্ঠা বালাম লেখার জন্য জনগণের কাছ থেকে সরকার রাজস্ব নেয় ৪০ টাকা। সেখান থেকে নকল নবীশদের দেয়া হচ্ছে ২৪ টাকা। বাকি ১৬ টাকা রাজস্ব খাতে জমা হচ্ছে। নকল নবীশরা টাকা দিয়েই তাদের চাকুরী স্থায়ীকরণ করা সম্ভব। নকল নবীশদের দীর্ঘদিনের দাবি চাকুরী স্থায়ী করা হোক। কিন্তু সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার অভাবে আমরা আজও অন্ধকারেই রয়ে গেছি।আইন ও বিচার বিভাগের নিবন্ধন অধিদপ্তর দেশের ২য় বৃহত্তম রাজস্ব আদায়কারী প্রতিষ্ঠান। এটি রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর, আমরাই জনগণের ভূমি নিবন্ধনের স্থায়ী রেকর্ড করে থাকি। অনেক আগেই সকল নবীশদের চাকুরী রাজস্ব খাতে দেয়া উচিত ছিলো।

 

বাংলাদেশ এক্সট্রা-মোহরার

(নকল নবিস) এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা, মাননীয় আইন উপদেষ্টা, সচিব মহোদয়, আইজিআর মহোদয়গণদের নিকট চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে স্মারকলিপিতে প্রদান করা হয়েছে।