ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জৈন্তাপুরে প্রশাসক পদে আলোচনায় তরুণ ছাত্রনেতা কয়েস আহমদ ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল সৌদি আরব খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮,

কেরুর খামারের জমি লীজে অনিয়ম,লীজের টাকা ফার্ম ইনচার্জের পকেটে

মো: মহিবুল ইসলাম খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:৫৯:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪ ১২১ বার পড়া হয়েছে

দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোম্পানির আখ চাষের ২ একর ৫ শতক জমি লিজ দিয়ে ৭২ হাজার টাকা নিজ পকেটস্থ করার অভিযোগ উঠেছে কেরু কোম্পানির প্রভাবশালী খামার ইনচার্জ এমদাদুল হকের বিরুদ্ধে। তিনি কেরু কোম্পানির ডিহি কেষ্টপুর খামার ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত আছেন। ডিহি কেষ্টপুর খামারের ইনচার্জ হওয়ার প্রভাব খাটিয়ে খোরশেদপুর খামারের কেরু কোম্পানি মালিকাধীন আখ চাষের জমি টেন্ডার ছাড়াই লীজ দিয়ে নগদ ৭২ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন এমদাদুল হক। এ ঘটনায় হতবাক স্থানীয় কৃষকরা।দর্শনা কেরু অ্যন্ড কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, কেরু অ্যান্ড কোম্পানির নিজস্ব মালিকানায় আখ চাষের জন্য প্রায় ৩ হাজার ৫৫৮ একর জমি আছে। তারমধ্যে ৯ টি বাণিজ্যিক খামারের আওতায় ৩ হাজার ৩৮৮ একর ও ১ টি পরীক্ষামূলক খামার রয়েছে।স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, এর আগে প্রভাবশালী ফার্ম ইনচার্জ এমদাদুল হক খোরশেদপুর খামারের দায়িত্বে ছিলেন। খোরশেদপুরে থাকাকালীন তিনি বিভিন্ন কৃষকের কাছে জমি লীজ দিয়ে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি ডিহি খামারে কর্মরত। ডিহি কেষ্টপুর খামারে দায়িত্বরত থাকলেও খোরশেদপুর খামারের এন ব্লকে ২২ একর আখ চাষের জমির মধ্যে ২ একর ৫ শতক জমি লীজ দিয়েছেন তিনি। এজন্য নিজের পকেটস্থ হয়েছে ৭২ হাজার টাকা।সূত্র জানিয়েছে, লীজ গ্রহীতা জীবনের কাছে থেকে ৪ বিঘা জমি বাবদ ৩৬ হাজার টাকা, মোহাম্মদের কাছ ১৫ কাঠা জমির জন্য ১০ হাজার টাকা, মজিদের ১০ কাঠা জমির জন্য ১০ হাজার টাকা, মতলেবের ১০ কাঠা জমির জন্য ১০ টাকা, আনিসের ১০ কাঠা জমির জন্য ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ওই ফার্ম ইনচার্জ। বর্তমানে কেরু কোম্পানির ওই জমিতে আখের পরিবর্তে বেগুন ও মরিচের চাষ করা হয়েছেন।এ বিষয়ে অভিযুক্ত কেরু কোম্পানির ডিহি কেষ্টপুর খামার ইনচার্জ এমদাদুল হক বলেন, ‘আমি নয় মাস আগে খোরশেদপুর খামার থেকে চলে এসেছি। আমার মনে পড়ছে না। কাদেরকে দিয়েছি আপনার কাছে নাম থাকলে নামগুলো বলেন।’ আগামীকাল আপনার সাথে দেখা করে কথা বলবো বলে ফোন কেটে দেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কেরুর খামারের জমি লীজে অনিয়ম,লীজের টাকা ফার্ম ইনচার্জের পকেটে

নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:৫৯:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪

দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোম্পানির আখ চাষের ২ একর ৫ শতক জমি লিজ দিয়ে ৭২ হাজার টাকা নিজ পকেটস্থ করার অভিযোগ উঠেছে কেরু কোম্পানির প্রভাবশালী খামার ইনচার্জ এমদাদুল হকের বিরুদ্ধে। তিনি কেরু কোম্পানির ডিহি কেষ্টপুর খামার ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত আছেন। ডিহি কেষ্টপুর খামারের ইনচার্জ হওয়ার প্রভাব খাটিয়ে খোরশেদপুর খামারের কেরু কোম্পানি মালিকাধীন আখ চাষের জমি টেন্ডার ছাড়াই লীজ দিয়ে নগদ ৭২ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন এমদাদুল হক। এ ঘটনায় হতবাক স্থানীয় কৃষকরা।দর্শনা কেরু অ্যন্ড কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, কেরু অ্যান্ড কোম্পানির নিজস্ব মালিকানায় আখ চাষের জন্য প্রায় ৩ হাজার ৫৫৮ একর জমি আছে। তারমধ্যে ৯ টি বাণিজ্যিক খামারের আওতায় ৩ হাজার ৩৮৮ একর ও ১ টি পরীক্ষামূলক খামার রয়েছে।স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, এর আগে প্রভাবশালী ফার্ম ইনচার্জ এমদাদুল হক খোরশেদপুর খামারের দায়িত্বে ছিলেন। খোরশেদপুরে থাকাকালীন তিনি বিভিন্ন কৃষকের কাছে জমি লীজ দিয়ে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি ডিহি খামারে কর্মরত। ডিহি কেষ্টপুর খামারে দায়িত্বরত থাকলেও খোরশেদপুর খামারের এন ব্লকে ২২ একর আখ চাষের জমির মধ্যে ২ একর ৫ শতক জমি লীজ দিয়েছেন তিনি। এজন্য নিজের পকেটস্থ হয়েছে ৭২ হাজার টাকা।সূত্র জানিয়েছে, লীজ গ্রহীতা জীবনের কাছে থেকে ৪ বিঘা জমি বাবদ ৩৬ হাজার টাকা, মোহাম্মদের কাছ ১৫ কাঠা জমির জন্য ১০ হাজার টাকা, মজিদের ১০ কাঠা জমির জন্য ১০ হাজার টাকা, মতলেবের ১০ কাঠা জমির জন্য ১০ টাকা, আনিসের ১০ কাঠা জমির জন্য ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ওই ফার্ম ইনচার্জ। বর্তমানে কেরু কোম্পানির ওই জমিতে আখের পরিবর্তে বেগুন ও মরিচের চাষ করা হয়েছেন।এ বিষয়ে অভিযুক্ত কেরু কোম্পানির ডিহি কেষ্টপুর খামার ইনচার্জ এমদাদুল হক বলেন, ‘আমি নয় মাস আগে খোরশেদপুর খামার থেকে চলে এসেছি। আমার মনে পড়ছে না। কাদেরকে দিয়েছি আপনার কাছে নাম থাকলে নামগুলো বলেন।’ আগামীকাল আপনার সাথে দেখা করে কথা বলবো বলে ফোন কেটে দেন তিনি।