চুয়াডাঙ্গায় ডোবা থেকে ইটভাটা শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যাকাণ্ড।

- নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:২২:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪ ৮১ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গা সদরের শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের জালশুকা গ্রামের হিমালয় অটো ব্রিক্সের একটি গর্ত থেকে শান্ত (১৬) নামের এক কিশোর শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শান্ত জালশুকা পাওয়ার হাউজ পাড়ার আইজেল হোসেনের ছেলে।জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো গতকাল সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ির পার্শ্ববর্তী হিমালয় অটো ব্রিক্স ইটভাটায় কাজ করতে যায় শান্ত। কাজ শেষ হয় বিকাল ৪টায়। কিন্তু কাজ শেষে সে আর বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করতে থাকে। পরে রাতে হিমালয় অটো ব্রিক্সের একটি গর্তের কাছে শান্তর পায়ের স্যান্ডেল দেখতে পেয়ে গর্তে নেমে তার মরদেহ উদ্ধার করে।নিহতের ভাই বলেন, আমার ভাই ইটভাটায় কাজের পাশাপাশি বাড়ির পাশে একটি মসজিদে খন্ডকালীন মোয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করতেন। গতকাল ভোরে ফজরের নামাজ শেষে বাড়ি এসে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ইটভাটার কাজে যায়। সারাদিন আর বাড়িতে আসেনি শান্ত। পরে সন্ধ্যা থেকে অনেক জায়গায় খোঁজার পরে ইটভাটার পেছনের একটি গর্ত থেকে আমার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার করি।তার দাবি, শান্তকে কেউ হত্যা করে গর্তে ফেলে রেখে গেছে। এদিকে, স্থানীয় ও পরিবারের দাবি, এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে গ্রামবাসী।নিহতের বাবা আইজেল হোসেন বলেন, ইটভাটায় কাজ করা কয়েকজন শ্রমিক আমার ছেলেকে বিভিন্ন সময় হুমকি দিত যে মেরে ফেলবে। তারা আজ আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই।এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আনিসুজ্জামান বলেন, ইটভাটার ডোবা থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। তবে এটি হত্যাকাণ্ড কিনা তা এখনই নিশ্চিত নয়।
















