এড্র্যে পেমেন্ট আটকে থাকা,2021সালের জুলাই মাসের টাকা দ্রুত ফেরত চাই

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ৮৯ বার পড়া হয়েছে

প,,কর্মসূচি – ২৮ সেপ্টেম্বার ২০২৪.pdসস্থান: ২৮/০৯/২০২৪ ইং ঢাকা শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে সকাল ১১ টা।কর্মসূচি- ২৮ সেপ্টেম্বার ২০২৪১। এড্রো পেমেন্ট এ আটকে থাকা ২০২১ সালের জুন জুলাই মাসের টাকা দ্রুত ফেরত চাই (রিপন মিয়ার ভাষ্য মতে এস্ক্রেন এর টাকা কেউ পাবেনা আর) কিন্তু আমাদের কাছে এখনো কোটি কোটি টাকার এস্কো তে আটকে থাকা টাকার লিস্ট আছে, এক লিস্ট এর মাধ্যমে এস্ক্রো এর আটকে থাকা টাকা এক সপ্তাহের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ লিস্ট দিয়ে টাকা ছাড়তে হবে।২। বাংলাদেশ গেজেট জুলাই ৪, ২০২১ এর তথ্যমতে নির্দেশিকা ৩.৫.১ এর মতে, ক্রেতা কোন মাধ্যমে (ডেবিট, ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক ট্রান্সফার, মোবাইল ব্যাংকিং, অন্যান্য) অগ্রিম মূল্য পরিশোধ করলে এবং বিক্রেতা কোন কারনে নির্ধারিত সময়ে সে পন্য সরবরাহ করতে ব্যার্থ হলে মূল্য পরিশোষের সর্বোচ্চ ১০ দিন (সংশ্লিষ্ট অর্থ প্রদানকারী মাধ্যমের ব্যবহৃত সময় ব্যাতীত) এর মধ্যে ক্রেতার পরিশোধিত সম্পূর্ন অর্থ যে মাধ্যমে ক্রেতা অর্থ পরিশোধ করেছেন সেই একই মাধ্যমে (ডেবিট, ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক ট্রান্সফার, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ইত্যাদি) ফেরত প্রদান করতে হবে। মূল্য ফেরতের বিষয়ে ক্রেতাকে ইমেইল, এসএমএস, ফোন বা অন্য মাধ্যমে অবহিত করতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে ক্রেতার পরিশোধিত মূল্যের অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করা যাবে না। ক্রেতা যথাসময়ে পণ্য বা সেবা গ্রহনে ব্যার্থ হলে এ সময়সীমা শিখিল করা যাবে। ৪। ১৯ জুন- ৩১ জুলাই ২০২১ ইং পর্যন্ত এস্ক্রেন পেমেন্টে আটকে থাকা সকল টাকা ফোস্টার গেটওয়ের মাধ্যমে ফেরতদিতে হবে। ৩। ১৫-১৮ জুন ২০২১ এর টাকা ছাড়ার প্রসেস দ্রুত করতে হবে, মাসে ২ টি করে বড় লিস্ট দিতে হবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে।৪। ব্যাংক ডিপোজিট যা রিপন মিয়ার Qcoom Limited এর একাউন্ট এ গ্রাহক জমা করে অর্ডার দিয়েছিল তা দ্রুত মন্ত্রণালয় এর মাধ্যমে বসে সমাধান করতে হবে আগামী মাসের মধ্যে যেন ব্যাংক ডিপোজিট এর গ্রাহকরা টাকা পায়সেই ব্যবস্থা করতে হবে। ৫। গ্রাহকের টাকায় কেনা Qcoom এর ওয়ারহাউসের ১০০ কোটি (বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এর অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী) টাকার পণ্য কেন রিপন মিয়া গ্রাহকদের না দিয়ে আত্মসাৎ করলো সেটার জবাব চাই ও পণ্যের টাকা এর সকল বিবরণীচাই ও সেই টাকা মন্ত্রণালয় নিজের বা যথাযথ মাধ্যমে নিয়ে গ্রাহকদের দ্রুত ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ৬। Qcoom লিস্ট দেওয়ার পর ফস্টার যাতে টাকা ছাড়তে ধীরগতি না করতে পারে এবং টাকা ছাড়করণ প্রসেস দ্রুত করতে হবে এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ও বাংলাদেশ ব্যাংক এর বিশেষ নজরদারি প্রয়োজন। ৭। Qcoom এর সিইও রিপন মিয়া এবং তানভীর চৌধুরী এরা যাতে বিদেশ পলায়ন না করতে পারে তাই তাদের পাসপোর্ট জব্দ করা জরুরি। নানা মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে তারা বিদেশ পলায়ন এর প্রচেষ্টায় আছে।৮। Qcoom এর টাকা আত্মসাৎ ও ওয়ারহাউস এরপণ্য আত্মসাৎ এর সাথে জড়িত রিপন মিয়া, তার ভাই, কর্মকর্তা তানভীর চৌধুরী ও কোম্পানির অনেক কর্মকর্তা সকলকে দ্রুত জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে, তারা গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ করে সম্পদের পাহাড় গড়ছে বলেও আমরা জানতে পেরেছি। এসকল বিষয়ে সুষ্ঠ তদন্ত চাই। ৯। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের সার্ধে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ঠ সকল দপ্তর যাতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এটা আমরা তরুণ প্রজন্মের দাবি। তরুণ সমাজ আপনাদের উপর আস্থা রাখে যে আপনারা আমাদের জন্য একটা দ্রুত সমাধান ব্যবস্থা করবেন।অনুলিপি-১। উপদেষ্টা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২। সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়৩। উপসচিব, ইকমার্স সেল, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়৪। সচিব, আইন মন্ত্রণালয়৫। সচিব, সরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়৬। সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়৬। সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়৭। যথাযথ কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ব্যাংক৮। ডিএমপি কমিশনার, ঢাকা৯। সি আই ডি ঢাকা
















