ভিপি নুরের নামে অপপ্রচার চালাচ্ছেন তামান্না ফেরদৌস শিখা কড়া ভাষায় জবাব দিলেন নাদিম হাসান।

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৪১:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুলাই ২০২৩ ৩২৮ বার পড়া হয়েছে

বেস কিছু দিন ধরে গণ অধিকার পরিষদ নিয়ে যে অপপ্রচার চালাচ্ছে গণ অধিকার পরিষদ এর কিছু নেতা কর্মি তারি ধারাবাহিকতাই তামান্না ফেরদৌস শিখার এক ফেজবুক স্ট্যাটাস এর কড়া জবাব দিলেন বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসান তিনি বলেন
খুব সুন্দর ও সাবলীলভাবে কিছু প্রশ্ন নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ছুড়ে দেয়া হলো। যেই ফেসবুক পোস্ট হওয়ার সমালোচনা করা হলো সুকৌশলে সেই ফেসবুক পোস্টের আশ্রয় নিয়েই এটি করা হলো।কথার প্রতিটি ধাপে কাঠগড়ায় দার করানো হলো সদস্য সচিব নুরুলহক নুরকে। সুকৌশলে একজনকে দায়মুক্তি দেওয়ারও চেষ্টা হলো।
ততকালিন আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব দুই পক্ষের সঙ্গেই গভীর সুসম্পর্ক ছিলো এই দম্পতির। কেন্দ্রীয় সকল নেতাকর্মীরাই এ বিষয়ে জানেন। এতোভালো সম্পর্ক কারো সঙ্গেই আর খেয়াল করা যায়নি।
তাহলে আপার কথা অনুয়ায়ী এই উভয় পক্ষকে ভুল বোঝাচ্ছিল কারা?
তাদেরইতো করার কথা যাদের সঙ্গে দুই পক্ষেরই সন্দেহাতীতভাবে সুসম্পর্ক।
ততকালীন আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়া সাহেবের দায়িত্বপালনের শেষ সময়ের দিকেই এই দম্পতি নিয়মিত তার সঙ্গে যোগাযোগ যাতায়াত দুই পক্ষের সঙ্গেই সকলের চাইতে ভালো ছিলো ফরহাদ মাজাহার প্রসঙ্গে আশি। তাকে প্রবীণ বিশিষ্টজন হিসেবেই অধিকার পরিষদে সম্মান করা হতো, বিভিন্ন আলোচনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করা হতো। ইফতার কর্মসূচিতেও একইভাবে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং আপা যে আলাপ গেলার কথা বললেন এটা দূর থেকে দাড়িয়ে ধারনার উপরে বললেন সুধুই দেখার উপরে নির্ভর করে।আমি সেই গেলার আলোচনায় একজন অংশগ্রহণকারী ছিলাম। মূলত গণসাংস্কৃতি পরিষদের আহ্বায়ক শওকত ভাই তার আগ্রহের কারনে সেখানে গিয়ে আলোচনা শুরু। শওকত ভাই একটি বই লিখছেন সর্বহারা পার্টির নেতা সিরাজ শিকদারের উপরে, যেহেতু ফরহাদ মাজহার সিরাজ শিকদারের সহচর ছিলেন সেই বিষয়েই তার সহযোগিতা চাইতে সেখানে প্রাথমিক আলোচনা চলতে থাকে। একপর্যায়ে সাংবাদিক ও গণর নেতা শিশির ভাইও সেখানে পৌছান এবং তিনি একটি সাক্ষাৎকার নিতে চান কবে কিভাবে করা যায় সেই আলোচনাও সেখানে চলছিল। মাঝখানে আমি ইনসাফ কমিটির প্রস্তাবনায় আমার কিছু আপত্তি, জিজ্ঞাসা, প্রয়োগ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনার কথাও বলছিলাম এভাবে সেই আলোচনা শেষ হয়। তখন খেয়াল করিনি দূরে থেকে দেখে আপা সেই আড্ডার কি ধারনা নিয়েছিলেন।
এটা ঠিক নুরুলহক নুর রেজা কিবরিয়া সাহেবকে আনার বিষয়ে খুবই আন্তরিক ছিলেন দলে। অধিকাংশ না করলেও তিনি সবাইকে বুঝিয়ে ছিলেন এমন শিক্ষিত সিনিয়র লোক দলে প্রয়োজন। এবং আমরা মেনেও নিয়েছিলাম। আপা মানতে না পারলেও তখন আপত্তি তুলে ধরেননি বা নোট ও ডিসেন্ট দেননি।
আপার লেখায় রেজা সাহেবের কথা হলো- সরকার বিরোধী যেকোনো সমাবেশে তাকে ডাকলে তিনি যাবেন, ইনসাফ হলেও সেখানে যাবেন এবং প্রতিটি সমাবেশে গেছেনও। কিন্তু গণঅধিকার এতোগুলো সমাবেশ করলেও সেখানে অধিকাংশ কর্মসূচিতে তিনি অনুপস্থিত। তাহলে গণঅধিকার পরিষদের সমাবেশ কী সরকার বিরোধী মনে করেননাই রেজা সাহেব?
ইনসাফের কর্মসূচি সরকার বিরোধী হলেও গণঅধিকার পরিষদ যেখানে তিনি আহ্বায়ক ছিলেন সেই দলের কর্মসূচি কেন তারকাছে সরকার বিরোধী ছিলোনা, যে কারনে তিনি অনুপস্থিত থাকতেন?
এবার আসি সাফাদির ইসুতে। ৬ মাস আগের সেটেল ইসু হঠাৎ কেন তিনি সামনে আনলেন? যে ড্রাইভার তাকে নিয়ে গিয়েছিল সেই ড্রাইভার গ্রেপ্তার হলে কোন মিডিয়া সেটা সামনে আনলোনা, এমনকি ৬ মাস আগে রেজা সাহেবও সেটা সামনে না এনে, বরং মিটিং হয়নি সেই সাফাই গাইলেন কেন?
নুরুলহক নুরের বিদেশ সফরে দেশথেকেই নিয়ে যেওয়া কেলো ব্যাগ যথারীতি তিনি দেশেই নিয়ে এসেছেন অবৈধ কোন কিছু হলেতো তিনি সে ব্যাগ নিয়ে ইমিগ্রেসন পার করতে পারার কথা নয়।
দেশের বাইরে নুরুলহক নুরের গাড়ির শোরুম কোন টিভি চ্যানেল সাংবাদিক এখনো দেখাতে পারলেননা, রেজা সাহেবও সে ঠিকানা দিলেননা এমনকি প্রবাসী কোনো নেতাকর্মী সেই ঠিকানা পেলোনা কিভাবে?
দলের সভাগুলোতে কথা বলতেগেলে হাতের ইশারায় থামিয়ে দেয়ার কথা বললেন, হাতের ইশারায় থেমে যাওয়ারা কি বিরোধীতা করতে পারবে নিশ্চয়ই অনুমান করা যায়।
আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, আপনাদের মতো বড় পর্যায়ের নেতা না হলেও প্রতিটি সভায় যেখানে আমি উপস্থিত থেকেছি অধিকাংশ মিটিংএই কট্টর ভাষায় সদস্য সচিব নুরুলহক নুরের সামনেই তার কাজ সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে বক্তব্য রাখতে কোনো হাতের ইশারা আমি পাইনি।
তাহলে এ কোন ইশারা আপা পেতেন?
যে ১৬ লাখ ও ১১ লাখের কথা বললেন সেতো ৬ মাস আগের কথা হবে, কারন তখনই তিনি দেশে এসেছেন।
রেজা সাহেব তখনই কেন কে কতো দিয়েছে সেই হিসাব তুলে ধরে প্রশ্ন করেননাই দলের মিটিংএ?
তখনই তিনি কে কতো দিয়েছে কিভাবে ১৬ লাখ টাকা উঠেছে হিসাব তুলে ধরে প্রশ্ন করতে পারতেন।
সাবেক আহ্বায়ক রেজা সাহেবকে ইনসাফের সভায় যেতে নিষেধ না করলে কি তিনি এখন যে প্রশ্নগুলো তুলছেন সেগুলো চেপেই যেতেন?
অর্থের হিসাব অস্বচ্ছতার দায় নুরুলহক নুরের, ততকালীন আহ্বায়ক হিসেবে তার নয় কেন?
এখানে অর্থকমিটির দায় দিতে চাননা কেন?
















