নবীনগরে ৫৪তম গণহত্যা দিবস পালিত।

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:২৫:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অক্টোবর ২০২৪ ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরে বড়াইল ইউনিয়নের খারঘর গ্রামে ১৯৭১ সালে ১০ অক্টোবর পাক হানাদার বাহিনী মহান মুক্তিযুদ্ধে ৪৩ জনকে একসাথে নির্মমভাবে হত্যার ৫৪তম দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহ্ফিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার(১০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নের খারঘর গ্রামের আত্নদানকারী শহীদদের স্মরণে গণকবর সংরক্ষণ ও বাস্তায়ন কমিটি আয়োজনে পাগলা নদীর তীরে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের ৭১ স্মৃতিসৌধ এবংখারঘর গণকবর জামে মসজিদ ও মাদরাসার সামনে অনুষ্ঠিত হয়।খারঘর গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্টানে ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর ফরহাদ শামীম। গণকবর সংরক্ষণ ও বাস্তায়ন কমিটি সাধারন সম্পাদক মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদ জীবনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশেষ অতিথি বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য তকদির হোসেন মোহাম্মদ জসিম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর ডা. আসাদুজ্জামান রিফাত, নবীনগর থানা কর্মকর্তা(তদন্ত) সজল কান্তি দাস,নবীনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি এডভোকেট রেজাউল করিম সবুজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মোখলেছুর রহমান, খারঘর যুদ্ধে যুদ্ধাহত রিনা বেগম, রজব আলী মোল্লা, বড়াইল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আবুল বাশার, বড়াইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দীন মীর, বড়াইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন প্রমুখ।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী কর্তৃক গনহত্যার শিকার বাংলাদেশে যতগুলো গণকবর রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম খারঘর গণকবর। এটি বড়াইল ইউনিয়নের খারঘর গ্রামের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঐতিহ্যবাহী জায়গা। এই জায়গাটি স্বাধীনতা পরবর্তী অনেক ক্ষমতায় আসছে কিন্তু উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে গঠিত সরকার কাছে এই এলাকা মুক্তিযোদ্ধা ও তরণ প্রজন্মের ও খারঘর গণকবর সংরক্ষণ কমিটির দাবি একটি গণকবর কমপ্লেক্স নির্মাণ ও অবহেলিত ৪৩ জন শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন করা। অনুষ্ঠান শুরুর আগে উপজেলা প্রশাসনের নির্রবাহী কর্মকরতা প্রথমে শহীদের কবরে পুস্পস্তবক অর্পনের মধ্য দিয়ে শ্রদ্বা জানানো হয়। তারপর ক্রমান্বয়ে মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ খারঘর গণ কবরস্থানে জড়ো হয়ে স্মৃতিস্থম্বে শ্রদ্ধা ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বজ্রপাত নিরোধে তালগাছসহ বৃক্ষরোপন কর্মসূচী,পাগলা নদীতে মৎস পোনা অবমুক্তকরণ আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল এবং এতিমদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করা হয়।
















