ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

সামাজিক অবক্ষয় ও কেয়ামতের আলামত বিষয়ে আমার কিছু ক্ষুদ্র মতবাদ।

সংবাদ দাতা মোঃমেহেদী হাসান অলি
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৪৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০২৩ ২২৪ বার পড়া হয়েছে

বর্তমান সময়ে প্রায় প্রতিটা সমাজ ব্যবস্থা ধ্বংসের শেষ পর্যায়।কারণ হিসেবে দেখা যায়,সামাজিক সকল গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাদ দিয়ে সমাজের মাতব্বর শ্রেণীর লোকেদের প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে মসজিদ ভাঙ্গা গড়ার কাজ নিয়ে যত উন্নয়ন।তাই তারা সর্বদাই নিয়োজিত থাকে এই কাজে।খুব দুঃখের সাথে বলতে হয় এটা কেয়ামতের একটি বড় আলামত।মসজিদ কখনো আল্লাহর এবাদত করে না।আল্লাহর এবাদত করে ধর্মপ্রাণ মুসল্লী।আর মসজিদের সৌন্দর্যই হচ্ছে ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।মুসল্লী ছাড়া মসজিদ যত সুন্দর হক না কেনো,এই সুন্দরের কোন দাম নেই।মসজিদ ভাঙ্গা গড়ার পিছনে মাতব্বর শ্রেণীর লোকদের যে দূরত্ব দেখা যায় তার শতকরা দশভাগের এক ভাগ ও যদি মুসল্লিদের পিছনে ব্যয় করা হতো,তাহলে পুরো সমাজটাই সুন্দর হয়ে যেত।

এবার আসি মসজিদের সুসজ্জিত করার প্রতিযোগিতা নিয়ে কিছু কথা_
পাশের ধনী এলাকার মসজিদে দামী মার্বেল পাথরের টাইলস বসানো হয়েছে,অত্যাধুনিক নামিদামি ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক্স ফেন এসি সহ ক্রিস্টাল পাথরের ঝাড়বাতি বসানো হয়েছে।আমাদের মসজিদে নাই,এটা হতেই পারে না।আর এখানেই মাতব্বর শ্রেণীর লোকেদের চুলকানি শুরু।তাদের মহল্লার মসজিদে ও এই ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ করাই লাগবে,তা না হলে তাদের আর পেস্টিজ থাকছে না।এই ধরনের নোংরা মন মানসিকতার কারণে সাধারণ মুসল্লির যতটুকু না উপকার হবে তার চাইতে বেশি ফয়দা যেন তাদের।মসজিদের যে উন্নয়ন সবচাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেই সব উন্নয়নে তাদের খুঁজেই পাওয়া যায় না।বছরের পর বছর শুধু মসজিদের উন্নয়নই হচ্ছে।

মুসল্লিদের কেন উন্নয়ন হচ্ছে না?

এবার আসি মসজিদে মুসল্লী না হওয়ার কিছু কারণ।
প্রতিটি মহল্লার মসজিদের মাতব্বর শ্রেণীর লোকেরা যদি সুদ,ঘুষ,হারামের সাথে লিপ্ত থাকে তাহলে সেই মসজিদে মুসল্লী কম হবে,এটাই স্বাভাবিক।কারণ এইসব সুদখোর, ঘুষখোর,হারামখোরদের সাথে কোন ধর্মপ্রাণ মুসল্লী নামাজ পড়তে চান না।
একজন সুশিক্ষিত ওস্তাদের কাছ থেকেই একজন সুশিক্ষিত ছাত্র আশা করা যায়।
একজন ধর্মীয় লাইনের সুশিক্ষিত খতিব বা আলেম আর পাড়া মহল্লার মসজিদের ইমামতি করা অল্প শিক্ষিত আলেমের যোগ্যতা এক হবে না।পাশের ধনী এলাকার মসজিদের চাকচিক্যর সাথে একজন সুশিক্ষিত খতিব বা আলেম ও থাকে,এই বিষয়টা মাথামোটা মাতাব্ব্বর শ্রেণীর মুসুল্লিরা খুব সুকৌশলে এড়িয়ে যায়।এটার কারণ একটাই একজন সুশিক্ষিত আলেম কখনই সুদখোর,ঘুষখোর হারামখোরদের ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।একজন সুশিক্ষিত খতিব বা আলেম তার ধর্মীয় নৈতিক শিক্ষা ধারা একটা সমাজকে সুন্দর ও সুশৃংখল করতে পারে। তবে তথাকথিত কাঠমোল্লা বা অল্প শিক্ষিত আলেম দ্বারা সম্ভব হয়ে ওঠেনা।পাশের ধনী এলাকার মসজিদের চাকচিক্য সব কিছুই নকল করতে পারে কিন্তু একজন সুশিক্ষিত খতিব বা আলেম নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের গাফিলতি প্রকাশ সমান।

একটা মসজিদে মুসল্লিদের আবাদ করতে চাইলে,একজন সুশিক্ষিত খতিব বা আলেমের বিকল্প নেই।একজন সুশিক্ষিত মানুষই পারে একটা সুশিক্ষিত সমাজ গড়ে দিতে।তাই আমি বলব একটা মসজিদকে ভাঙ্গা গড়া বা সুসজ্জিত করা বাদ দিয়ে।একজন সুশিক্ষিত আলেম বা খতিব প্রতিটা মহল্লার মসজিদগুলিতে নিয়োগ দিন।আর তখনই সমাজ সুন্দর,সুবাতাস ও স্নিগ্ধ ছড়াবে বলে আমি মনে করি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সামাজিক অবক্ষয় ও কেয়ামতের আলামত বিষয়ে আমার কিছু ক্ষুদ্র মতবাদ।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৪৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০২৩

বর্তমান সময়ে প্রায় প্রতিটা সমাজ ব্যবস্থা ধ্বংসের শেষ পর্যায়।কারণ হিসেবে দেখা যায়,সামাজিক সকল গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাদ দিয়ে সমাজের মাতব্বর শ্রেণীর লোকেদের প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে মসজিদ ভাঙ্গা গড়ার কাজ নিয়ে যত উন্নয়ন।তাই তারা সর্বদাই নিয়োজিত থাকে এই কাজে।খুব দুঃখের সাথে বলতে হয় এটা কেয়ামতের একটি বড় আলামত।মসজিদ কখনো আল্লাহর এবাদত করে না।আল্লাহর এবাদত করে ধর্মপ্রাণ মুসল্লী।আর মসজিদের সৌন্দর্যই হচ্ছে ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।মুসল্লী ছাড়া মসজিদ যত সুন্দর হক না কেনো,এই সুন্দরের কোন দাম নেই।মসজিদ ভাঙ্গা গড়ার পিছনে মাতব্বর শ্রেণীর লোকদের যে দূরত্ব দেখা যায় তার শতকরা দশভাগের এক ভাগ ও যদি মুসল্লিদের পিছনে ব্যয় করা হতো,তাহলে পুরো সমাজটাই সুন্দর হয়ে যেত।

এবার আসি মসজিদের সুসজ্জিত করার প্রতিযোগিতা নিয়ে কিছু কথা_
পাশের ধনী এলাকার মসজিদে দামী মার্বেল পাথরের টাইলস বসানো হয়েছে,অত্যাধুনিক নামিদামি ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক্স ফেন এসি সহ ক্রিস্টাল পাথরের ঝাড়বাতি বসানো হয়েছে।আমাদের মসজিদে নাই,এটা হতেই পারে না।আর এখানেই মাতব্বর শ্রেণীর লোকেদের চুলকানি শুরু।তাদের মহল্লার মসজিদে ও এই ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ করাই লাগবে,তা না হলে তাদের আর পেস্টিজ থাকছে না।এই ধরনের নোংরা মন মানসিকতার কারণে সাধারণ মুসল্লির যতটুকু না উপকার হবে তার চাইতে বেশি ফয়দা যেন তাদের।মসজিদের যে উন্নয়ন সবচাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেই সব উন্নয়নে তাদের খুঁজেই পাওয়া যায় না।বছরের পর বছর শুধু মসজিদের উন্নয়নই হচ্ছে।

মুসল্লিদের কেন উন্নয়ন হচ্ছে না?

এবার আসি মসজিদে মুসল্লী না হওয়ার কিছু কারণ।
প্রতিটি মহল্লার মসজিদের মাতব্বর শ্রেণীর লোকেরা যদি সুদ,ঘুষ,হারামের সাথে লিপ্ত থাকে তাহলে সেই মসজিদে মুসল্লী কম হবে,এটাই স্বাভাবিক।কারণ এইসব সুদখোর, ঘুষখোর,হারামখোরদের সাথে কোন ধর্মপ্রাণ মুসল্লী নামাজ পড়তে চান না।
একজন সুশিক্ষিত ওস্তাদের কাছ থেকেই একজন সুশিক্ষিত ছাত্র আশা করা যায়।
একজন ধর্মীয় লাইনের সুশিক্ষিত খতিব বা আলেম আর পাড়া মহল্লার মসজিদের ইমামতি করা অল্প শিক্ষিত আলেমের যোগ্যতা এক হবে না।পাশের ধনী এলাকার মসজিদের চাকচিক্যর সাথে একজন সুশিক্ষিত খতিব বা আলেম ও থাকে,এই বিষয়টা মাথামোটা মাতাব্ব্বর শ্রেণীর মুসুল্লিরা খুব সুকৌশলে এড়িয়ে যায়।এটার কারণ একটাই একজন সুশিক্ষিত আলেম কখনই সুদখোর,ঘুষখোর হারামখোরদের ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।একজন সুশিক্ষিত খতিব বা আলেম তার ধর্মীয় নৈতিক শিক্ষা ধারা একটা সমাজকে সুন্দর ও সুশৃংখল করতে পারে। তবে তথাকথিত কাঠমোল্লা বা অল্প শিক্ষিত আলেম দ্বারা সম্ভব হয়ে ওঠেনা।পাশের ধনী এলাকার মসজিদের চাকচিক্য সব কিছুই নকল করতে পারে কিন্তু একজন সুশিক্ষিত খতিব বা আলেম নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের গাফিলতি প্রকাশ সমান।

একটা মসজিদে মুসল্লিদের আবাদ করতে চাইলে,একজন সুশিক্ষিত খতিব বা আলেমের বিকল্প নেই।একজন সুশিক্ষিত মানুষই পারে একটা সুশিক্ষিত সমাজ গড়ে দিতে।তাই আমি বলব একটা মসজিদকে ভাঙ্গা গড়া বা সুসজ্জিত করা বাদ দিয়ে।একজন সুশিক্ষিত আলেম বা খতিব প্রতিটা মহল্লার মসজিদগুলিতে নিয়োগ দিন।আর তখনই সমাজ সুন্দর,সুবাতাস ও স্নিগ্ধ ছড়াবে বলে আমি মনে করি।