ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

নাগরপুরে সাপে কাটা রোগীকে এন্টিভেনম দিয়ে বাঁচালেন চিকিৎসকরা

সিপন রানা নাগরপুর (টাঙ্গাইল),
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:২০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫ ৮২ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের বেটুয়াজানি গ্রামে বিষধর গোখরো সাপের দংশনের শিকার হয়েও প্রাণে বেঁচে গেছেন মোছা: আনোয়ারা (৬০), স্বামী শুকুর আলী।গত ৪ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যার সময় নিজ বাড়িতে কাজ করার সময় হঠাৎ একটি বিষধর গোখরো সাপ তাকে দংশন করে। পরিবারের লোকজন সঙ্গে সঙ্গে সাপটিকে মেরে ফেলতে সক্ষম হলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই আনোয়ারার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। তখন দ্রুত তাকে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ডাঃ কাজল পোদ্দার ও তার টিম সাপের ছবি দেখে নিশ্চিত হন যে এটি গোখরো প্রজাতির বিষধর সাপ। রোগীর শরীরে বিষ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বুঝতে পেরে তারা পরিবার থেকে অনুমতি নিয়ে সীমিত সরঞ্জাম ও সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও সঙ্গে সঙ্গে এন্টিভেনম প্রয়োগ শুরু করেন।মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং চিকিৎসকদের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থাপনায় রোগীর অবস্থার উন্নতি ঘটতে শুরু করে। আজ ৭ জুলাই আনোয়ারা অনেকটাই সুস্থ এবং শঙ্কামুক্ত অবস্থায় আছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ হাফিজুর রহমান জানান, “এটি আমাদের চিকিৎসা টিমের সম্মিলিত সাফল্য। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। তবে বর্তমানে হাসপাতালে এন্টিভেনমের সরবরাহ খুবই সীমিত। আমরা চেষ্টা করছি সরবরাহ বাড়ানোর জন্য।”তিনি আরও বলেন, “নাগরপুরের সাধারণ মানুষকে সর্পদংশনের ক্ষেত্রে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত হাসপাতালে আসলে অনেক প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। মানুষের জীবন অমূল্য—এবং নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সর্বদা মানুষের পাশে থাকবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নাগরপুরে সাপে কাটা রোগীকে এন্টিভেনম দিয়ে বাঁচালেন চিকিৎসকরা

নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:২০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের বেটুয়াজানি গ্রামে বিষধর গোখরো সাপের দংশনের শিকার হয়েও প্রাণে বেঁচে গেছেন মোছা: আনোয়ারা (৬০), স্বামী শুকুর আলী।গত ৪ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যার সময় নিজ বাড়িতে কাজ করার সময় হঠাৎ একটি বিষধর গোখরো সাপ তাকে দংশন করে। পরিবারের লোকজন সঙ্গে সঙ্গে সাপটিকে মেরে ফেলতে সক্ষম হলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই আনোয়ারার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। তখন দ্রুত তাকে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ডাঃ কাজল পোদ্দার ও তার টিম সাপের ছবি দেখে নিশ্চিত হন যে এটি গোখরো প্রজাতির বিষধর সাপ। রোগীর শরীরে বিষ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বুঝতে পেরে তারা পরিবার থেকে অনুমতি নিয়ে সীমিত সরঞ্জাম ও সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও সঙ্গে সঙ্গে এন্টিভেনম প্রয়োগ শুরু করেন।মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং চিকিৎসকদের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থাপনায় রোগীর অবস্থার উন্নতি ঘটতে শুরু করে। আজ ৭ জুলাই আনোয়ারা অনেকটাই সুস্থ এবং শঙ্কামুক্ত অবস্থায় আছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ হাফিজুর রহমান জানান, “এটি আমাদের চিকিৎসা টিমের সম্মিলিত সাফল্য। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। তবে বর্তমানে হাসপাতালে এন্টিভেনমের সরবরাহ খুবই সীমিত। আমরা চেষ্টা করছি সরবরাহ বাড়ানোর জন্য।”তিনি আরও বলেন, “নাগরপুরের সাধারণ মানুষকে সর্পদংশনের ক্ষেত্রে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত হাসপাতালে আসলে অনেক প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। মানুষের জীবন অমূল্য—এবং নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সর্বদা মানুষের পাশে থাকবে।”