দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার।

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:২০:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

মেহেদী হাসান অলি মুন্সিগঞ্জ প্রতিদিন
বর্তমান পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলিতে আর্থিক অস্থিতিশীলতা দেখা দিচ্ছে।তারি ধারাবাহিকতায় সমাজের নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর নৃত্য পণ্য থেকে শুরু করে সকল নাগরিক চাহিদার ক্ষেত্রেও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা দেখা যাচ্ছে।জ্বালানি সংকটের কারণে সাধারণ জনগণের উপর অর্থনৈতিক অমানবিক চাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের উপর বাড়তি চাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।একজন অটো মিশুক ড্রাইভার এর সাথে কথা বলে জানা যায় বিদ্যুতের ঘাটতি থাকায় সঠিক সময়ে গাড়িতে চার্জ না দিতে পারায়।রাত জেগে গাড়ির পাশে বসে থাকতে হয়। কোনমতে চার্জ দিয়ে গাড়ি নিয়ে বের হয়ে দেখা যায়। সন্ধ্যা সাতটার পরপর জ্বালানি সংকটের কারণে সরকার শপিং মল দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।যার কারণে কাঙ্ক্ষিত যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না।আবার পাওয়া গেলেও কাঙ্খিত ভাড়া যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা যাচ্ছে না।এতে অটো মিশুক ড্রাইভার হান্নান মিয়ার মত বিপাকে পড়েছে মুন্সিগঞ্জ সহ সারা বাংলাদেশের ব্যাটারি চালিত লাখো অটো রিক্সা ড্রাইভাররা।দিনশেষে আয়ের প্রায় পুরো অংশই মহাজনের হাতে তুলে দিতে হচ্ছে।নিরুপায় দৈনিক আয়ের এই কর্মজীবীদের আয়ের একমাত্র উৎস ব্যাটারী চালিত অটো রিস্কাটি গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।মহাজনের জমা খরচ দেওয়ার পরে চাল ডাল কিনে বাসায় যাওয়াই যেন নিরব যুদ্ধক্ষেত্রের সমান। দেশের অর্থনৈতিক চাকা বলে বিবেচিত গার্মেন্টস কর্মীদের জীবনযাত্রার প্রতিটি ক্ষেত্র যেন নীরব এক যুদ্ধক্ষেত্র। @Entertainment funhf একজন গার্মেন্টস কর্মীর হৃদয়বিদারক এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে ফুটে ওঠে যুদ্ধবিধ্বস্ত পৃথিবীর সাধারণ মানুষের আত্মচিৎকার। তাই যুদ্ধ নয় শান্তি চাই ।
“গার্মেন্টস চাকরির কষ্ট”
ভোর না হতেই ঘুম ভাঙে,
অন্ধকার সকালেই শুরু হয় পথচলা…
সময়মতো কারখানায় পৌঁছাতে দৌড়ঝাঁপ।
সারাদিন মেশিনের শব্দ,
একটানা কাজ, নেই বিশ্রামের সুযোগ।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে বা দাঁড়িয়ে কাজ—
শরীর যেন ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ে।
লাঞ্চ টাইমও অনেক সময় ঠিকমতো পাওয়া যায় না,
টার্গেটের চাপ সবসময় মাথার উপর।
একটা ছোট ভুলেই শুনতে হয় বকা…
ওভারটাইম যেন নিত্যসঙ্গী,
রাত হয়ে যায়, তবুও কাজ শেষ হয় না।
পরিবারের সাথে সময় কাটানোর সুযোগ খুবই কম
বেতন কম, পরিশ্রম বেশি—
তবুও জীবনের তাগিদে সব সহ্য করতে হয়।
এই কষ্টের মাঝেই বেঁচে থাকে হাজারো স্বপ্ন…












