ঢাকা ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এক রাতে বিশ্বজুড়ে হাই কমিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি নামানো হয়: সাহাবুদ্দিন কেরানীগঞ্জে রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিত্যক্ত আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনার পর এবার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা  পটুয়াখালীর উলানিয়া বন্দর একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা।  টোকেনের নামে অটোরিকশা থেকে অর্থ আদায়: নাঙ্গলকোটে চাঁদাবাজির অভিযোগ

অশ্রুসিক্ত চোখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন তামিম ইকবাল খান

সংবাদ দাতা মোঃনাজমুল হাসান মেহেদী
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:৫১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০২৩ ৫৮৯ বার পড়া হয়েছে

কান্নাভেজা চোখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন ক্যাপ্টেইন তামিম ইকবাল, এভাবে হটাৎ বিদায় জানাবেন কখনো ভাবতেও পারেননি তার ভক্ত সর্থকরা।আমাদের বেড়ে ওঠা হয়েছে তামিমের জড়ো ব্যাটিং দেখে। ২০১০ থেকে ২০১৪ মোটামুটি এই পাচঁ বছর তামিম ছিলেন মারকুটে। আউট নিয়ে না ভেবে বড় সর্ট খেলতেন। ২০১৫ এর শুরু থেকেই তামিম ব্যাটিং এর ধরন পাল্টালেন বড় স্কোরের দিকে আগানোর চেস্টা করতো তাতে বল যা লাগুক না কেনো। তামিম নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের সেরা ওপেনিং ব্যাটসম্যান। অনেক ওপেনার আসছে গেছে তামিম একপাশে থেকে গেছে। তার এই থেকে যাওয়াতে তার চাচার কতটুকু হাত ছিল তা নিয়ে লোক মুখে অনেক গুজব আছে বা তার পারফরম্যান্স তাকে এই দীর্ঘ এক যুগ ধরে মাঠে রেখেছে।

ম্যাশের ক্যাপ্টেন্সি যাওয়ার পর থেকে নতুন নেতৃত্ব সাকিব ছাড়া কল্পনা না করতে পারলেও সাকিব-বিসিবি ঝামেলাতে সাকিবের এক বছরের নিষেধাজ্ঞা এবং ক্যাপ্টেন করা হলো তামিমকে। বিসিবি সভাপতির তখন বক্তব্য ছিল আমরা দুই চার সিরিজের জন্য অধিনায়ক বানাই নি বিশ্বকাপ সামনে রেখেই আমাদের প্লান।
পরবর্তীতে সাকিবের ফিরে আসা এবং যা ইচ্ছে মনগড়া খেলাধুলা (সাকিবের পারফরম্যান্স অলয়েজ গ্রেটই ছিল) সাকিবকে দুই ফর্মেটে অধিনায়ক করা হলো। ঝামেলাটা যেখানে এসে হলো তা হল ওডিআই ফরমেট নিয়ে বিশেষকরে তামিমকে কিভাবে সম্ভব অধিনায়ক থেকে বাদ দেয়া যেখানে তাদের প্লান এবং কথাই বিশ্বকাপ অবধি তামিম ক্যাপ্টেন!
তামিমের অবসরের সিদ্ধান্ত কিছুটা অস্বস্তিতে ফেলবে টোটাল টিম কম্বিনেশনকে। বিশ্বকাপের আগে তেমন কোন ম্যাচও নাই যে নাঈম শেখ বা হাতুরুর পছন্দের সৌম্যকে (সৌম্য ছাড়া বিশ্বকাপ সম্ভব না) দিয়ে ট্রায়াল দিবে।
হয়ত এই সিরিজের বাকি ম্যাচগুলোতে লিটন অধিনায়ক থাকবে তারপরের সিরিজে সাকিব অধিনায়ক হয়ে যাবে। বর্তমান সময় সাকিবের পারফরম্যান্স এর বাহিরেও বিসিবির উপর তার একটা অলিখিত চাপ আছে এবং সাকিবের অবসরের আগ অবদি যদি পাপন সভাপতি থাকে তাইলে সে অধিনায়ক থাকবে।

সর্বপরি তামিম আমাদের আবেগ, তামিম যা দলকে দিয়েছে তা আজীবন আমাদের মনে রাখতে বাধ্য করবে। জীবনের পরবর্তী ধাপগুলো ভাল কাটুক তামিমের! খাঁন সাহেবের ভবিষ্যত জীবনের জন্য অফুরন্ত ভালোবাসা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অশ্রুসিক্ত চোখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন তামিম ইকবাল খান

নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:৫১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০২৩

কান্নাভেজা চোখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন ক্যাপ্টেইন তামিম ইকবাল, এভাবে হটাৎ বিদায় জানাবেন কখনো ভাবতেও পারেননি তার ভক্ত সর্থকরা।আমাদের বেড়ে ওঠা হয়েছে তামিমের জড়ো ব্যাটিং দেখে। ২০১০ থেকে ২০১৪ মোটামুটি এই পাচঁ বছর তামিম ছিলেন মারকুটে। আউট নিয়ে না ভেবে বড় সর্ট খেলতেন। ২০১৫ এর শুরু থেকেই তামিম ব্যাটিং এর ধরন পাল্টালেন বড় স্কোরের দিকে আগানোর চেস্টা করতো তাতে বল যা লাগুক না কেনো। তামিম নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের সেরা ওপেনিং ব্যাটসম্যান। অনেক ওপেনার আসছে গেছে তামিম একপাশে থেকে গেছে। তার এই থেকে যাওয়াতে তার চাচার কতটুকু হাত ছিল তা নিয়ে লোক মুখে অনেক গুজব আছে বা তার পারফরম্যান্স তাকে এই দীর্ঘ এক যুগ ধরে মাঠে রেখেছে।

ম্যাশের ক্যাপ্টেন্সি যাওয়ার পর থেকে নতুন নেতৃত্ব সাকিব ছাড়া কল্পনা না করতে পারলেও সাকিব-বিসিবি ঝামেলাতে সাকিবের এক বছরের নিষেধাজ্ঞা এবং ক্যাপ্টেন করা হলো তামিমকে। বিসিবি সভাপতির তখন বক্তব্য ছিল আমরা দুই চার সিরিজের জন্য অধিনায়ক বানাই নি বিশ্বকাপ সামনে রেখেই আমাদের প্লান।
পরবর্তীতে সাকিবের ফিরে আসা এবং যা ইচ্ছে মনগড়া খেলাধুলা (সাকিবের পারফরম্যান্স অলয়েজ গ্রেটই ছিল) সাকিবকে দুই ফর্মেটে অধিনায়ক করা হলো। ঝামেলাটা যেখানে এসে হলো তা হল ওডিআই ফরমেট নিয়ে বিশেষকরে তামিমকে কিভাবে সম্ভব অধিনায়ক থেকে বাদ দেয়া যেখানে তাদের প্লান এবং কথাই বিশ্বকাপ অবধি তামিম ক্যাপ্টেন!
তামিমের অবসরের সিদ্ধান্ত কিছুটা অস্বস্তিতে ফেলবে টোটাল টিম কম্বিনেশনকে। বিশ্বকাপের আগে তেমন কোন ম্যাচও নাই যে নাঈম শেখ বা হাতুরুর পছন্দের সৌম্যকে (সৌম্য ছাড়া বিশ্বকাপ সম্ভব না) দিয়ে ট্রায়াল দিবে।
হয়ত এই সিরিজের বাকি ম্যাচগুলোতে লিটন অধিনায়ক থাকবে তারপরের সিরিজে সাকিব অধিনায়ক হয়ে যাবে। বর্তমান সময় সাকিবের পারফরম্যান্স এর বাহিরেও বিসিবির উপর তার একটা অলিখিত চাপ আছে এবং সাকিবের অবসরের আগ অবদি যদি পাপন সভাপতি থাকে তাইলে সে অধিনায়ক থাকবে।

সর্বপরি তামিম আমাদের আবেগ, তামিম যা দলকে দিয়েছে তা আজীবন আমাদের মনে রাখতে বাধ্য করবে। জীবনের পরবর্তী ধাপগুলো ভাল কাটুক তামিমের! খাঁন সাহেবের ভবিষ্যত জীবনের জন্য অফুরন্ত ভালোবাসা