ঢাকা ০১:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মর্যাদার প্রতীক—জিয়া পরিবার বাংলাদেশের সামাজিক সংস্কৃতিতে এক অনন্য উদাহরণ দাদুর পক্ষ থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা—দেশবাসী কাছে দোয়া চেয়েছেন জাইমা রহমান ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের দাবি তৃণমূলে: এডভোকেট আবেদ রাজার প্রতি অগ্রাধিকার চায় কর্মীরা ডা. জুবাইদা রহমান সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে বিশেষজ্ঞ দল উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া প্রস্তুতি—আগামীকাল ঢাকায় আসছেন ডা. জুবাইদা রহমান গরিব-দুঃখী মানুষের গল্পে মানবতার ছোঁয়া—শেরপুরে ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার গণসংযোগ হে আল্লাহ দয়াময়, তুমি সকল কিছুর মালিক। আমার মা জননী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির করিয়া দেও :তারেক রহমান হার না মানা সংগ্রামের নাম— খালেদা জিয়া বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দেশজুড়ে প্রার্থনার বন্যা এভারকেয়ার হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে তিন বাহিনীর প্রধান

অশ্রুসিক্ত চোখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন তামিম ইকবাল খান

সংবাদ দাতা মোঃনাজমুল হাসান মেহেদী
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:৫১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০২৩ ৫৭৯ বার পড়া হয়েছে

কান্নাভেজা চোখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন ক্যাপ্টেইন তামিম ইকবাল, এভাবে হটাৎ বিদায় জানাবেন কখনো ভাবতেও পারেননি তার ভক্ত সর্থকরা।আমাদের বেড়ে ওঠা হয়েছে তামিমের জড়ো ব্যাটিং দেখে। ২০১০ থেকে ২০১৪ মোটামুটি এই পাচঁ বছর তামিম ছিলেন মারকুটে। আউট নিয়ে না ভেবে বড় সর্ট খেলতেন। ২০১৫ এর শুরু থেকেই তামিম ব্যাটিং এর ধরন পাল্টালেন বড় স্কোরের দিকে আগানোর চেস্টা করতো তাতে বল যা লাগুক না কেনো। তামিম নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের সেরা ওপেনিং ব্যাটসম্যান। অনেক ওপেনার আসছে গেছে তামিম একপাশে থেকে গেছে। তার এই থেকে যাওয়াতে তার চাচার কতটুকু হাত ছিল তা নিয়ে লোক মুখে অনেক গুজব আছে বা তার পারফরম্যান্স তাকে এই দীর্ঘ এক যুগ ধরে মাঠে রেখেছে।

ম্যাশের ক্যাপ্টেন্সি যাওয়ার পর থেকে নতুন নেতৃত্ব সাকিব ছাড়া কল্পনা না করতে পারলেও সাকিব-বিসিবি ঝামেলাতে সাকিবের এক বছরের নিষেধাজ্ঞা এবং ক্যাপ্টেন করা হলো তামিমকে। বিসিবি সভাপতির তখন বক্তব্য ছিল আমরা দুই চার সিরিজের জন্য অধিনায়ক বানাই নি বিশ্বকাপ সামনে রেখেই আমাদের প্লান।
পরবর্তীতে সাকিবের ফিরে আসা এবং যা ইচ্ছে মনগড়া খেলাধুলা (সাকিবের পারফরম্যান্স অলয়েজ গ্রেটই ছিল) সাকিবকে দুই ফর্মেটে অধিনায়ক করা হলো। ঝামেলাটা যেখানে এসে হলো তা হল ওডিআই ফরমেট নিয়ে বিশেষকরে তামিমকে কিভাবে সম্ভব অধিনায়ক থেকে বাদ দেয়া যেখানে তাদের প্লান এবং কথাই বিশ্বকাপ অবধি তামিম ক্যাপ্টেন!
তামিমের অবসরের সিদ্ধান্ত কিছুটা অস্বস্তিতে ফেলবে টোটাল টিম কম্বিনেশনকে। বিশ্বকাপের আগে তেমন কোন ম্যাচও নাই যে নাঈম শেখ বা হাতুরুর পছন্দের সৌম্যকে (সৌম্য ছাড়া বিশ্বকাপ সম্ভব না) দিয়ে ট্রায়াল দিবে।
হয়ত এই সিরিজের বাকি ম্যাচগুলোতে লিটন অধিনায়ক থাকবে তারপরের সিরিজে সাকিব অধিনায়ক হয়ে যাবে। বর্তমান সময় সাকিবের পারফরম্যান্স এর বাহিরেও বিসিবির উপর তার একটা অলিখিত চাপ আছে এবং সাকিবের অবসরের আগ অবদি যদি পাপন সভাপতি থাকে তাইলে সে অধিনায়ক থাকবে।

সর্বপরি তামিম আমাদের আবেগ, তামিম যা দলকে দিয়েছে তা আজীবন আমাদের মনে রাখতে বাধ্য করবে। জীবনের পরবর্তী ধাপগুলো ভাল কাটুক তামিমের! খাঁন সাহেবের ভবিষ্যত জীবনের জন্য অফুরন্ত ভালোবাসা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অশ্রুসিক্ত চোখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন তামিম ইকবাল খান

নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:৫১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০২৩

কান্নাভেজা চোখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন ক্যাপ্টেইন তামিম ইকবাল, এভাবে হটাৎ বিদায় জানাবেন কখনো ভাবতেও পারেননি তার ভক্ত সর্থকরা।আমাদের বেড়ে ওঠা হয়েছে তামিমের জড়ো ব্যাটিং দেখে। ২০১০ থেকে ২০১৪ মোটামুটি এই পাচঁ বছর তামিম ছিলেন মারকুটে। আউট নিয়ে না ভেবে বড় সর্ট খেলতেন। ২০১৫ এর শুরু থেকেই তামিম ব্যাটিং এর ধরন পাল্টালেন বড় স্কোরের দিকে আগানোর চেস্টা করতো তাতে বল যা লাগুক না কেনো। তামিম নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের সেরা ওপেনিং ব্যাটসম্যান। অনেক ওপেনার আসছে গেছে তামিম একপাশে থেকে গেছে। তার এই থেকে যাওয়াতে তার চাচার কতটুকু হাত ছিল তা নিয়ে লোক মুখে অনেক গুজব আছে বা তার পারফরম্যান্স তাকে এই দীর্ঘ এক যুগ ধরে মাঠে রেখেছে।

ম্যাশের ক্যাপ্টেন্সি যাওয়ার পর থেকে নতুন নেতৃত্ব সাকিব ছাড়া কল্পনা না করতে পারলেও সাকিব-বিসিবি ঝামেলাতে সাকিবের এক বছরের নিষেধাজ্ঞা এবং ক্যাপ্টেন করা হলো তামিমকে। বিসিবি সভাপতির তখন বক্তব্য ছিল আমরা দুই চার সিরিজের জন্য অধিনায়ক বানাই নি বিশ্বকাপ সামনে রেখেই আমাদের প্লান।
পরবর্তীতে সাকিবের ফিরে আসা এবং যা ইচ্ছে মনগড়া খেলাধুলা (সাকিবের পারফরম্যান্স অলয়েজ গ্রেটই ছিল) সাকিবকে দুই ফর্মেটে অধিনায়ক করা হলো। ঝামেলাটা যেখানে এসে হলো তা হল ওডিআই ফরমেট নিয়ে বিশেষকরে তামিমকে কিভাবে সম্ভব অধিনায়ক থেকে বাদ দেয়া যেখানে তাদের প্লান এবং কথাই বিশ্বকাপ অবধি তামিম ক্যাপ্টেন!
তামিমের অবসরের সিদ্ধান্ত কিছুটা অস্বস্তিতে ফেলবে টোটাল টিম কম্বিনেশনকে। বিশ্বকাপের আগে তেমন কোন ম্যাচও নাই যে নাঈম শেখ বা হাতুরুর পছন্দের সৌম্যকে (সৌম্য ছাড়া বিশ্বকাপ সম্ভব না) দিয়ে ট্রায়াল দিবে।
হয়ত এই সিরিজের বাকি ম্যাচগুলোতে লিটন অধিনায়ক থাকবে তারপরের সিরিজে সাকিব অধিনায়ক হয়ে যাবে। বর্তমান সময় সাকিবের পারফরম্যান্স এর বাহিরেও বিসিবির উপর তার একটা অলিখিত চাপ আছে এবং সাকিবের অবসরের আগ অবদি যদি পাপন সভাপতি থাকে তাইলে সে অধিনায়ক থাকবে।

সর্বপরি তামিম আমাদের আবেগ, তামিম যা দলকে দিয়েছে তা আজীবন আমাদের মনে রাখতে বাধ্য করবে। জীবনের পরবর্তী ধাপগুলো ভাল কাটুক তামিমের! খাঁন সাহেবের ভবিষ্যত জীবনের জন্য অফুরন্ত ভালোবাসা