ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান

ছাদে ৫ স্কুলছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও করেন দুই শিক্ষক, প্রাণ গেল এক ছাত্রীর

মোঃমেহেদী হাসান ( স্টাফ রিপোর্টার)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অগাস্ট ২০২৩ ২২০ বার পড়া হয়েছে

ছাদে ৫ স্কুলছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও করেন দুই শিক্ষক, প্রাণ গেল এক ছাত্রীর বিদ্যালয়ের ছাদে পাঁচ ছাত্রীর ধূমপান করছিল। এই দৃশ্য ফোনে ভিডিও করেন দুই শিক্ষক। ছাত্রীদের ডেকে মারধর করার পর সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখান তারা। সেই ভয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে জিনিয়া খাতুন নামের এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কেয়া ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই স্কুলছাত্রী একই গ্রামের জিল্লুর রহমানের মেয়ে এবং সুলতানপুর মাহতাবউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।

নিহত শিক্ষার্থীর চাচা জাহিদ হোসেন বলেন, “বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বিদ্যালয়ের ছাদে পাঁচ শিক্ষার্থী ধূমপান করছিল। আমার ভাগ্নি জিনিয়াও সেখানে ছিল।

স্কুলের সহকারী শিক্ষক লাল্টু ও ওয়ালিউর রহমান সিগারেটের দৃশ্যের ভিডিও করেন। পরে তিনি শিক্ষার্থীদের ডেকে ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। টিসি দিয়ে স্কুল থেকে বহিষ্কারের পাশাপাশি অভিভাবকদের জানানোরও হুমকি দেয়। স্কুল ছুটির পর আমার ভাগ্নি বাসায় এসে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ভুল করতে পারে, তাহলে শিক্ষকরা কেন এমন ভিডিও রেকর্ড করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখাবেন? দুই শিক্ষকের শাস্তি দাবি করছি।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক ওয়ালিউর রহমান ও লাল্টুকে একাধিকবার ফোন করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রশিদ বলেন, আমি স্কুলের বাইরে ছিলাম। একজনের মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পারি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকিবুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে। তারা প্রাথমিক তদন্ত করেছে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ছাদে ৫ স্কুলছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও করেন দুই শিক্ষক, প্রাণ গেল এক ছাত্রীর

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অগাস্ট ২০২৩

ছাদে ৫ স্কুলছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও করেন দুই শিক্ষক, প্রাণ গেল এক ছাত্রীর বিদ্যালয়ের ছাদে পাঁচ ছাত্রীর ধূমপান করছিল। এই দৃশ্য ফোনে ভিডিও করেন দুই শিক্ষক। ছাত্রীদের ডেকে মারধর করার পর সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখান তারা। সেই ভয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে জিনিয়া খাতুন নামের এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কেয়া ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই স্কুলছাত্রী একই গ্রামের জিল্লুর রহমানের মেয়ে এবং সুলতানপুর মাহতাবউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।

নিহত শিক্ষার্থীর চাচা জাহিদ হোসেন বলেন, “বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বিদ্যালয়ের ছাদে পাঁচ শিক্ষার্থী ধূমপান করছিল। আমার ভাগ্নি জিনিয়াও সেখানে ছিল।

স্কুলের সহকারী শিক্ষক লাল্টু ও ওয়ালিউর রহমান সিগারেটের দৃশ্যের ভিডিও করেন। পরে তিনি শিক্ষার্থীদের ডেকে ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। টিসি দিয়ে স্কুল থেকে বহিষ্কারের পাশাপাশি অভিভাবকদের জানানোরও হুমকি দেয়। স্কুল ছুটির পর আমার ভাগ্নি বাসায় এসে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ভুল করতে পারে, তাহলে শিক্ষকরা কেন এমন ভিডিও রেকর্ড করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখাবেন? দুই শিক্ষকের শাস্তি দাবি করছি।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক ওয়ালিউর রহমান ও লাল্টুকে একাধিকবার ফোন করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রশিদ বলেন, আমি স্কুলের বাইরে ছিলাম। একজনের মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পারি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকিবুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে। তারা প্রাথমিক তদন্ত করেছে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।