ঢাকা ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

‎ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হ*ত্যা মা*মলায় এক আ*সামি গ্রে*ফতার।

মোঃ আল আমীন ভোলা জেলা প্রতিনিধি।
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:১৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫ ২৫২ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আল আমীন ভোলা জেলা প্রতিনিধি।

‎ভোলার মনপুরার বহুল আলোচিত ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হত্যা মামলায় এক আসামির যাবতজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শওকত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
‎মামলার নথিতে জানা যায়, মনপুরার চর ফৈজউদ্দীন গ্রামের বাসিন্দা ও ফকিরহাট বাজারের পরিচিত ব্যবসায়ী মো. আলাউদ্দীন সার ও কীটনাশক ব্যবসার পাশাপাশি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট শাখা পরিচালনা করতেন। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরেরদিন নিহতের ভাই জাফর হোসেন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মনপুরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্তে আরও চারজনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে মোট সাতজনকে অভিযুক্ত করে দুটি সার্সিট দাখিল করা হয়। এর মধ্যে তিন অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।
‎বিচারকাজ চলাকালে সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা আসামি আবু কালাম হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি ছুরি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন। আদালত এই আলামত ও তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যকে মামলার প্রধান ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করেন।
‎রায়ে আদালত আসামি মো. আবু কালাম (৩৯)-কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় আসামি মো. জয়নাল, কালাম ও মো. রনিকে খালাস দেন আদালত।

‎রায়ের প্রতিক্রিয়ায় অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরণ বলেন,
‎“দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর এ রায় প্রমাণ করেছে—নৈতিকতা ও আইনের কাছে অপরাধীরা কখনোই রক্ষা পায় না। সত্য প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রপক্ষের লড়াই অব্যাহত থাকবে।”

‎স্থানীয়দের মতে, আলোচিত এ মামলার রায় এলাকায় স্বস্তি ও ন্যায়বিচারের নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

‎ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হ*ত্যা মা*মলায় এক আ*সামি গ্রে*ফতার।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:১৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

মোঃ আল আমীন ভোলা জেলা প্রতিনিধি।

‎ভোলার মনপুরার বহুল আলোচিত ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হত্যা মামলায় এক আসামির যাবতজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শওকত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
‎মামলার নথিতে জানা যায়, মনপুরার চর ফৈজউদ্দীন গ্রামের বাসিন্দা ও ফকিরহাট বাজারের পরিচিত ব্যবসায়ী মো. আলাউদ্দীন সার ও কীটনাশক ব্যবসার পাশাপাশি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট শাখা পরিচালনা করতেন। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরেরদিন নিহতের ভাই জাফর হোসেন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মনপুরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্তে আরও চারজনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে মোট সাতজনকে অভিযুক্ত করে দুটি সার্সিট দাখিল করা হয়। এর মধ্যে তিন অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।
‎বিচারকাজ চলাকালে সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা আসামি আবু কালাম হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি ছুরি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন। আদালত এই আলামত ও তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যকে মামলার প্রধান ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করেন।
‎রায়ে আদালত আসামি মো. আবু কালাম (৩৯)-কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় আসামি মো. জয়নাল, কালাম ও মো. রনিকে খালাস দেন আদালত।

‎রায়ের প্রতিক্রিয়ায় অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরণ বলেন,
‎“দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর এ রায় প্রমাণ করেছে—নৈতিকতা ও আইনের কাছে অপরাধীরা কখনোই রক্ষা পায় না। সত্য প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রপক্ষের লড়াই অব্যাহত থাকবে।”

‎স্থানীয়দের মতে, আলোচিত এ মামলার রায় এলাকায় স্বস্তি ও ন্যায়বিচারের নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে।